Loading..

প্রেজেন্টেশন

রিসেট

১৬ জুলাই, ২০২৬ ০১:০৪ অপরাহ্ণ

জৈব যৌগের সমাণুতা (Isomerism in Organic Compounds)

জৈব যৌগের সমাণুতা (Isomerism in Organic Compounds)

সমাণুতা (Isomerism) হলো এমন একটি ঘটনা, যেখানে দুই বা ততোধিক যৌগের আণবিক সংকেত একই থাকে, কিন্তু তাদের গাঠনিক সূত্র বা পরমাণুর স্থানিক বিন্যাস ভিন্ন হওয়ায় ধর্মও ভিন্ন হয়। এ ধরনের যৌগকে সমাণু (Isomers) বলা হয়।

জৈব যৌগের সমাণুতার শ্রেণিবিভাগ

১. গাঠনিক সমাণুতা (Structural Isomerism)

এ ক্ষেত্রে পরমাণুর সংযোগের ক্রম (connectivity) ভিন্ন হয়।

ক) শৃঙ্খল সমাণুতা (Chain Isomerism)

  • কার্বন শৃঙ্খলের বিন্যাস ভিন্ন হয়।
  • উদাহরণ: C₄H₁₀
    • n-Butane
    • Isobutane

খ) অবস্থান সমাণুতা (Position Isomerism)

  • একই কার্যকরী মূলক ভিন্ন অবস্থানে থাকে।
  • উদাহরণ: 1-Propanol ও 2-Propanol

গ) কার্যকরী মূলক সমাণুতা (Functional Isomerism)

  • কার্যকরী মূলক ভিন্ন হয়।
  • উদাহরণ: C₂H₆O
    • Ethanol
    • Dimethyl ether

ঘ) মেটামেরিজম (Metamerism)

  • দ্বিযোজী পরমাণুর দুই পাশে ভিন্ন অ্যালকাইল মূলক থাকে।
  • উদাহরণ: বিভিন্ন ইথারের সমাণু।

ঙ) টটোমেরিজম (Tautomerism)

  • প্রোটনের স্থানান্তরের মাধ্যমে দুটি রূপের মধ্যে সাম্যাবস্থা থাকে।
  • উদাহরণ: Keto ⇌ Enol

২. স্থানিক সমাণুতা (Stereoisomerism)

এ ক্ষেত্রে পরমাণুর সংযোগ একই থাকে, কিন্তু ত্রিমাত্রিক (3D) বিন্যাস ভিন্ন হয়।

ক) জ্যামিতিক সমাণুতা (Geometrical Isomerism)

  • C=C দ্বিবন্ধন বা চক্রাকার গঠনের কারণে সৃষ্টি হয়।
  • প্রকার: Cis ও Trans
  • উদাহরণ: Cis-2-butene এবং Trans-2-butene

খ) আলোক সমাণুতা (Optical Isomerism)

  • কাইরাল (অসমমিত) কার্বনের উপস্থিতির কারণে সৃষ্টি হয়।
  • সমতল-ধ্রুবিত আলোকে বিপরীত দিকে আবর্তিত করে।

এর দুই ধরনের সমাণু হলো:

  • এনানশিওমার (Enantiomers): পরস্পরের অসমাপতিত দর্পণ প্রতিবিম্ব।
  • ডায়াস্টেরিওমার (Diastereomers): পরস্পরের দর্পণ প্রতিবিম্ব নয়, তবে স্টেরিওসমাণু।
মন্তব্য করুন