শব্দ থেকে কবিতা’ প্রবন্ধটি প্রখ্যাত লেখক ও ভাষাবিজ্ঞানী হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি অনন্য ও সৃষ্টিশীল রচনা। সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের এই প্রবন্ধে কীভাবে শব্দ দিয়ে একটি সুন্দর কবিতা বোনা হয়, সেই জাদুকরী প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে।
নিচে কবিতার ভাব ও রূপক চিত্রের সমাহার এবং এই প্রবন্ধের মূল কথাগুলো দেওয়া হলো:
📝 ‘শব্দ থেকে কবিতা’ প্রবন্ধটি নিয়ে কিছু কথা
- কবিতা কী: লেখকের মতে, কবিতা হলো শব্দের খেলা। যা শুনলে মন নেচে ওঠে, চোখে রঙবেরঙের ছবি ভেসে ওঠে এবং মনের ভেতর এক অদ্ভুত ভালো লাগা তৈরি হয়—তা-ই হলো কবিতা।
- শব্দের জাদুকরী রূপ: কবিরা শব্দকে খুব ভালোবাসেন। লেখক দেখিয়েছেন যে শব্দেরও নানা রূপ ও রঙ আছে। কোনো শব্দ শুনলে মনে হয় নুপূরের নিক্কণ বাজছে, কোনোটা শুনলে মনে হয় বাঁশি বাজছে। আবার কিছু শব্দ আছে যা শুনলে মনে লাল, নীল, সবুজ বা হলদে রঙের আলো জ্বলছে।
- কারা কবি হতে পারেন: যার মনে সুন্দর স্বপ্ন আছে, যে চারপাশের প্রকৃতি ও জগৎকে গভীরভাবে ভালোবাসতে পারে, সে-ই কবি হতে পারে। যার মনে স্বপ্ন নেই, সে কখনোই কবিতা লিখতে পারে না।
- কবিতা লেখার উপায়: কবিতা লিখতে হলে প্রথমে প্রচুর শব্দ জানতে হয়। ফুল, পাখি, নদী, পাহাড়, আকাশ আর মায়ের মুখের মিষ্টি কথা—সব কিছু থেকে সুন্দর সুন্দর শব্দ সংগ্রহ করতে হয়। তারপর সেই শব্দগুলোকে ছন্দ আর সুরের সুতোয় গেঁথে চমৎকার সব উপমা ও রূপকের সাহায্যে কবিতা তৈরি করতে হয়।