Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০১ ডিসেম্বর, ২০২১ ১১:৫৪ অপরাহ্ণ

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ

'জাতির জনক' এবং 'বঙ্গবন্ধু'র মতো দুর্দান্ত উপাধি যুক্ত হয়েছে শেখ মুজিবুর রহমানের নামের সঙ্গে। এটা এমনি এমনি হয়নি, আর একদিনেই এসব বিশেষণ অর্জন করেননি তিনি। বাংলাদেশ নামক এই রাষ্ট্র সৃষ্টির প্রতিটি ধাপে অনন্য অবদানের কারণে এসব উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন শেখ মুজিব। এখন কেউ প্রশ্ন করতে পারেন যে, বঙ্গবন্ধু কেন দেশের মানুষের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন? এই প্রশ্নের একমাত্র উত্তর হলো- বাঙালি জাতিকে পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ-নির্যাতন থেকে মুক্ত করাই ছিল তার জীবনের লক্ষ্য। তার জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো গতিপথ গভীরভাবে পর্যালোচনা করে বলা যায়, তার লড়াইটা মূলত ছিল বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকারের জন্য।

১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন শেখ মুজিব। ছয় বোন এবং এক ভাইয়ের সঙ্গে আবহমান বাংলার গ্রামীণ পরিবেশে বড় হয়েছেন শেখ মুজিব, সেসময় তিনি ছিলেন সবার আদরের 'খোকা'। গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাসের পর ১৯৪৭ সালে তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে বিএ ডিগ্রি লাভ করেন। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন। রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১৯৪৮ সালে তাকে বহিষ্কার করে। একই বছরে তিনি জেলেও গিয়েছিলেন দুবার। কারাগারে প্রথমবারের অভিজ্ঞতা তাকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং জনগণের অভিভাবক হিসাবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিল। তবে অন্যান্য সাধারণ মানুষের মতো একটি অবস্থা থেকে ক্রমেই 'জাতির জনক' ও 'বঙ্গবন্ধু' হয়ে ওঠার পথটি অতো সহজ ছিল না। উপাধিগুলো অর্জনের জন্য অনেক ত্যাগ করতে হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট