Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৯ জুন, ২০২৬ ১০:৫৯ অপরাহ্ণ

বৃক্ষরোপণ ও আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রম
। গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়, কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে,ফলমূল, কাঠ ও ওষুধ সরবরাহ করে। জলবায়ু পরিবর্তন ও উষ্ণতা মোকাবিলায় প্রতিটি দেশের ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা আবশ্যক। আমাদের বেশি করে গাছ লাগিয়ে ধরিত্রীকে সবুজ ও বাসযোগ্য রাখতে হবে। 
বৃক্ষরোপণ
বৃক্ষ মানুষের পরম বন্ধু ও প্রকৃতির এক অপূর্ব দান。 মানবজীবন ও বৃক্ষ একে অপরের পরিপূরক। বৃক্ষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রাণীকুলকে টিকিয়ে রেখেছে。 মানুষ ও অন্যান্য প্রাণী নিঃশ্বাসের সাথে যে কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে, বৃক্ষ তা গ্রহণ করে এবং বিনিময়ে আমাদের প্রাণরক্ষাকারী অক্সিজেন প্রদান করে। এছাড়া গাছ আমাদের সুস্বাদু ফলমূল, ফুল, ঔষধি উপাদান, আসবাবপত্র তৈরির কাঠ ও জ্বালানি দেয়। 
বৃক্ষ শুধু আমাদের মৌলিক চাহিদাই পূরণ করে না, বরং প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পরিবেশ দূষণ থেকেও রক্ষা করে। গাছ তার শিকড় দিয়ে মাটির ক্ষয় রোধ করে এবং ঝড়-তুফানের গতি কমিয়ে দিয়ে জানমাল রক্ষা করে。 পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য একটি দেশের মোট আয়তনের অন্তত ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে নির্বিচারে গাছ কাটার ফলে প্রকৃতি থেকে সবুজ ধ্বংস হচ্ছে এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ছে। 
এই সংকট থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হলো বৃক্ষরোপণ। জুন ও জুলাই মাস গাছ লাগানোর উপযুক্ত সময়। বাড়ির আশেপাশে, রাস্তার ধারে, পতিত জমিতে বা ছাদ বাগানে বেশি করে গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করতে হবে। বৃক্ষরোপণ সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নির্মল, সবুজ ও নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব। 

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট