প্রভাষক
২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ণ
প্রভাষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ একাদশ
বিষয়ঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
অধ্যায়ঃ অধ্যায় ২
নেটওয়ার্কিং জগতে রাউটার (Router) হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং শক্তিশালী ডিভাইস। যেখানে হাব বা সুইচ একটি নির্দিষ্ট নেটওয়ার্কের (যেমন আপনার ঘর বা অফিস) ভেতরকার ডিভাইসগুলোকে যুক্ত করে, সেখানে রাউটার একাধিক নেটওয়ার্ককে একে অপরের সাথে যুক্ত করে। সহজ কথায়, আপনার বাসার সব ডিভাইসকে ইন্টারনেটের (যা বিশ্বের বিশাল একটি নেটওয়ার্ক) সাথে যুক্ত করাই হলো রাউটারের কাজ।
রাউটার কীভাবে কাজ করে?
রাউটার মূলত IP Address (Internet Protocol) ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান করে। এটি ওএসআই মডেলের Network Layer (Layer 3)-এ কাজ করে।
v ডেটা প্যাকেট রাউটিং: এটি ডেটাকে ছোট ছোট 'প্যাকেট' আকারে এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে পাঠায়।
v সেরা পথ নির্ধারণ (Path Selection): ইন্টারনেটে ডেটা পাঠানোর অনেকগুলো পথ থাকে। রাউটার তার 'Routing Table' ব্যবহার করে সবচেয়ে দ্রুত এবং সহজ পথটি খুঁজে বের করে।
v ট্রাফিক কন্ট্রোল: এটি নিশ্চিত করে যে ডেটা যেন সঠিক গন্তব্যে পৌঁছায় এবং নেটওয়ার্কে জ্যাম না লাগে।
রাউটারের প্রধান অংশ ও পোর্টসমূহ
আপনি যদি আপনার বাসার রাউটারের পেছনের অংশ দেখেন, তবে সাধারণত দুই ধরনের পোর্ট পাবেন:
¨ WAN (Wide Area Network) পোর্ট: যেখানে ইন্টারনেট প্রোভাইডারের (ISP) তারটি লাগানো হয়। এটি বাইরের বিশ্বের সাথে যোগাযোগ করে।
¨ LAN (Local Area Network) পোর্ট: যেখান থেকে তারের মাধ্যমে আপনি কম্পিউটার বা গেমিং কনসোল যুক্ত করেন।
রাউটারের কিছু আধুনিক ফিচার
¨ Wi-Fi (Wireless): তার ছাড়াই সিগন্যাল পাঠিয়ে মোবাইল বা ল্যাপটপে ইন্টারনেট দেয়।
¨ Firewall: ক্ষতিকারক ডেটা বা হ্যাকারদের থেকে আপনার নেটওয়ার্ককে রক্ষা করে।
¨ DHCP: নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়া প্রতিটি ডিভাইসকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি আইপি অ্যাড্রেস দেয়।