Loading..

প্রেজেন্টেশন

রিসেট

২৮ জুন, ২০২৬ ১২:০৬ অপরাহ্ণ

Matter বা পদার্থ পরিচিতি

চতুর্থ অধ্যায়: পদার্থ

১. পদার্থ পরিচিতি

২. পদার্থের উদাহরণ

৩.  পদার্থের বৈশিষ্ট্য

৪. পদার্থের প্রকারভেদ


১. পদার্থ পরিচিতি

যার নির্দিষ্ট ভর আছে,

যা কিছুটা স্থান (জায়গা) দখল করে এবং

যা বল প্রয়োগে বাধা প্রদান করে, তাকেই পদার্থ বলা হয়।

আমাদের চারপাশের জড় এবং জীবন্ত প্রায় সব কিছুই পদার্থের তৈরি।


২. পদার্থের উদাহরণ

আমাদের চারপাশে পদার্থের হাজারো উদাহরণ রয়েছে। যেমন:

  • কঠিন: কাঠ, পাথর, লোহা, বই।

  • তরল: পানি, দুধ, তেল, জুস।

  • বায়বীয়: বাতাস, অক্সিজেন, জলীয় বাষ্প ইত্যাদি।

৩. পদার্থের বৈশিষ্ট্য

পদার্থের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  • ক) ভর: সব পদার্থেরই নির্দিষ্ট ভর বা ওজন রয়েছে।

  • খ) স্থান দখল: প্রতিটি পদার্থই কোনো না কোনো স্থান দখল করে থাকে।

  • গ) বল প্রয়োগে বাধা: পদার্থকে তার স্থান থেকে সরাতে বা অবস্থার পরিবর্তন করতে গেলে এটি উল্টো বাধা সৃষ্টি করে (যাকে জড়তা বলে)।

  • ঘ) অবস্থা পরিবর্তন: তাপ ও চাপ প্রয়োগ করে পদার্থের এক অবস্থাকে অন্য অবস্থায় (যেমন: বরফ থেকে পানি) রূপান্তর করা যায়।


৪. পদার্থের প্রকারভেদ

সাধারণত পদার্থ তিন প্রকার। যথা:

  1.  কঠিন পদার্থ (Solid): এদের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন আছে (যেমন: ইট, কাঠ)।

  2. তরল পদার্থ (Liquid): এদের নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার নেই; যে পাত্রে রাখা হয় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে (যেমন: পানি)।

  3. বায়বীয় বা গ্যাসীয় পদার্থ (Gas): এদের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন কোনোটিই নেই; অল্প গ্যাস পুরো পাত্রে ছড়িয়ে পড়ে (যেমন: বাতাস)।

মন্তব্য করুন