Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১৮ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১২:৪৬ অপরাহ্ণ

অশোক

অশোক:

অশোক শব্দ দিয়ে  গাঢ় লালবর্ণের পুষ্প বিশেষ বা সেই পুষ্পতরু । অশোক  বৈজ্ঞানিক নাম Saraca asoca, Saraca indica), অশোক গাছের ফুল ভারতের ওড়িশার রাজ্যের রাজ্য ফুল।

বিবরণ:

অশোক মাঝারি আকৃতির ছায়াদানকারী চিরসবুজ বৃক্ষ। এদের পাতার রঙ গাঢ়-সবুজ। পাতাগুলো দীর্ঘ, চওড়া ও বর্শাফলাকৃতির। কচিপাতা কোমল, নমনী, ঝুলন্ত ও তামাটে। ফুল ফোটার প্রধান মৌসুম বসন্তকাল। তবে হেমন্ত অবধি এ গাছে ফুল ফুটতে দেখা যায়। তবে শীতকালেও এরা অল্প সংখ্যা ফুটে থাকে। অশোক ফুল গাছের কাণ্ড থেকে ফোটে। ফুল আকারে ছোট, কিন্তু বহুপৌষ্পিক, ছত্রাকৃতি। মঞ্জরি আকারে বড়। অজস্র ফুলের সমষ্টি অশোকমঞ্জরি মৃদু গন্ধযুক্ত এবং বর্ণ ও গড়নে আকর্ষণীয়। তাজা ফুলের রং কমলা, কিন্তু বাসি ফুল লাল রঙ ধারণ করে। পরাগকেশর দীর্ঘ। ফল বড়সড় শিমের মতো চ্যাপ্টা, পুরু এবং ঈষৎ বেগুনি রঙের।

 

রবীন্দ্রনাথ কবিতালিখেছিলেন, পুরাকালে নাকি অশোকবৃক্ষে নারীর চরণস্পর্শে ফুল জেগে উঠতো। সিদ্ধার্থ লুম্বিনীর এক অশোকতরুর নিচে জন্মেছিলেন। অশোক গাছ হিমালয়ের পাদদেশবর্তী অঞ্চলে লভ্য। বলধা গার্ডেনের সংরক্ষিত অংশটিতে (সাইকি) একটি অশোক গাছ আছে।

প্রজাতি:

আলোচ্য অশোক ছাড়াও ভারতে এবং বাংলাদেশে রাজ অশোক এবং স্বর্ণ অশোক নামে আরও দুই রকমের অশোক গাছ দেখা যায়। অশোকের একটি প্রজাতি রয়েছে যাদের ফুলের রঙ হলুদ। এর বৈজ্ঞানিক নামঃ Saraca thaipingensis.

 

বংশবিস্তার:

অশোক ফলের বীজ থেকে সহজেই চারা জন্মা। তবে চারার বৃদ্ধি মন্থর।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট