Loading..

ভিডিও ক্লাস

রিসেট

১১ জুন, ২০২৬ ০৯:২৪ অপরাহ্ণ

বোর মডেলের মূল কথা হলো— ইলেকট্রন নির্দিষ্ট শক্তিস্তরে অবস্থান করে, কৌণিক ভরবেগ কোয়ান্টায়িত এবং শক্তি শোষণ বা বিকিরণের মাধ্যমে এক শক্তিস্তর থেকে অন্য শক্তিস্তরে স্থানান্তরিত হয়।

বোরের পরমাণু মডেলের স্বীকার্যসমূহ

নিলস বোর ১৯১৩ সালে পরমাণুর গঠন ব্যাখ্যা করার জন্য বোর মডেল প্রস্তাব করেন। এর প্রধান স্বীকার্যগুলো হলো—

১. নির্দিষ্ট কক্ষপথে ইলেকট্রনের আবর্তন
পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ইলেকট্রন নির্দিষ্ট বৃত্তাকার কক্ষপথে আবর্তন করে। এই কক্ষপথগুলোকে স্থির বা অনুমোদিত (stationary) কক্ষপথ বলা হয়।

২. শক্তির বিকিরণ বা শোষণ হয় না
ইলেকট্রন স্থির কক্ষপথে আবর্তনের সময় কোনো শক্তি বিকিরণ বা শোষণ করে না। ফলে ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসে পতিত হয় না এবং পরমাণু স্থিতিশীল থাকে।

৩. প্রতিটি কক্ষপথের শক্তি নির্দিষ্ট
প্রতিটি কক্ষপথের একটি নির্দিষ্ট শক্তি থাকে। নিউক্লিয়াস থেকে দূরত্ব যত বেশি, কক্ষপথের শক্তিও তত বেশি।

৪. কৌণিক ভরবেগের কোয়ান্টায়ন
ইলেকট্রনের কৌণিক ভরবেগ নির্দিষ্ট মানের পূর্ণসংখ্যা গুণিতক হবে।

mvr=nh2πmvr=\frac{nh}{2\pi}mvr=2πnh

এখানে,

  • mmm = ইলেকট্রনের ভর
  • vvv = ইলেকট্রনের বেগ
  • rrr = কক্ষপথের ব্যাসার্ধ
  • nnn = প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা (1, 2, 3, ...)
  • hhh = প্ল্যাঙ্ক ধ্রুবক

৫. শক্তি শোষণ ও বিকিরণ
ইলেকট্রন এক কক্ষপথ থেকে অন্য কক্ষপথে স্থানান্তরিত হলে শক্তি শোষণ বা বিকিরণ করে।

  • উচ্চতর শক্তিস্তরে যেতে শক্তি শোষণ করে।
  • নিম্নতর শক্তিস্তরে ফিরে এলে শক্তি বিকিরণ করে।

বিকিরিত বা শোষিত শক্তির পরিমাণ—

ΔE=hν=E2−E1\Delta E=h\nu=E_2-E_1ΔE=hν=E2E1

এখানে,

  • ΔE\Delta EΔE = শক্তির পরিবর্তন
  • hhh = প্ল্যাঙ্ক ধ্রুবক
  • ν\nuν = বিকিরিত বা শোষিত আলোর কম্পাঙ্ক

সংক্ষেপে

বোর মডেলের মূল কথা হলো— ইলেকট্রন নির্দিষ্ট শক্তিস্তরে অবস্থান করে, কৌণিক ভরবেগ কোয়ান্টায়িত এবং শক্তি শোষণ বা বিকিরণের মাধ্যমে এক শক্তিস্তর থেকে অন্য শক্তিস্তরে স্থানান্তরিত হয়।

মন্তব্য করুন