Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২০ আগস্ট, ২০২১ ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ

কদম ফুল, আলেয়া বেগম,সহকারী প্রধান শিক্ষক,মানব কল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়, বাহুবল, হবিগঞ্জ।

বর্ষাকালের দূত আমরা কদম ফুলকেই বলি।  বর্ষাকালে ছোট বড় কদম গাছে ডালে ডালে সাজানো থাকে কদম ফুল। ফুলগুলো ঠিক ছোট ছোট বলের মতো মনে হয়। কদমের মিষ্টি গন্ধে চার দিক ম ম করে।
কদমগাছ অনেক উঁচু হয় এবং এর  শাখা-প্রশাখা থাকে বহু।  বাকলের রঙ ধূসর থেকে প্রায় কালো। পাতা বেশ বড় ও ডিম্বাকৃতির। কছকছা রং সবুজ। আর ফুলের রঙ সাদা-হলুদে মেশানো। আমরা যাকে ‘কদম ফুল’ বলি তা আসলে বহু ফুলের সমষ্টি। মাঝখানে থাকে গোলাকার পুষ্পাধার এবং এর গায়ে ফুলগুলো লেগে থাকে। ভেতরেল মাংসল ও টক। কদম ফল বাদুড় ও কাঠবিড়ালির প্রিয় খাদ্যের একটি। বলা যায়, তারাই কদমের বীজ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ছড়িয়ে বংশ বৃদ্ধি করে।
কদম গাছের কাঠ নরম। তেমন শক্তপোক্ত নয়। এ জন্য সাধারণত কদমের কাঠ জ্বালানি হিসেবেই ব্যবহৃত হয় বেশি। তবে কদম গাছের কাঠ ম্যাচের কাঠি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বৈজ্ঞানিক নাম অ্যান্থোসেফেলাস ইন্ডিকাস ।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট