প্রধান শিক্ষক
১৫ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১২:১৫ অপরাহ্ণ
প্রধান শিক্ষক
শ্রেণি কক্ষ নেই, শিশুদের বসার মত বেঞ্চ নেই, বিদ্যালয়ের অফিস বা শ্রেণিতে টেবিল-চেয়ার নেই, ফ্যান নেই, নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নেই। বিদ্যালয়ের ভবন-দেওয়াল নোংরা হয়ে আছে। বিদ্যালয়ের এ অবস্থা দেখে হতাস হয়ে পড়ি। উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাহস দিয়ে বললেন, নতুন করে শুরু করেন।
বর্তমানে মাত্র তিন বছরের মাথায় এসে বিদ্যালয়ের ৯০% সমস্যার সমাধান করেছি। নিরাপদ পানির জন্য গভীর নলকূপের ব্যবস্থা হয়েছে। ভবন, টেবিল-চেয়ার, দরজা-জানালা রং করা হয়েছে, বিদ্যালয়ের দেওয়ালে ছবি ও কিছু বাণী লেখা হয়েছে। একটা ছোটো ফুলের বাগান করা হয়েছে। বারান্দায় ফুলের টব বসানো হয়েছে। টয়লেট সংস্কার করা হয়েছে। ফ্রেব্রুয়ারি-২৩ হতে বিদ্যালয়কে একশিফট-এ রূপান্তর করা হয়েছে। আরও কিছু কাজ সমাপ্ত হয়েছে, যার জন্য সরকার বাহাদুরের প্রতি কৃতজ্ঞ।
স্থানীয়ভাবে শিশুদের জন্য রঙিন বেঞ্চ-এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাট করে মাঠকে খেলার উপযোগী করা হয়েছে। পুরাতন ভবনকে মেরামত করে শ্রেণিপাঠ উপযোগী করে শ্রেণিকক্ষের সমাধান করা হয়েছে। শিশুদের জন্য জাতীয় পতাকার রঙে ড্রেস-এর ব্যবস্থা হয়েছে। এজন্য স্থানীয় অধিবাসী ও এসএমসির সভাপতির প্রতিও কৃতজ্ঞ।
সবার সহযোগিতা পেলে বিদ্যালয়কে আরও এগিয়ে নিতে পারব বলে বিশ্বাস করি।