Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

৩০ জুন, ২০২৩ ০৮:৪৭ অপরাহ্ণ

অ্যালগোরিদম(Algorithm)

কোনো একটি নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য যুক্তিসম্মত সসীম সংখ্যক পর্যায়ক্রমিক ধারা বর্ণনাকে একত্রে অ্যালগোরিদম বলা হয়। নিচের উদাহরণটি লক্ষ্য কর-

দুটি সংখ্যার গড় নির্ণয়ের অ্যালগোরিদমঃ 

ধাপ-১: শুরু

ধাপ-২: a ও b এর মান গ্রহণ

ধাপ-৩: avg = (a+b)/2 নির্নয়

ধাপ-৪: avg এর মান প্রদর্শন

ধাপ-৫: শেষ

 

কোনো সমস্যাকে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং দ্বারা সমাধান করার পূর্বে কাগজে-কলমে সমাধান করার জন্যই অ্যালগোরিদম ব্যবহার করা হয়।আরব গনিতবিদ ‘আল খারিজমী’ তার গণিত বইয়ে সর্বপ্রথম অ্যালগোরিদমের ধারণা দেন এবং তার নাম অনুসারে অ্যালগোরিদম নামকরন করা হয়েছে।

অ্যালগরিদম তৈরির শর্ত:

১। অ্যালগোরিদম সহজবোধ্য হতে হবে।

২। ইনপুট এবং আউটপুট স্পষ্টভাবে নির্ধারন করতে হবে।

৩। অ্যালগোরিদমের কোন ধাপের পুনরাবৃত্তি হবে না এবং প্রত্যেকটি ধাপ স্পষ্ট হতে হবে যাতে সহজে বুঝা যায়।

৪। প্রত্যেকটি ধাপের লজিক্যাল ক্রম থাকতে হবে।

৫। সসীম সংখ্যক ধাপে সমস্যার সমাধান হতে হবে।

৬। অ্যালগোরিদম ব্যাপকভাবে প্রয়োগ উপযোগী হতে হবে।

৭। অ্যালগোরিদমে কোন কম্পিউটার কোড থাকা যাবে না বা লিখতে কোন প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করা যাবে না। বরং অ্যালগোরিদম এমনভাবে লিখতে হবে যা একই ধরণের প্রোগ্রামিং ভাষার জন্য ব্যবহার করা যায়।

অ্যালগরিদম তৈরির সুবিধা:

১। এটি একটি ধাপ-ভিত্তিক উপস্থাপনা ফলে সহজে প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য বোঝা যায়।

২। একটি অ্যালগোরিদম একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে।

৩। এটি কোনও প্রোগ্রামিং ভাষার উপর নির্ভরশীল নয়, তাই প্রোগ্রামিং জ্ঞান ছাড়াই যেকারো পক্ষে এটি বোঝা সহজ।

৪। একটি অ্যালগোরিদমের প্রতিটি ধাপের নিজস্ব লজিকাল ক্রম আছে তাই এটি ডিবাগ করা সহজ।

৫। প্রোগ্রাম পরিবর্তন ও পরিবর্ধনে সহায়তা করে।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট