Loading..

উদ্ভাবনের গল্প

রিসেট

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৮:২৫ অপরাহ্ণ

চলো আমরা শিখি, হঠাৎ হাঁচি-কাশি হলে নিয়ম মেনে চলি।

#হাঁচি ও কাশি??


#ভাইরাসজনিত কারণে ও বিভিন্ন মৌসুমে আবহাওয়া পরিবর্তনের দরুন শিশুদের সর্দি-কাশি-জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার হার তুলনামূলক অনেক বেশি। কারণ হাঁচি-কাশি হওয়ার পর শিশুরা পরস্পরের সঙ্গে মেশার ক্ষেত্রে সচরাচর সাবধান থাকে না। দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রেই পরিবারের সদস্যদের অসচেতনতার কারণে শিশুরা এসব বিষয় সম্পর্কে অজ্ঞ থেকে যায়। 

#ফলে খুব সহজেই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে শ্বাসযন্ত্রের বিভিন্ন সংক্রমণ। সাধারণত শ্রেণিকক্ষে বা খেলতে গিয়ে এক শিশু থেকে অন্য শিশুর মধ্যে সংক্রমণ ছড়ায়। এরপর তাদের থেকে সেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে মা-বাবাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে। এ কারণে শিশুদের হাঁচি-কাশি দেওয়ার শিষ্টাচার শেখানো চেষ্টা ?️?️?️

হাঁচি-কাশি দেওয়ার নিয়ম


#শিশুকে শিখিয়ে দিতে হবে যে কাশি এলে যেন নিচের দিকে বা মাটির দিকে মুখ করে কাশি দেয়। সম্ভব হলে বসে পড়তে হবে। সামনে কেউ থাকলে পেছন ফিরে কাশি দিতে হবে।


#রুমাল বা টিস্যু দিয়ে নাক-মুখ ঢেকে কাশি দিতে হবে। ব্যবহারের পর টিস্যু পেপারটি অবশ্যই ময়লা ফেলার জায়গায় বা ডাস্টবিনে ফেলে দিতে হবে।


#রুমালের চেয়ে টিস্যু পেপার ভালো; কারণ, ব্যবহারের পর রুমাল পকেটে রাখা হয় এবং এভাবে জীবাণু ছড়িয়ে পড়তে পারে।


#হাতের কাছে টিস্যু না থাকলে কনুই দিয়ে মুখ ঢেকে হাঁচি-কাশি দিতে হবে। সম্ভব হলে মাস্ক ব্যবহার এ শিশুকে উৎসাহিত করা যেতে পারে।


#কোনোভাবে হাতের তালু দিয়ে মুখ ঢেকে হাঁচি-কাশি দেওয়া হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।


#ধোয়ার আগে কিছুতেই হাত দিয়ে নিজের বা অপরের নাক-মুখ স্পর্শ করা যাবে না, বই-খাতা, দরজার হাতল, টেবিল, ফোন ইত্যাদি ধরা যাবে না।

মন্তব্য করুন