প্রভাষক
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৬:২৯ অপরাহ্ণ
প্রভাষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ একাদশ
বিষয়ঃ রসায়ন ১ম পত্র
অধ্যায়ঃ প্রথম অধ্যায়: পরিবেশ রসায়ন
যে সংখ্যা দ্বারা অরবিটালের আকার, উপশক্তিস্তরের আকৃতি, অরবিটালের ত্রিমাত্রিক অবস্থান ও ইলেকট্রনের ঘূর্ণন প্রকাশ করা হয় তাকে কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে।কোয়ান্টাম সংখ্যা বর্তমানে বহুল আলোচিত একটি বিষয়৷ কোয়ান্টাম সংখ্যা ছাড়া অণু-পরমাণু সর্ম্পকে জ্ঞান অর্জন সম্ভব নয়।
কোনো একটি ইলেকট্রন কোন শক্তিস্তরে আছে, শক্তি স্তরটি বৃত্তাকার না উপবৃত্তাকার এবং ইলেকট্রনটি নিজ অক্ষের চতুর্দিকে ঘড়ির কাটার দিকে না বিপরীত দিকে আবর্তন করে, এসব বিষয় প্রকাশের জন্য কয়েকটি সংখ্যা অবতরণ করা হয়। এ সংখ্যা সমূহই কোয়ান্টাম সংখ্যা নামে পরিচিত।
| n এর মান | প্রতীক |
|---|---|
| ১ | K |
| ২ | L |
| ৩ | M |
| ৪ | N |
| ৫ | O |
| ৬ | P |
| ... | ... |
L = 2 (2ℓ + 1) রসায়ন এবং বর্ণালীবিদ্যায়, ℓ = 0 কে s অরবিটাল, ℓ = 1, p অরবিটাল, ℓ = 2, d অরবিটাল এবং ℓ = 3, f অরবিটাল বলা হয়।
ℓ এর মান 0 থেকে n −1 পর্যন্ত, তাই প্রথম p অরবিটাল (ℓ = 1) দ্বিতীয় ইলেকট্রন শেলে (n = 2) প্রদর্শিত হয়, প্রথম d অরবিটাল (ℓ = 2) তৃতীয় শেলে (n = 2) প্রদর্শিত হয় = 3), এবং তাই:[2]
ℓ = 0, 1, 2,..., n −1 n = 3, ℓ = 0 থেকে শুরু হওয়া একটি কোয়ান্টাম সংখ্যা, একটি পরমাণুর তৃতীয় ইলেকট্রন শেলের s কক্ষপথে একটি ইলেকট্রনকে বর্ণনা করে। রসায়নে, এই কোয়ান্টাম সংখ্যাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি একটি পারমাণবিক কক্ষপথের আকৃতি নির্দিষ্ট করে এবং রাসায়নিক বন্ধন এবং বন্ধন কোণকে দৃঢ়ভাবে প্রভাবিত করে। আজিমুথাল কোয়ান্টাম সংখ্যাটি একটি কক্ষপথে উপস্থিত কৌণিক নোডের সংখ্যাও নির্দেশ করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, p অরবিটালের জন্য, ℓ = 1 এবং এইভাবে একটি p অরবিটালে কৌণিক নোডের পরিমাণ হল 1।
অরবিটালের আকৃতি আজিমুথাল কোয়ান্টাম সংখ্যা দ্বারাও দেওয়া হয়।
s p d f অরবিটাল গুলোর জন্য চৌম্বকীয় কোয়ান্টাম সংখ্যাগুলোর লিখিত আকার হলো:
dxy dyz dzx dx²-y² dz² (অর্থাৎ সমশক্তি সম্পন্ন 5টি অরবিটাল আছে)
fz³ fyz² fxz² fxyz fz(x²-y²) fy(3x²-y²) fx(x²-3y²) (অর্থাৎ সমশক্তি সম্পন্ন 7টি অরবিটাল আছে)
# l এর মনের জন্য m এর মান =(2xl+1)
l= 2 হলে, m এর মান (2×2+1)=5, অর্থাৎ d অরবিটাল। l= 1 হলে, m এর মান (2×1+1)=3, অর্থাৎ p অরবিটাল।
বোরের পরমাণুবাদ মতে নিউক্লিয়াসের চারপাশে ইলেকট্রন কতগুলো অনুমোদিত গোলাকার কক্ষপথে/শক্তিস্তরে আবর্তিত হয় । এদের অরবিট বা কক্ষপথ বলে। প্রতিটি শক্তিস্তরে নির্দিষ্ট সংখ্যক (2n2) ইলেকট্রন থাকে। কোয়ান্টাম মতবাদের উপর ভিত্তি করেই অরবিটের ধারণা প্রতিষ্ঠিত।
পরমাণুর ভেতর যে ত্রিমাত্রিক জায়গা জুড়ে ইলেকট্রনকে পাবার সম্ভাবনা বেশি, তাকে অরবিটাল বা কক্ষ বলা হয় ।