সহকারী শিক্ষক
২৪ জুলাই, ২০২৬ ০৪:৫২ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ নবম
বিষয়ঃ জীব বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ অধ্যায় ২
জীবকোষ বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে প্রধান দুটি ভিত্তি হলো—
১. নিউক্লিয়াসের গঠনের ভিত্তিতে
কোষ দুই প্রকার।
ক) আদিকোষ (Prokaryotic Cell)
সুগঠিত নিউক্লিয়াস নেই।
নিউক্লিয়ার ঝিল্লি অনুপস্থিত।
ঝিল্লিবেষ্টিত অঙ্গাণু থাকে না।
আকারে ছোট ও গঠনে সরল।
উদাহরণ: ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া (নীলাভ-সবুজ শৈবাল)।
খ) প্রকৃতকোষ (Eukaryotic Cell)
সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে।
নিউক্লিয়ার ঝিল্লি উপস্থিত।
মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজি বডি, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামসহ ঝিল্লিবেষ্টিত অঙ্গাণু থাকে।
আকারে বড় ও গঠনে জটিল।
উদাহরণ: উদ্ভিদ, প্রাণী, ছত্রাক ও প্রোটিস্টের কোষ।
২. কাজের ভিত্তিতে (বিশেষ করে বহুকোষী জীবের প্রকৃতকোষ)
প্রকৃতকোষকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
ক) দেহকোষ (Somatic Cell)
দেহের বৃদ্ধি, গঠন ও বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজ সম্পাদন করে।
সাধারণত ডিপ্লয়েড (2n) ক্রোমোজোম থাকে।
মাইটোসিস বিভাজনের মাধ্যমে নতুন কোষ সৃষ্টি করে।
উদাহরণ: ত্বকের কোষ, পেশীকোষ, যকৃতের কোষ, স্নায়ুকোষ।
খ) জননকোষ (Gametic Cell)
যৌন প্রজননে অংশগ্রহণ করে।
হ্যাপ্লয়েড (n) ক্রোমোজোম থাকে।
মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ: শুক্রাণু (Sperm) ও ডিম্বাণু (Ovum)।
সহজে মনে রাখার কৌশল
নিউক্লিয়াসের ভিত্তিতে: আদিকোষ ↔ প্রকৃতকোষ
কাজের ভিত্তিতে (প্রকৃতকোষ): দেহকোষ ↔ জননকোষ