Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:৪২ অপরাহ্ণ

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন কাঠামোয় বাড়তি বেতন রোববার

                        সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন কাঠামোয় বাড়তি বেতন রোববার

নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী আগামী ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বেতন দেবে সরকার। কিন্তু অনেক সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারী তা পাবেন না। কারণ, অনেকেই নতুন কাঠামো অনুযায়ী তাঁরা বেতন নির্ধারণ করতে পারেননি।

নতুন বেতনকাঠামোর জটিলতা দূর করতে অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারের কাছে আবেদন করলেও গত সোমবার পর্যন্ত এর সুরাহা হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী, ৮ লাখ পেনশনভোগী ও ৬ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে সবাই বেতন নির্ধারণ করতে পারেননি। সে ক্ষেত্রে তারা পুরোনো বেতনকাঠামো অনুযায়ী বেতন পাবেন। কিন্তু বকেয়া বেতনের টাকা তাঁরা পরে পাবেন।অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ; আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ; মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়সহ বেশ কিছু মন্ত্রণালয় ও বিভাগের আবেদন ১ নভেম্বরের আগে অর্থ বিভাগ সুরাহা করতে পারছে না বলে জানা গেছে।

নতুন বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন ও আবেদনগুলো বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নতুন বেতনকাঠামোয় বেতন নির্ধারণ করতে গিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতা ও গ্রেডের ক্রমে অসংগতি দেখা দিয়েছে। কোথাও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার চেয়ে জুনিয়র কর্মকর্তারা বেশি বেতন পাবেন, কোথাও পদোন্নতির পরও কমবে মোট আয়। এসব সমস্যা সমাধানে অর্থ বিভাগে আবেদন করেও সুরাহা পাচ্ছেন না তাঁরা।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি হয়। ৫ অক্টোবর বেতন নির্ধারণ শুরু হলেও এখনো বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী এ কাজ শেষ করতে পারেননি। তাঁদের অভিযোগ, বেতন নির্ধারণের নিয়ম প্রয়োগ করতে গিয়ে গ্রেডের স্বাভাবিক ক্রমের পাশাপাশি উচ্চতর গ্রেড ও বাড়িভাড়া ভাতা নিয়েও অসংগতি দেখা দিয়েছে।

এগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আইবাস++ ব্যবস্থার জটিলতা। ফলে কেউ প্রত্যাশিত আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, আবার কারও ক্ষেত্রে পদোন্নতির পরও মোট আয় কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।অর্থসচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদারের কাছে জানতে চাইলে এ ব্যাপারে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে অর্থ বিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, প্রজ্ঞাপন তৈরি ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জানাশোনার ঘাটতি থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে বিষয়গুলোর সুরাহা করতে তাঁরা কাজ করছেন এবং অতীতের অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিচ্ছেন।

মন্তব্য করুন

ব্লগ