Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৩:০৯ অপরাহ্ণ

মরুভাস্কর গদ্য।
মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধটি নিয়ে কিছু কথা

  • নামকরণের অর্থ: ‘মরু’ মানে মরুভূমি আর ‘ভাস্কর’ শব্দের অর্থ সূর্য। অর্থাৎ, ‘মরু-ভাস্কর’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ 'মরুভূমির সূর্য'। এই প্রবন্ধে আরবের মরুভূমি আলোকিত করা মহাপুরুষ শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শকে সূর্যের সাথে তুলনা করে এই নামকরণ করা হয়েছে।
  • মূল উদ্দেশ্য: লেখক হবীবুল্লাহ্ বাহার এই রচনায় মহানবী (সা.)-এর পবিত্র চরিত্রের নানা মানবিক গুণাবলি ও অনন্য বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।
  • মহিমান্বিত চরিত্র: হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। কিন্তু তিনি সব সময় সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করতেন। তাঁর চরিত্রের প্রধান গুণ ছিল—অসীম ক্ষমা, দয়া, অসাম্প্রদায়িক চেতনা, পরমতসহিষ্ণুতা এবং মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা।
  • জ্ঞানের প্রতি গুরুত্ব: এই প্রবন্ধে মহানবী (সা.)-এর জ্ঞানপ্রীতির কথা বিশেষভাবে উল্লেখ আছে। তিনি জ্ঞান অর্জনকে প্রতিটি মানুষের জন্য বাধ্যতামূলক করেছিলেন এবং বলতেন, "জ্ঞানের আলো যেখানেই পাওয়া যাক, তা গ্রহণ করা উচিত।"
  • নারী জাতির সম্মান ও সমতা: আরবের অন্ধকার যুগে তিনি নারী জাতির অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দাস-দাসীদের প্রতি মানবিক আচরণের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট