সহকারী শিক্ষক
০৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ অষ্টম
বিষয়ঃ বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ অধ্যায়-৪
ফুলের পরাগায়ন (Pollination) হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ জৈব প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে ফুলের পুংকেশর (Stamen) থেকে স্ত্রীকেশরের (Carpel) অগ্রভাগে (Stigma) পরাগরেণু (Pollen grain) স্থানান্তরিত হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই গর্ভাধান (Fertilization) সংঘটিত হয় এবং বীজ গঠিত হয়।
পরাগায়ন মূলত দুই ধরনের —
যখন একই ফুলের বা একই গাছের অন্য ফুলের পুংকেশর থেকে পরাগরেণু স্ত্রিকেশরে স্থানান্তরিত হয়।
👉 উদাহরণ: ধান, গম, মটর ইত্যাদি।
স্বপরাগায়নের উপকারিতা:
বংশগত বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ণ থাকে
পরাগায়নের জন্য বাহ্যিক সাহায্যের প্রয়োজন হয় না
অসুবিধা:
জিনগত বৈচিত্র্য কমে যায়
পরিবেশ পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজন ক্ষমতা হ্রাস পায়
যখন এক ফুলের পরাগরেণু অন্য ফুলের স্ত্রিকেশরে স্থানান্তরিত হয়, এবং তারা ভিন্ন গাছে থাকে।
👉 উদাহরণ: নারিকেল, আম, লাউ, সূর্যমুখী ইত্যাদি।
পরপরাগায়নের উপকারিতা:
নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি হয়
গাছের জিনগত বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়
উদ্ভিদ সাধারণত বেশি শক্তিশালী হয়
অসুবিধা:
পরাগবাহী প্রাণী বা মাধ্যমের উপর নির্ভরশীল
বেশি শক্তি ব্যয় হয়
১. বায়ু দ্বারা (Anemophilous) → যেমন ভুট্টা, ধান
২. পোকা দ্বারা (Entomophilous) → যেমন গোলাপ, সূর্যমুখী
৩. পাখি দ্বারা (Ornithophilous) → যেমন হিবিসকাস, বকুল
৪. জল দ্বারা (Hydrophilous) → যেমন ভ্যালিসনারিয়া
৫. মানুষ বা অন্যান্য প্রাণী দ্বারা → কৃত্রিম পরাগায়ন (Artificial pollination)