প্রভাষক
২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৮:২৩ পূর্বাহ্ণ
প্রভাষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ একাদশ
বিষয়ঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
অধ্যায়ঃ অধ্যায় ২
নেটওয়ার্কিং সুইচ (Switch) হলো হাবের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত এবং বুদ্ধিমান একটি ডিভাইস। এটিও লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের (LAN) ডিভাইসগুলোকে একে অপরের সাথে সংযুক্ত করে, তবে এটি ডেটা পাঠানোর ক্ষেত্রে অনেক বেশি দক্ষ। সহজ কথায়, হাব যেখানে ডেটা সবার কাছে "চিৎকার করে" বলে দেয়, সুইচ সেখানে নির্দিষ্ট ঠিকানায় "চিঠি পৌঁছে দেওয়ার" মতো কাজ করে।
সুইচ কীভাবে কাজ করে?
সুইচ MAC Address (Media Access Control) ব্যবহার করে কাজ করে। নেটওয়ার্কের প্রতিটি ডিভাইসের একটি নিজস্ব এবং অনন্য MAC অ্যাড্রেস থাকে।
১. যখন কোনো ডিভাইস সুইচে ডেটা পাঠায়, সুইচ দেখে নেয় সেই ডেটা কার জন্য পাঠানো হয়েছে।
২. সুইচের ভেতরে একটি MAC Address Table থাকে, যেখানে লেখা থাকে কোন পোর্টে কোন ডিভাইস যুক্ত।
৩. সুইচ তখন ডেটাটি ব্রডকাস্ট না করে শুধুমাত্র সেই নির্দিষ্ট পোর্টে পাঠিয়ে দেয়।
সুইচের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ
¨ Layer 2 Device: এটি ওএসআই মডেলের Data Link Layer-এ কাজ করে।
¨ Unicast Transmission: এটি সরাসরি নির্দিষ্ট প্রাপকের কাছে ডেটা পাঠায়, ফলে নেটওয়ার্কে জ্যাম বা ট্রাফিক কম হয়।
¨ Full Duplex: এটি একই সাথে ডেটা গ্রহণ এবং প্রেরণ করতে পারে।
¨ Collision Free: সুইচে প্রতিটি পোর্টের জন্য আলাদা ডোমেইন থাকে, তাই ডেটা সংঘর্ষ (Collision) হয় না।
সুইচের সুবিধা
¨ ব্যান্ডউইথ সাশ্রয়: যেহেতু ডেটা শুধু প্রাপকের কাছে যায়, তাই পুরো নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথ নষ্ট হয় না।
¨ নিরাপত্তা: অন্য কোনো ডিভাইস বা ব্যবহারকারী গোপনে ডেটা প্যাকেটগুলো দেখতে পারে না।
¨ দক্ষতা: বড় নেটওয়ার্ক বা অফিসে যেখানে অনেক কম্পিউটার থাকে, সেখানে সুইচ ছাড়া গতি বজায় রাখা অসম্ভব।