সিনিয়র শিক্ষক
১৫ ডিসেম্বর, ২০২৩ ০৯:৩৩ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে কিছু কথা
পাবলিক পরীক্ষা: নতুন শিক্ষাক্রমে নবম শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পাবলিক পরীক্ষা রাখা হয়নি। দশম শ্রেণিতে একটি পাবলিক পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেখানে শিখনকালীন ও সামষ্টিক মূল্যায়ন ধরা হয়েছে ৫০ শতাংশ করে। অন্যদিকে একাদশ শ্রেণি শেষে একাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রমের উপর একটি পাবলিক পরীক্ষা এবং দ্বাদশ শ্রেণি শেষে দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রমের উপর আরেকটি পাবলিক পরীক্ষার বিধান রাখা হয়েছে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পাবলিক পরীক্ষায় ৩০ শতাংশ শিখনকালীন আর ৭০ শতাংশ সামষ্টিক মূল্যায়নের কথা বলা হয়েছে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির গড় ফলাফলের ভিত্তিতে উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
নিন্মের সুপারিশসমূহ আমলে নেওয়া যেতে পারে: ১. কারিকুলাম বাস্তবায়ন অন্তে পর্যায়ক্রমিকভাবে মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনলে ভালো হতো। ২. কারিকুলাম বাস্তবায়নে অতিরিক্ত খরচ মেটাতে প্রতিষ্ঠান প্রতি সরকারি বাজেট বরাদ্দ দেওয়া উচিত। ৩. কারিকুলাম সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা উপকরণ সরকারিভাবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা দরকার। ৪. জাতীয় বাজেটে শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেয়া প্রয়োজন। ৫. বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের দেশে ও বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। ৬. রেডিও, টেলিভিশন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও প্রিন্ট মিডিয়ায় নতুন কারিকুলাম সংশ্লিষ্ট প্রচার প্রচারণা চালানো উচিত। ৭. শিক্ষক স্বল্পতা কমানো অর্থাৎ শিক্ষক ছাত্রের অনুপাত কমানো দরকার। ৮. প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান ও আইসিটি ল্যাব স্থাপন করা উচিত।
লেখক: শিক্ষক, মিলেনিয়াম স্কলাস্টিক স্কুল এন্ড কলেজ, জাহাংগীরাবাদ ক্যান্টনমেন্ট, বগুড়া।
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১৫/১২/২০২৩