Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১৬ ডিসেম্বর, ২০২১ ১০:১৩ অপরাহ্ণ

নৈতিকতা

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স-এর চরম উন্নতীর যুগে বিশ্ব মানব সভ্যতার ধ্বজাধারী মানুষ আজ জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে মানবতা, নৈতিকতা ও সত্য সুন্দরের পরিচর্যায় এবং লালনে এতটা নিচে নেমে গেছে যে, মানুষ আর পশুতে কোনো পার্থক্য নেই বললেই চলে।

আকার, আকৃতি ও লেবাসধারী মানবরূপী-চলমান জীবটিকে মানুষ বলে পরিচয় দিতেও জ্ঞানী, গুণী, চিন্তাশীল ব্যক্তিরা লজ্জাবোধ করেন। কেন করেন, কি জন্য করেন, তার পেছনে রয়েছে- দীর্ঘ এক জঞ্জাল পূর্ণ ইতিহাস। কেননা, সারাটা বিশ্ব আজ বড় কঠিন সময় অতিক্রম করছে, অন্যায়, অবিচার, জুলুম, শোষণ ও চরিত্রহীনতা বিশ্বের প্রতিটি জনপদ ও অঞ্চলকে প্রায় গ্রাস করে ফেলেছে। হত্যা, লুণ্ঠন, জোর যার মুল্লুক তার এক জমজমাট আসরে পরিণত হয়েছে চলমান এই সাধের দুনিয়া। পাপাচার, যৌনাচার, ও নেশার দ্রব্যাদির লাইসেন্স দেয়া হচ্ছে অবারিতভাবে। উন্নত, সুসভ্য ও শক্তিধর বলে পরিচিত কোনো কোনো দেশে জারজ বা অবৈধ সন্তানের সংখ্যা পালাক্রমে বেড়েই চলেছে বলে শোনা যায়। এই জারজদের রাজানুকুল্যে প্রতিপালন করে বিভিন্ন কাজে নিয়োগ করা হয়ে থাকে। একই সাথে দিন দিন বাড়ানো হচ্ছে পৃথিবী বিধ্বংসী সমরাস্ত্রের ভাণ্ডার। এত সব আয়োজন, অনাচার, অবিচার ও কলুষতার প্রতি লক্ষ্য করেই হয়ত জনৈক চারণ কবি দরদ ভরা কণ্ঠে গেয়েছেন :

‘এই যে দুনিয়া, কিসের লাগিয়া,
এত যত্নে গড়ায়েছেন সাঁই, এই যে দুনিয়া।’
বস্তুত : পরম কৌশলী, মহা বিজ্ঞানী ও সর্ব শক্তিমান আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত এই দুনিয়াকে পয়দা করেছেন অত্যন্ত যত্ন সহকারে। একে ধন-ধান্যে পুষ্প-পল্লবে, নৈসর্গিক সৌন্দর্যে এতখানি চিত্তাকর্ষক ও মনোলোভা করে সাজিয়েছেন যে, গোটা পৃথিবীর যে দিকেই তাকানো যায়, সেখানেই রূপ-ঐশ্বর্য, মায়া-মমতা, প্রেম ও ভালোবাসার এক অপূর্ব সমাবেশ ও সমারোহ পরিলক্ষিত হয়।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট