Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৮:১৮ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ঢাকাই মসলিন আবারও বাণিজ্যিক উৎপাদনের পথে।

একসময় বিশ্বের অভিজাতদের কাছে সমাদৃত বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ঢাকাই মসলিন আবারও বাণিজ্যিক উৎপাদনের পথে। বিজ্ঞানীদের জিনোম গবেষণা, ঐতিহাসিক নমুনা বিশ্লেষণ এবং দেশীয় কারিগরদের দক্ষতায় পুনরুদ্ধার করা হয়েছে মসলিন তৈরির বিশেষ তুলা ফুটি কার্পাস। ২০১৪ সালে শুরু হওয়া এই গবেষণায় বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৩৯টি বন্য তুলার জাত সংগ্রহ করে আদি মসলিনের সুতার নমুনার সঙ্গে তুলনা করা হয়। সাধারণ সুতির কাপড়ের ৪০–৮০ কাউন্টের তুলনায় পুনরুজ্জীবিত মসলিনের সুতা পৌঁছেছে ৭৩১–৭৫০ কাউন্টে, যা এর অসাধারণ সূক্ষ্মতার পরিচায়ক।


বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের উদ্যোগে মসলিন তৈরির পুরোনো প্রযুক্তি ও বিশেষ যন্ত্রপাতিও পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে ঢাকাই মসলিন বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি পায়। বর্তমানে সরকার দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৮৫ মিলিয়ন টাকা বা ১৮.৫ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি, ৩০০ জনেরও বেশি প্রান্তিক নারীকে সূক্ষ্ম সুতা কাটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ইতোমধ্যে ৫০০ গজ মসলিন কাপড়ের অর্ডার পূরণের কথা জানানো হয়েছে।


একটি মসলিন শাড়ি তৈরিতে বর্তমানে প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা খরচ হতে পারে এবং বুনতে ২–৪ জন তাঁতির কয়েক মাস সময় লাগে। উৎপাদন বাড়িয়ে শাড়ির উৎপাদন খরচ ১–৩ লাখ টাকার মধ্যে নামিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। 


Collect from- বিজ্ঞানপোকা

মন্তব্য করুন