•পানি
ব্যবস্থাপনা:
বীজতলায় সবসময় পরিমিত পানি রাখতে হবে। চারা গজানোর পর থেকে বীজতলার নালায় পানি
দেওয়া-নেওয়ার
ব্যবস্থা রাখতে হবে।
•শৈত্যপ্রবাহ
ও কুয়াশা নিয়ন্ত্রণ:
শীতকালে বা বোরো মৌসুমে বেশি ঠান্ডা ও কুয়াশা থাকলে চারার ক্ষতি হতে পারে। এ
ক্ষেত্রে সন্ধ্যার সময় বীজতলায় পানি দিয়ে ডুবিয়ে রাখতে হবে এবং সকালে পানি বের করে
দিতে হবে। কুয়াশা বেশি হলে সকালে রশি টেনে চারার ওপরের শিশির ফেলে দেওয়া উচিত।
•আগাছা
দমন:
বীজতলার চারার সাথে যাতে আগাছা বেড়ে উঠতে না পারে, সেদিকে
খেয়াল রাখতে হবে। আগাছা দেখা দিলে তা হাত দিয়ে সাবধানে তুলে ফেলতে হবে।
•সার
প্রয়োগ:
চারার বৃদ্ধি কম হলে বা চারা হলুদ হয়ে গেলে অনুমোদিত মাত্রায় ইউরিয়া সার
উপরিপ্রয়োগ করতে হবে। এছাড়া প্রয়োজনে জিংক বা অন্যান্য অণুখাদ্য ব্যবহার করা যেতে
পারে।
•রোগবালাই
ও পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ:
বীজতলায় মাজরা পোকা,
পামরি
পোকা বা ছত্রাকজনিত রোগের আক্রমণ হতে পারে। রোগ বা পোকার আক্রমণ দেখা দিলে
কৃষিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক কীটনাশক বা ছত্রাকনাশক