প্রভাষক
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
প্রভাষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ একাদশ
বিষয়ঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
অধ্যায়ঃ অধ্যায় ২
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা Wide Area Network (WAN) হলো এমন একটি বিশাল নেটওয়ার্ক যা ভৌগোলিকভাবে অনেক বড় এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকে। এটি কোনো একটি শহর, দেশ, এমনকি পুরো পৃথিবী জুড়েও হতে পারে। সহজ কথায়, অনেকগুলো ছোট ছোট নেটওয়ার্ক (যেমন LAN বা MAN) মিলে যখন একটি বিশাল নেটওয়ার্ক তৈরি করে, তখন তাকে WAN বলে।
WAN-এর মূল বৈশিষ্ট্য
¨ বিশাল এলাকা: এটি হাজার হাজার মাইল বা পুরো বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত হতে পারে।
¨ ইন্টারনেট: বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং পরিচিত WAN হলো ইন্টারনেট।
¨ মাধ্যমিক সংযোগ: এই নেটওয়ার্ক সাধারণত লিজড লাইন (Leased Lines), ফাইবার অপটিক ক্যাবল, স্যাটেলাইট বা মাইক্রোওয়েভ লিংকের মাধ্যমে কাজ করে।
¨ গতি: ছোট নেটওয়ার্কের (LAN) তুলনায় এর ডেটা ট্রান্সফার গতি কিছুটা ধীর হতে পারে কারণ দূরত্ব অনেক বেশি।
WAN কীভাবে কাজ করে?
WAN মূলত বড় বড় নেটওয়ার্কগুলোকে একে অপরের সাথে সংযুক্ত করে। এর জন্য বিভিন্ন বিশেষায়িত হার্ডওয়্যার ব্যবহার করা হয়:
¨ রাউটার (Router): যা বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট আদান-প্রদান করে।
¨ সুইচ (Switch): স্থানীয় সংযোগ বজায় রাখতে সাহায্য করে।
¨ মডেম (Modem): ডিজিটাল ডেটাকে এনালগ সিগন্যালে রূপান্তর করে ট্রান্সমিট করার জন্য।
WAN-এর সুবিধা ও অসুবিধা
সুবিধা
v বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।
v বড় বড় কোম্পানি বা ব্যাংক তাদের সব ব্রাঞ্চ একসাথে যুক্ত রাখতে পারে।
v এটি ইমেইল, ক্লাউড স্টোরেজ এবং রিমোট কাজের সুযোগ দেয়।
অসুবিধা
v এটি সেটআপ করা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা অনেক ব্যয়বহুল।
v বিশাল নেটওয়ার্ক হওয়ায় এর নিরাপত্তা ঝুঁকি বেশি থাকে।
v কারিগরি সমস্যা দেখা দিলে তা সমাধান করা জটিল।