Loading..

প্রেজেন্টেশন

রিসেট

০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৭:৪৪ অপরাহ্ণ

أَسْمَاءُ الْإِشَارَةِ (ইশারার ইসম) — বিবরণ

أَسْمَاءُ الْإِشَارَةِ (ইশারার ইসম) — সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নাহু শাস্ত্রের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো "ইসমে ইশারা" — যে ইসম কোনো নির্দিষ্ট বস্তু বা ব্যক্তির প্রতি ইঙ্গিত বা নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর জন্য মোট ৫টি শব্দরূপ রয়েছে, যা ৬টি ব্যবহারিক অর্থ (লিঙ্গ ও বচনভেদে) প্রকাশ করে:

  • ذَا — একবচন পুংলিঙ্গের জন্য
  • ذَانِ/ذَيْنِ — দ্বিবচন পুংলিঙ্গের জন্য
  • تَا، تِي، تَه... — একবচন স্ত্রীলিঙ্গের জন্য
  • تَانِ/تَيْنِ — দ্বিবচন স্ত্রীলিঙ্গের জন্য
  • أُولَاءِ — বহুবচনে (উভয় লিঙ্গে)

এছাড়া এই শব্দগুলোর শুরুতে কখনো "হা-এ তানবীহ" (সতর্কতাসূচক 'হা') যুক্ত হয় (যেমন: هَذَا, هَؤُلَاءِ), আর শেষে যুক্ত হয় "কাফে খিতাব" (সম্বোধনসূচক কাফ), যার ৫টি রূপ থাকায় মোট ৫×৫=২৫টি সমন্বিত রূপ তৈরি হয়।

সবশেষে, দূরত্ব অনুসারে এই ইসমগুলোর ব্যবহার তিন স্তরে ভাগ করা হয়েছে — ذُ (নিকটবর্তী), ذَاكَ (মধ্যবর্তী), এবং ذَلِكَ (দূরবর্তী) বস্তুর জন্য।

মন্তব্য করুন