সহকারী শিক্ষক
০৪ জুলাই, ২০২৫ ০৮:১৩ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ক্ষ- এখন নিয়মিত প্যাক মিটিং , কাব অভিযান , কাব কার্নিভাল , ও কাব ক্যাম্প ইত্যাদিতে শিশুরা স্বতঃস্ফূর্ত অংশগহন করছে। এখন শিশু, কাবের অভিভাবকগণ বুঝতে শিখেছেন যে, কাব ড্রেস কতটা জরুরী । আর প্রধান শিক্ষকও বুঝে গেছেন যে, আর নিস্তার নেই কাব ড্রেস নিতেই হবে। আমি প্রথমত বুঝাতে সক্ষক হয়েছি অভিভাবক ও প্রধান শিক্ষক সাহেবকে যে , কাবদের ড্রেসকোড থাকা কতটা জরুরী। স্লিপ থেকেও অর্থ দিয়ে কাব ড্রেস বানানোর পরামর্শ দিলেও কখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি তাঁর দ্বারা ইতোপূর্বে । আর নিজের অটুট কাজ ও বুঝানোর পরিবেশ ও ধৈর্য এবং অর্থ ব্যয় করার মানসিক শক্তি একজন ইউনিট লিডারের সর্বাগ্রে রাখতে হবে । যা আমার ছিল। এতদিন যা এখনো ধরে রেখেছি । যার ফলে পরিবেশের বিকাশে ও বিবর্তনে প্রধান শিক্ষক সাহেবও এখন কাব ড্রেস বানানোর ঘোষণা দিলেন । ইতোপুর্বেও এরকম আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি , সময় ক্ষেপন হয়ে গেছে। কিন্ত সময়তো আর থেমে থাকে না । আমি শুধু অর্থ ব্যয় করতাম আর লেগে থাকতাম । বাংলাদেশের প্রতিটি কাব স্কাউটিং ইউনিটগুলোতে ইউনিট লিডারের আন্তরিকতার পাশাপাশি , অভিভাবক ও ইউনিটের সভাপতি বা প্রধান শিক্ষকগণের একান্ত অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও সুপরামর্শ থাক জরুরী কাবড্রেস বনানোতে এবং কাবিং কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে । এলাকার সুশীল, সুধী সমাজকেও কাবের বা স্কাউটের গুরুত্ব বুঝাতে হবে । আর ফান্ডের চাঁদার পরিমান বাড়াতে হবে । সরকারিভাবে তা নিয়মিত প্রদানে বাধ্য করতে হবে এবং সরকারি সহায়তাও বাড়াতে হবে । এতে ড্রেসকোড ও কাবিং কার্যক্রম সচল ও আনন্দদায়ক হবে বলে আমার পরামর্শ ।