नদীর ঘাটের কাছে নৌকো বাঁধা আছে, নাইতে যখন যাই, দেখি সে জলের ঢেউয়ে নাচে।
শিক্ষক বাতায়ন
আজ গিয়ে সেইখানে দেখি দূরের পানে মাঝনদীতে নৌকো কোথায় চলে ভাঁটার টানে।
জানি না কোন দেশে পৌঁছে যাবে শেষে, সেখানেতে কেমন মানুষ থাকে কেমন বেশে।
থাকি ঘরের কোণে, সাধ জাগে মোর মনে, অমনি করে যাই ভেসে ভাই নতুন নগর বনে।
শিক্ষক বাতায়ন +1
দূর সাগরের পারে জলের ধারে ধারে, নারিকেলের বনগুলি সব দাঁড়িয়ে সারে সারে।
শিক্ষক বাতায়ন
পাহাড় চূড়া সাজে নীল আকাশের মাঝে, বরফ ভেঙে ডিঙিয়ে যাওয়া কেউ তা পারে না যে।
কোনো বনের তলে নতুন ফুলে ফলে নতুন নতুন পশু কত বেড়ায় দলে দলে।
কত রাতের কালে নৌকো ফেরে পালে, জানি না কোন রাজার কুমার নিয়ে আসে তা’রে।
আমায় যদি বাবা করত না কো মানা, আমি তবে পেতাম আলোর নতুন দেশের দানা।
💬 কবিতাটি নিয়ে কিছু কথা (মূলভাব)
অজানাকে জানার আকুলতা: ‘নতুন দেশ’ কবিতায় মূলত একটি শিশুর অজানাকে জানার সীমাহীন কৌতুহল এবং প্রকৃতির রহস্য উন্মোচন করার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশিত হয়েছে।
Facebook·গনিতবীদ
কল্পনার ডানা: ঘাটে বাঁধা নৌকা যখন ভাঁটার টানে মাঝনদীতে ভেসে যায়, তখন ঘরের কোণে থাকা ছোট্ট শিশুটির মনেও ইচ্ছে জাগে নৌকার মতো দূর কোনো নতুন নগর বা বনে ভেসে যাওয়ার।
শিক্ষক বাতায়ন +2
প্রকৃতির রূপ: শিশুটি কল্পনা করে দূর সাগরের তীরে সারি সারি নারিকেল বন, নীল আকাশে মাথা উঁচু করে থাকা দুর্গম পাহাড়ের চূড়া আর অচেনা বনে ঘুরে বেড়ানো নতুন সব পশুপাখির কথা。
শিক্ষক বাতায়ন
বাস্তবতার বাঁধন: সবশেষে শিশুটির মনে একটু আফসোস থাকে—বাবা যদি তাকে ঘরের কোণে আটকে না রাখতেন বা বারণ না করতেন, তবে সে নিজেই এই অচেনা ও রহস্যময় নতুন পৃথিবীটাকে নিজের চোখে দেখে আসতে পারত।
এটি সপ্তম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘সপ্তবর্ণা’ অংশেও শিক্ষার্থীদের অনুসন্ধিৎসা ও কল্পনাশক্তি বৃদ্ধির জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।