Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১২ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:১০ পূর্বাহ্ণ

শিখধর্ম (/ˈsɪkzəm/; গুরুমুখী: ਸਿੱਖੀ,(স্থানীয় নাম শিখী); সংস্কৃত ‘শিষ্য’ বা ‘শিক্ষা’ থেকে উৎপন্ন) হল একটি সর্বেশ্বরবাদী ভারতীয় ধর্ম।

শিখধর্ম  (/ˈsɪkzəm/; গুরুমুখী: ਸਿੱਖੀ,(স্থানীয় নাম শিখী); সংস্কৃতশিষ্যবা শিক্ষাথেকে উৎপন্ন) হল একটি সর্বেশ্বরবাদী ভারতীয় ধর্ম। এটি খ্রিস্টীয় ১৫শ শতাব্দীতে ভারতীয় উপমহাদেশের পাঞ্জাব অঞ্চলে উৎপত্তি হয়।পরবর্তীকালে শিখ গুরুগণ কর্তৃক এই ধর্ম প্রসার লাভ করে। শিখদের ১০ জন মানব গুরু ছিলেন, যাদের সর্বপ্রথম হলেন গুরু নানকশিখদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ গুরু গ্রন্থ সাহিব যা শিখ গুরুদের রচনার সংকলন। প্রথম পাঁচ জন শিখ গুরু এটি সংকলন করেছিলেন। শিখধর্ম বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম ধর্মীয় গোষ্ঠী। এই ধর্মের অনুগামীর সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি। ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যটি বিশ্বের একমাত্র শিখ সংখ্যাগুরু অঞ্চল।শিখধর্মের অনুগামীদের শিখ’ (অর্থাৎ, ‘শিষ্য’) বলা হয়। দেবিন্দর সিং চাহালের মতে, “‘শিখীশব্দটি (সাধরনভাবে গুরুমত নামে পরিচিত) থেকে আধুনিক শিখধর্মশব্দটি এসেছে। গুরুমতশব্দটির আক্ষরিক অর্থ গুরুর প্রজ্ঞা।সেওয়া সিং কলসি মতে, “শিখধর্মের কেন্দ্রীয় শিক্ষা হল ঈশ্বরের একত্বের তত্ত্বে বিশ্বাস।শিখধর্ম অনুসারে, আধ্যাত্মিক জীবন ও ধর্মনিরপেক্ষ জীবনকে এক করতে হয়।প্রথম শিখ গুরু নানক সকল মানুষের একত্ব এবং ভাগ করে নেওয়ার গুরুত্ব বোঝাতে লঙ্গর প্রথার প্রবর্তন করেন। শিখরা মনে করেন, “সকল ধর্মমত সমভাবে সঠিক এবং নিজ নিজ মতাবলম্বীদের আলোকিত করতে সক্ষম। বন্দ চক্কোবা ভাগ করে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গুরু নানক সকল মানুষকে সৎ পথে জীবন ধারণ করতে, কুপথ পরিহার করতে এবং নাম জপনবা ঈশ্বরের পবিত্র নাম স্মরণের গুরুত্বের শিক্ষা দেন। গুরু নানক কেবলমাত্র ধ্যানীর জীবন অপেক্ষা সত্য, বিশ্বাস, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও বিশুদ্ধতায় পরিপূর্ণ সক্রিয়, সৃজনশীল ও ব্যবহারিক জীবনের উপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। ৬ষ্ঠ শিখ গুরু হরগোবিন্দ পরস্পর-সহায়ক রাজনৈতিক/সমসাময়িক (মিরি’) ও আধ্যাত্মিক (পিরি’) জগৎ প্রতিষ্ঠা করেন। নবম শিখ গুরু তেগ বাহাদুরের মতে, আদর্শ শিখের শক্তি (সমসাময়িক যুগে বসবাস করার ক্ষমতা) ও ভক্তি (আধ্যাত্মিক ধ্যানপূর্ণ গুণাবলি) দুইই থাকবে। শেষে দশম শিখ গুরু গোবিন্দ সিং ১৬৯৯ সালে আনন্দপুর সাহিবে খালসার সন্ত সৈনিকদের দীক্ষিত করার ধারণাটি প্রচলন করেন।শিখদের সন্ত-সৈনিকদের সকল গুণ ধারণ করতে হয়।ধর্মীয় নিপীড়নের সময়ে বিকশিত এবং বিকশিত হয়েছিল, হিন্দু ও ইসলাম উভয় ধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত হয়েছিল।ভারতের মুঘল শাসকরা দুই শিখ গুরু গুরু আরজান (১৫৬৩-১৬০৫) এবং গুরু তেগ বাহাদুর (১৬২১-১৬৭৫) ইসলাম গ্রহণ করতে অস্বীকার করায় নির্যাতন ও মৃত্যুদন্ড দিয়েছিলেন । শিখদের নিপীড়ন ১৬৯৯ সালে গুরু গোবিন্দ সিং কর্তৃক বিবেক ও ধর্মের স্বাধীনতা রক্ষার আদেশ হিসাবে খালসা প্রতিষ্ঠার সূত্রপাত করে।

 

 

 

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট