পানীয় জলের প্রধান সমস্যাগুলো হলো দূষণ,
যেমন রাসায়নিক (আর্সেনিক), জীবাণু
(ব্যাকটেরিয়া) এবং সমুদ্রের লোনা জলের অনুপ্রবেশ
। এছাড়া, স্যানিটেশনের অভাব,
জলের অপচয় (যেমন পাইপে ছিদ্র), জলের অভাব (জল
দুষ্প্রাপ্যতা) এবং অতিরিক্ত উত্তোলনও গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। এই সমস্যাগুলো স্বাস্থ্য
ও পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, যার মধ্যে রয়েছে ডায়রিয়া,
হেপাটাইটিস ও অন্যান্য রোগ।
প্রধান সমস্যাগুলো
- দূষণ:
- রাসায়নিক দূষণ: আর্সেনিকের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি।
- জীবাণু দূষণ: পয়ঃনিষ্কাশন
ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ।
- জলবায়ু পরিবর্তন: সমুদ্রের জলের অনুপ্রবেশের কারণে পানীয় জল লবণাক্ত
হয়ে যায়।
- অভাব ও দুষ্প্রাপ্যতা:
- অপ্রতুল সরবরাহ: জলের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট পরিমাণ সুপেয় জলের
উৎসের অভাব।
- অতিরিক্ত উত্তোলন: ভূগর্ভস্থ জল অতিরিক্ত উত্তোলনের ফলে সংকট আরও বাড়ে।
- অবকাঠামোগত দুর্বলতা:
- পয়ঃনিষ্কাশন: অপর্যাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা দূষণের অন্যতম কারণ।
- অপচয়: জল
সরবরাহ পাইপের ছিদ্র দিয়ে প্রচুর পরিমাণে জল নষ্ট হয়, যা "অ-রাজস্ব জল" নামে
পরিচিত।
- অন্যান্য কারণ:
- শিল্পায়ন: দূষণ
নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না নিয়ে শিল্পায়ন বৃদ্ধি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি: জনসংখ্যার চাপ সরবরাহ ব্যবস্থার উপর অতিরিক্ত বোঝা তৈরি
করে।
·
সমাধান ও করণীয়
- দূষণ নিয়ন্ত্রণ:
- পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং স্যানিটেশনের
উন্নতি।
- শিল্প বর্জ্য পরিশোধনের ব্যবস্থা গ্রহণ।
- সম্পদ ব্যবস্থাপনা:
- জলের ব্যবহার অপ্টিমাইজ করা এবং অপচয় কমানো।
- বৃষ্টির জল সংগ্রহ এবং জল পুনর্ব্যবহারের ব্যবস্থা।
- সচেতনতা ও উন্নয়ন:
- জল সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
- সুষম শিল্পায়ন ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার।
- ভূগর্ভস্থ জলের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং বিকল্প উৎস
সন্ধান করা।