সহকারী শিক্ষক
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ০৩:৫৭ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর যেসব শিক্ষার্থী প্রত্যাশিত ফলাফল পাননি, তারা এখন খাতা পুনর্নিরীক্ষণ বা বোর্ড চ্যালেঞ্জের জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনেক শিক্ষার্থী ভালো পরীক্ষা দিয়েও আশানুরূপ ফলাফল পান না। আবার কখনো ফলাফল গণনা বা নম্বর যুক্ত করার ক্ষেত্রে অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে। এসব বিষয় পুনরায় যাচাই করার জন্য শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ দেওয়া হয়।
২০২৬ সালের এইচএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জের আবেদন ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে আবেদন করতে হবে। এবারের আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা। বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবাসহ পোর্টালে প্রদর্শিত পেমেন্ট মাধ্যমের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে।
এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিতভাবে জানব, এইচএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার নিয়ম ২০২৬, অনলাইনে আবেদন করার পদ্ধতি, আবেদন ফি কত, কোন কোন বিষয়ে আবেদন করা যাবে, পেমেন্ট করার নিয়ম, আবেদন পরিবর্তন করার উপায় এবং HSC Board Challenge Result 2026 কবে প্রকাশিত হতে পারে।
এইচএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জ বলতে মূলত পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য শিক্ষা বোর্ডের কাছে আবেদন করাকে বোঝায়। কোনো শিক্ষার্থী তার পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে সন্তুষ্ট না হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারেন।
সাধারণভাবে একে খাতা পুনরায় দেখা, রেজাল্ট পুনঃনিরীক্ষণ, বোর্ড চ্যালেঞ্জ অথবা HSC Result Re-Scrutiny বলা হয়।
তবে বোর্ড চ্যালেঞ্জ মানেই উত্তরপত্র নতুন করে সম্পূর্ণ মূল্যায়ন করা নয়। পুনর্নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী উত্তরপত্রের নম্বর গণনা, কোনো উত্তরের নম্বর বাদ পড়েছে কি না, নম্বর সঠিকভাবে স্থানান্তর করা হয়েছে কি না এবং ফলাফল প্রস্তুতের প্রক্রিয়ায় কোনো অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়েছে কি না, সেসব বিষয় যাচাই করা হয়।
যদি পুনর্নিরীক্ষণের সময় কোনো ভুল পাওয়া যায়, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী ফলাফল সংশোধন করা হতে পারে। আর কোনো ভুল পাওয়া না গেলে আগের ফলাফল অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীরা ৭ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার জন্য কোনো শিক্ষার্থীকে সরাসরি শিক্ষা বোর্ডে যেতে হবে না। ম্যানুয়াল বা কাগজে লিখিত আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
| আবেদনের বিষয় | নির্ধারিত তথ্য |
|---|---|
| পরীক্ষার নাম | এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ |
| বোর্ড চ্যালেঞ্জ শুরু | ১ নভেম্বর ২০২৬ |
| আবেদনের শেষ তারিখ | ৭ নভেম্বর ২০২৬ |
| আবেদন পদ্ধতি | অনলাইন |
| আবেদন ফি | প্রতি পত্র ১৫০ টাকা |
| পেমেন্ট মাধ্যম | বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবা ও পোর্টালে প্রদর্শিত মাধ্যম |
| আবেদন ওয়েবসাইট | rescrutiny.eduboardresults.gov.bd |
| ফলাফল জানার মাধ্যম | এসএমএস ও শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল |
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আবেদন করার শেষ তারিখ ৭ নভেম্বর ২০২৬। তাই শেষ দিনের জন্য অপেক্ষা না করে যত দ্রুত সম্ভব আবেদন সম্পন্ন করুন।
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন সম্পূর্ণ অনলাইনে করতে হবে। এজন্য শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে বিষয় নির্বাচন এবং ফি পরিশোধ করতে হবে।
অনেক শিক্ষার্থী প্রথমবার বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার কারণে আবেদন পদ্ধতি বুঝতে পারেন না। তবে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করলে ঘরে বসেই মোবাইল ফোন অথবা কম্পিউটার দিয়ে আবেদন করা সম্ভব।
নিচে HSC Board Challenge 2026 আবেদন করার সম্পূর্ণ নিয়ম ধাপে ধাপে তুলে ধরা হলো।
প্রথমে মোবাইল ফোন অথবা কম্পিউটার থেকে যেকোনো একটি ব্রাউজার ওপেন করুন। এরপর ঠিকানার জায়গায় শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত পুনর্নিরীক্ষণ ওয়েবসাইটের লিংক লিখুন।
এইচএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জ আবেদন লিংক:
https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর শিক্ষার্থীদের তথ্য দেওয়ার একটি পেজ দেখতে পাবেন। এখান থেকেই মূলত বোর্ড চ্যালেঞ্জের আবেদন শুরু করতে হবে।
সবসময় সঠিক ওয়েবসাইট ব্যবহার করবেন। অপরিচিত কোনো ওয়েবসাইটে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর বা পেমেন্টের তথ্য দেবেন না।
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে।
নির্ধারিত ঘরে নিচের তথ্যগুলো লিখুন:
তথ্যগুলো পূরণ করার সময় প্রবেশপত্র বা রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেখে সঠিক নম্বর লিখুন। বিশেষ করে রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরে কোনো ভুল থাকলে শিক্ষার্থীর তথ্য খুঁজে পেতে সমস্যা হতে পারে।
সব তথ্য সঠিকভাবে দেওয়ার পর জমা দিন (Submit) বাটনে ক্লিক করুন।
রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং বোর্ড নির্বাচন করে সাবমিট করার পর পরবর্তী স্ক্রিনে একটি সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে।
এখানে এমন একটি নম্বর ব্যবহার করুন, যেটি সবসময় আপনার কাছে থাকে। কারণ পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশিত হলে এই নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে।
মোবাইল নম্বর দেওয়ার পর পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যান।
এরপর স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফলের তালিকা দেখতে পাবেন।
এখান থেকে যেসব বিষয়ের ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করতে হবে।
আপনি চাইলে একাধিক বিষয়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে প্রতিটি পত্রের জন্য নির্ধারিত ফি দিতে হবে।
বিষয় নির্বাচন করার সময় বিশেষভাবে খেয়াল রাখবেন, কোনো বিষয় দুই পত্রের হলে উভয় পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে।
সব প্রয়োজনীয় বিষয় নির্বাচন করার পর ফি প্রদান করুন (Pay Fee) বাটনে ক্লিক করুন।
বিষয় নির্বাচন করার পর পরবর্তী স্ক্রিনে মোট প্রদেয় ফি দেখানো হবে।
২০২৬ সালের এইচএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জের জন্য প্রতিটি পত্রের আবেদন ফি ১৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি দুটি পত্রের জন্য আবেদন করেন, তাহলে মোট ৩০০ টাকা ফি দিতে হবে।
ফি পরিশোধের জন্য পোর্টালে প্রদর্শিত পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন:
পোর্টালে প্রদর্শিত নির্দেশনা অনুসরণ করে আপনার পছন্দের পেমেন্ট মাধ্যম নির্বাচন করুন। এরপর পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
পেমেন্ট করার আগে প্রদর্শিত টাকার পরিমাণ ভালোভাবে যাচাই করে নেবেন। পেমেন্টের বিস্তারিত নির্দেশনা জানতে আবেদন পোর্টালের Help অপশন ব্যবহার করতে পারবেন।
ফি সফলভাবে পরিশোধ করার পর পুনরায় আবেদন পোর্টালে ফিরে আসুন।
এবার জমা দিন (Submit) বাটনে ক্লিক করে আবেদনটি চূড়ান্তভাবে জমা দিন।
এই ধাপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু ফি পরিশোধ করলেই আবেদন সম্পন্ন হয়েছে ধরে নেবেন না। পোর্টালের নির্দেশনা অনুযায়ী চূড়ান্ত জমা দেওয়ার কাজটিও সম্পন্ন করতে হবে।
আবেদন জমা দেওয়ার পর প্রয়োজনীয় তথ্য ও পেমেন্টের প্রমাণ সংরক্ষণ করে রাখুন।
এভাবেই আপনি ঘরে বসে অনলাইনে HSC Board Challenge 2026-এর আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন।
যেসব শিক্ষার্থী সংক্ষেপে আবেদন পদ্ধতি জানতে চান, তাদের জন্য নিচে পুরো প্রক্রিয়াটি টেবিল আকারে দেওয়া হলো।
| ধাপ | করণীয় |
|---|---|
| ১ | পুনর্নিরীক্ষণ ওয়েবসাইটে প্রবেশ |
| ২ | রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদান |
| ৩ | নিজের শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন |
| ৪ | সাবমিট বাটনে ক্লিক |
| ৫ | সচল মোবাইল নম্বর প্রদান |
| ৬ | পুনর্নিরীক্ষণের বিষয় নির্বাচন |
| ৭ | ফি প্রদান করুন বাটনে ক্লিক |
| ৮ | নির্ধারিত ফি পরিশোধ |
| ৯ | পোর্টালে ফিরে জমা দিন বাটনে ক্লিক |
| ১০ | আবেদন ও পেমেন্টের তথ্য সংরক্ষণ |
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য প্রতিটি পত্রের আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা।
অর্থাৎ, একজন শিক্ষার্থী একটি পত্রের জন্য আবেদন করলে ১৫০ টাকা এবং দুটি পত্রের জন্য আবেদন করলে ৩০০ টাকা দিতে হবে।
একাধিক বিষয়ে আবেদন করলে প্রতিটি পত্রের সংখ্যা অনুযায়ী মোট ফি নির্ধারিত হবে।
| আবেদনকৃত পত্রের সংখ্যা | মোট আবেদন ফি |
|---|---|
| ১টি পত্র | ১৫০ টাকা |
| ২টি পত্র | ৩০০ টাকা |
| ৩টি পত্র | ৪৫০ টাকা |
| ৪টি পত্র | ৬০০ টাকা |
| ৫টি পত্র | ৭৫০ টাকা |
| ৬টি পত্র | ৯০০ টাকা |
| ৭টি পত্র | ১,০৫০ টাকা |
| ৮টি পত্র | ১,২০০ টাকা |
| ১০টি পত্র | ১,৫০০ টাকা |
মনে রাখবেন: দ্বিপত্রবিশিষ্ট কোনো বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র উভয়ের জন্য আবেদন করতে হবে। তাই আবেদন করার আগে বিষয়ভিত্তিক পত্রের সংখ্যা ভালোভাবে যাচাই করুন।
অনলাইনে আবেদন করার সময় শিক্ষার্থীরা বিকাশের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে পারবেন। এজন্য প্রথমে পুনর্নিরীক্ষণ পোর্টালে গিয়ে বিষয় নির্বাচন করতে হবে।
এরপর পেমেন্ট অপশনে বিকাশ নির্বাচন করে পোর্টালে প্রদর্শিত নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সাধারণভাবে পেমেন্ট সম্পন্ন করার সময় নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন:
পেমেন্টের সুনির্দিষ্ট ধাপ পোর্টালের Help অপশনে দেখে নেবেন। পেমেন্টের সময় কোনো সমস্যা হলে একই আবেদন বা একই পেমেন্টের জন্য বারবার টাকা পাঠাবেন না। প্রথমে লেনদেনের অবস্থা যাচাই করুন।
বিকাশের পাশাপাশি নগদ ব্যবহার করেও এইচএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জের আবেদন ফি পরিশোধ করা যাবে।
এক্ষেত্রে প্রথমে অনলাইন আবেদন পোর্টালে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় বিষয় নির্বাচন করুন। এরপর মোট ফি প্রদর্শিত হলে পেমেন্ট অপশন থেকে নগদ নির্বাচন করুন।
পোর্টালে প্রদর্শিত নির্দেশনা অনুযায়ী পেমেন্ট সম্পন্ন করুন। টাকা পরিশোধ হয়ে গেলে পুনরায় আবেদন পোর্টালে ফিরে গিয়ে চূড়ান্তভাবে আবেদন জমা দিন।
পেমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার পর লেনদেনের তথ্য সংরক্ষণ করে রাখা ভালো।
২০২৬ সালের এইচএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জের আবেদন ফি পরিশোধের জন্য রকেট, উপায় এবং সোনালী সেবাও ব্যবহার করা যাবে।
শিক্ষার্থীরা আবেদন পোর্টালে প্রবেশ করে বিষয় নির্বাচন করার পর প্রদর্শিত পেমেন্ট মাধ্যম থেকে নিজেদের সুবিধামতো একটি মাধ্যম বেছে নিতে পারবেন।
এরপর পোর্টালে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী লেনদেন সম্পন্ন করতে হবে।
প্রতিটি পেমেন্টের ক্ষেত্রে নিশ্চিত হবেন যে টাকা সফলভাবে জমা হয়েছে এবং আবেদন পোর্টালে ফিরে চূড়ান্ত জমা দেওয়ার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
হ্যাঁ, ২০২৬ সালের এইচএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জের ক্ষেত্রে একবার ফি প্রদান করে আবেদন জমা দেওয়ার পরেও নতুন বিষয় যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।
এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে আগের মতোই একই পদ্ধতি অনুসরণ করে নতুন বিষয় নির্বাচন করতে হবে।
তবে নতুন করে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
অর্থাৎ, প্রথমবার আবেদন জমা দেওয়ার পর যদি মনে হয় আরও একটি বিষয়ের ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণ করা প্রয়োজন, তাহলে নির্ধারিত পোর্টালে গিয়ে সেই বিষয়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
তবে নতুন বিষয়ের জন্য নির্ধারিত আবেদন ফি আলাদাভাবে পরিশোধ করতে হবে।
অনেক সময় শিক্ষার্থীরা ভুল করে এমন কোনো বিষয় নির্বাচন করতে পারেন, যেটির জন্য তারা আসলে বোর্ড চ্যালেঞ্জ করতে চান না।
এমন পরিস্থিতিতে ফি পরিশোধের আগে বিষয় পরিবর্তন বা পরিমার্জন করার সুযোগ রয়েছে।
এক্ষেত্রে আবেদন পোর্টালে থাকা মুছে ফেলুন (Delete) বাটনে ক্লিক করে যেসব নির্বাচিত বিষয়ের জন্য এখনো ফি প্রদান করা হয়নি, সেগুলো প্রত্যাহার করা যাবে।
এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন করে বিষয় নির্বাচন করতে পারবেন।
তবে মনে রাখবেন, একবার কোনো বিষয়ের ফি জমা দেওয়ার পর সেই বিষয় আর বাতিল করা যাবে না। এমনকি পরিশোধিত আবেদন ফিও ফেরত পাওয়া যাবে না।
তাই পেমেন্ট করার আগে বিষয় নির্বাচনের তালিকা ভালোভাবে যাচাই করুন।
না। একবার আবেদনকৃত বিষয়ের জন্য ফি জমা দেওয়ার পর সেই আবেদন বাতিল করা যাবে না।
শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, ফি পরিশোধের পর আবেদনকৃত বিষয়গুলো আর প্রত্যাহার করা সম্ভব নয় এবং কোনো অবস্থাতেই জমা দেওয়া ফি ফেরত দেওয়া হবে না।
তবে যেসব বিষয় এখনো ফি দিয়ে চূড়ান্ত করা হয়নি, সেগুলো পোর্টালের মুছে ফেলুন অপশন ব্যবহার করে পরিবর্তন করা যাবে।
তাই ভুল এড়াতে পেমেন্টের আগে সব বিষয় ভালোভাবে দেখে নিন।
অনলাইনে আবেদন করার জন্য শিক্ষার্থীদের কয়েকটি তথ্য ও প্রয়োজনীয় জিনিস প্রস্তুত রাখতে হবে।
| প্রয়োজনীয় তথ্য | কেন প্রয়োজন |
|---|---|
| এইচএসসি রোল নম্বর | শিক্ষার্থীর পরিচয় শনাক্ত করার জন্য |
| রেজিস্ট্রেশন নম্বর | পরীক্ষার্থীর তথ্য যাচাইয়ের জন্য |
| শিক্ষা বোর্ড | সংশ্লিষ্ট বোর্ড নির্বাচন করার জন্য |
| সচল মোবাইল নম্বর | পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফলের এসএমএস পাওয়ার জন্য |
| পেমেন্টের ব্যবস্থা | আবেদন ফি পরিশোধ করার জন্য |
| ইন্টারনেট সংযোগ | অনলাইন আবেদন সম্পন্ন করার জন্য |
আবেদনের আগে প্রবেশপত্র বা রেজিস্ট্রেশন কার্ড কাছে রাখলে প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে সুবিধা হবে।
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে নির্ধারিত নিয়মে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন।
বাংলাদেশে সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের জন্য সংশ্লিষ্ট বোর্ড নির্বাচন করে আবেদন করতে হবে।
শিক্ষা বোর্ডগুলোর নাম হলো:
আবেদন করার সময় অবশ্যই নিজের পরীক্ষার বোর্ড নির্বাচন করবেন। অন্য বোর্ড নির্বাচন করলে শিক্ষার্থীর তথ্য যাচাইয়ে সমস্যা হতে পারে।
এই প্রশ্নটি অনেক শিক্ষার্থীর মনে থাকে। আসলে বোর্ড চ্যালেঞ্জ করলে ফলাফল পরিবর্তন হবেই, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
পুনর্নিরীক্ষণের সময় উত্তরপত্র ও ফলাফল প্রস্তুতের নির্ধারিত বিষয়গুলো যাচাই করা হয়। সেখানে কোনো ভুল পাওয়া গেলে সংশোধিত ফলাফল প্রকাশ করা হতে পারে।
যেমন:
অন্যদিকে, পুনর্নিরীক্ষণের সময় কোনো ভুল পাওয়া না গেলে আগের ফলাফলই বহাল থাকতে পারে।
তাই বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার আগে মনে রাখবেন, আবেদন করা মানেই নম্বর বাড়বে বা পাস নিশ্চিত হবে—এমন নয়।
বোর্ড চ্যালেঞ্জ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি সাধারণ প্রশ্ন হলো, পুনর্নিরীক্ষণের পর আগের নম্বর কমে যাওয়ার আশঙ্কা আছে কি না।
এ বিষয়ে নির্দিষ্ট বছরের শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি ও প্রযোজ্য নিয়ম অনুসরণ করা উচিত। পুনর্নিরীক্ষণকে নম্বর বাড়ানোর নিশ্চয়তা হিসেবে দেখা ঠিক নয়।
আবেদন করার মূল উদ্দেশ্য হলো প্রকাশিত ফলাফলে কোনো অনিচ্ছাকৃত হিসাব বা প্রক্রিয়াগত ভুল থাকলে তা শনাক্ত করা।
তাই ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার আগে সরকারি নির্দেশনা ভালোভাবে পড়ে নিন।
অনেক শিক্ষার্থী মনে করেন, বোর্ড চ্যালেঞ্জ করলে পরীক্ষক আবার সম্পূর্ণ উত্তরপত্র পড়ে নতুন করে নম্বর দেবেন। বিষয়টি সব ক্ষেত্রে এমন নয়।
পুনর্নিরীক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো উত্তরপত্র ও ফলাফল প্রস্তুতের নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় কোনো ভুল হয়েছে কি না, তা যাচাই করা।
সাধারণভাবে নিচের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ:
১. নম্বরের যোগফল যাচাই: উত্তরপত্রে বিভিন্ন প্রশ্নের জন্য দেওয়া নম্বরের যোগফল সঠিকভাবে করা হয়েছে কি না, তা দেখা হয়।
২. কোনো উত্তরের নম্বর বাদ পড়েছে কি না: উত্তরপত্রের কোনো অংশের নম্বর গণনায় অন্তর্ভুক্ত না হলে সেটি যাচাইয়ের বিষয় হতে পারে।
৩. নম্বর স্থানান্তর: উত্তরপত্র থেকে নির্ধারিত নম্বর সঠিকভাবে নম্বরপত্র বা ফলাফল প্রস্তুতের প্রক্রিয়ায় স্থানান্তর হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হয়।
৪. ফলাফল প্রস্তুতের ভুল: নম্বর গণনা বা ফলাফল তৈরির প্রক্রিয়ায় কোনো অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকলে নিয়ম অনুযায়ী সংশোধন করা হতে পারে।
তবে পুনর্নিরীক্ষণের মাধ্যমে উত্তরপত্রের প্রতিটি উত্তরের নতুন করে গুণগত মূল্যায়ন করা হবে—এমন ধারণা করা উচিত নয়।
এইচএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জের আবেদন করার পর শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি আগ্রহ থাকে পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশের তারিখ নিয়ে।
২০২৬ সালের আবেদন প্রক্রিয়া ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। তবে ফলাফল প্রকাশের নির্দিষ্ট তারিখ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য শিক্ষা বোর্ডের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করতে হবে।
ফলাফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা করা হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমে তা জানা যাবে।
এছাড়া আবেদন করার সময় যে মোবাইল নম্বর দেওয়া হবে, পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশিত হলে সেই নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে।
তাই আবেদন করার সময় সচল মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশিত হলে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবেন।
ফলাফল দেখার জন্য নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন:
এছাড়া আবেদন করার সময় দেওয়া মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমেও ফলাফল জানানো হতে পারে।
মনে রাখবেন: ফলাফল দেখার সময় নিজের শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত তালিকাই অনুসরণ করবেন। অন্য বোর্ডের ফলাফলের তালিকায় নিজের রোল নম্বর খুঁজে লাভ নেই।
পুনর্নিরীক্ষণের পর যদি কোনো শিক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তন হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত সংশোধিত ফলাফল অনুসরণ করতে হবে।
শিক্ষার্থীকে প্রথমে নিজের রোল নম্বর দিয়ে ফলাফল যাচাই করতে হবে। এরপর সংশোধিত ফলাফল বা নম্বরপত্র সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
ফলাফল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পরবর্তী ভর্তি, বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন বা অন্যান্য শিক্ষাগত কাজে সংশোধিত ফলাফল ব্যবহার করার নিয়ম সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনা অনুযায়ী জেনে নিতে হবে।
অনলাইনে আবেদন করার সময় সামান্য ভুলের কারণেও শিক্ষার্থীদের সমস্যায় পড়তে হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে কয়েকটি বিষয় মনে রাখা জরুরি।
১. সঠিক ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন: আবেদন করার জন্য শুধু নির্ধারিত পুনর্নিরীক্ষণ পোর্টাল ব্যবহার করবেন।
২. রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর যাচাই করুন: প্রবেশপত্র দেখে সঠিক তথ্য লিখুন।
৩. সঠিক শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করুন: নিজের পরীক্ষার বোর্ড ছাড়া অন্য বোর্ড নির্বাচন করবেন না।
৪. সচল মোবাইল নম্বর দিন: ফলাফল সংক্রান্ত এসএমএস পাওয়ার জন্য কার্যকর নম্বর ব্যবহার করুন।
৫. বিষয় নির্বাচনে সতর্ক থাকুন: যে বিষয়গুলো পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, শুধু সেগুলোই নির্বাচন করুন।
৬. দুই পত্রের নিয়ম মেনে আবেদন করুন: দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের আবেদন করতে হবে।
৭. ফি পরিশোধের আগে যাচাই করুন: একবার ফি জমা দিলে আবেদনকৃত বিষয় বাতিল করা যাবে না।
৮. পেমেন্টের প্রমাণ রাখুন: লেনদেনের তথ্য ও আবেদন সংক্রান্ত প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।
৯. চূড়ান্ত সাবমিট করুন: পেমেন্টের পর পোর্টালে ফিরে জমা দিন বাটনে ক্লিক করতে ভুলবেন না।
১০. শেষ তারিখের আগেই আবেদন করুন: ৭ নভেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করুন।
২০২৬ সালের এইচএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জের আবেদন ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীরা ৭ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
এইচএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জ ২০২৬-এর আবেদনের শেষ তারিখ ৭ নভেম্বর ২০২৬।
২০২৬ সালে প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্ধারিত ওয়েবসাইট https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd-এ প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
হ্যাঁ। স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে ঘরে বসেই অনলাইনে আবেদন করা যাবে।
হ্যাঁ। শিক্ষার্থীরা এক বা একাধিক বিষয়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা ফি দিতে হবে।
হ্যাঁ। দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র উভয়ের জন্য আবেদন করতে হবে।
হ্যাঁ। বিকাশের মাধ্যমে নির্ধারিত আবেদন ফি পরিশোধ করা যাবে।
হ্যাঁ। নগদ ব্যবহার করেও আবেদন ফি পরিশোধ করার সুযোগ রয়েছে।
হ্যাঁ। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রকেটের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে।
হ্যাঁ। আগের আবেদন জমা দেওয়ার পরেও নতুন বিষয় যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। এজন্য নতুন করে মোবাইল নম্বর দিতে হবে না। তবে নতুন বিষয়ের জন্য নির্ধারিত ফি দিতে হবে।
হ্যাঁ। যেসব বিষয়ের জন্য এখনো ফি প্রদান করা হয়নি, সেগুলো মুছে ফেলুন অপশন ব্যবহার করে প্রত্যাহার করে নতুন বিষয় নির্বাচন করা যাবে।
না। একবার ফি জমা দেওয়ার পর আবেদনকৃত বিষয় বাতিল করা যাবে না।
না। শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, একবার ফি পরিশোধ করলে কোনো অবস্থাতেই তা ফেরত দেওয়া হবে না।
না। ২০২৬ সালের পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন সম্পূর্ণ অনলাইনে করতে হবে। ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও প্রকাশিত ফলাফলের তালিকা থেকে ফলাফল জানা যাবে। আবেদন করার সময় দেওয়া মোবাইল নম্বরেও এসএমএস পাঠানো হবে।
নম্বর বাড়ার নিশ্চয়তা নেই। পুনর্নিরীক্ষণে কোনো ভুল পাওয়া গেলে নিয়ম অনুযায়ী ফলাফল সংশোধন হতে পারে। ভুল না পাওয়া গেলে আগের ফলাফল অপরিবর্তিত থাকবে।
পুনর্নিরীক্ষণের সময় কোনো ভুল সংশোধনের ফলে ফলাফলে পরিবর্তন আসতে পারে। তবে আবেদন করলেই পাস নিশ্চিত হবে না।
রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষা বোর্ডের নাম এবং একটি সচল মোবাইল নম্বর প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি আবেদন ফি পরিশোধের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
ফি পরিশোধের পর পোর্টালে ফিরে জমা দিন বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর পোর্টালে আবেদন জমা হওয়ার অবস্থা যাচাই করুন এবং পেমেন্টের তথ্য সংরক্ষণ করুন।
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে যারা সন্তুষ্ট নন, তাদের জন্য বোর্ড চ্যালেঞ্জ বা উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। আবেদন করতে হবে ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে। প্রতিটি পত্রের জন্য ফি ১৫০ টাকা এবং বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবাসহ পোর্টালে প্রদর্শিত মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করা যাবে।
আবেদন করার সময় রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও শিক্ষা বোর্ড সঠিকভাবে নির্বাচন করবেন। পাশাপাশি ফি পরিশোধের আগে বিষয়গুলো ভালোভাবে যাচাই করবেন, কারণ একবার ফি জমা দেওয়ার পর আবেদন বাতিল করা যাবে না এবং টাকা ফেরত পাওয়া যাবে না।
সর্বশেষ তথ্য ও আবেদন সংক্রান্ত নির্দেশনার জন্য শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইট rescrutiny.eduboardresults.gov.bd অনুসরণ করুন।
৮
৮ মন্তব্য