Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ

সুন্দরবনের পশুর গাছ।

  • শারীরিক গঠন ও ছাল: পশুর গাছ সুন্দরবনের অন্যতম একটি সুউচ্চ বৃক্ষ, যা সাধারণত ১১ থেকে ১৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এর কাণ্ড সোজা ও শক্ত হয় এবং গাছের ছাল বা বাকল কিছুটা খসখসে ও লম্বালম্বি ফাটলযুক্ত হয়ে থাকে।
  • ঝরে পড়ার আগে লাল পাতা: পশুর একটি অন্যতম পাতাঝরা ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ। শীতকালে বা বসন্তের ঠিক আগে এর পাতাগুলো সম্পূর্ণ ঝরে যায়। তবে সবচেয়ে চমৎকার বিষয় হলো, ঝরে যাওয়ার ঠিক আগে সবুজ পাতাগুলো উজ্জ্বল লাল বা গাঢ় কমলা রঙ ধারণ করে, যা বনের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
  • ফল ও ফুল: বসন্তকালে এই গাছে ছোট ছোট সাদা বা হালকা ডালিম রঙের থোকা থোকা ফুল ফোটে। ফুল থেকে সবুজ রঙের গোল গোল ফল হয়, যা দেখতে কিছুটা টেনিস বল বা ছোট জাম্বুরার মতো দেখায়।
  • মূলের গঠন: কাদা মাটিতে নিজেকে সোজা রাখতে এই গাছের গোড়ায় হালকা ঠেস মূল বা বাট্রেস থাকে। এর পাশাপাশি বাতাস থেকে অক্সিজেন নেওয়ার জন্য মাটির ওপর ছোট ছোট শ্বাসমূলও দেখা যায়।
  • কাঠের ব্যবহার: পশুর গাছের কাঠ অত্যন্ত শক্ত, ভারী ও দীর্ঘস্থায়ী হয়। এর ভেতরের কাঠ লালচে রঙের হয়ে থাকে। স্থানীয় মানুষ ঘরের খুঁটি, দরজা, জানালা, নৌকা এবং অত্যন্ত টেকসই আসবাবপত্র বা খাট তৈরিতে এই কাঠ ব্যবহার করেন।
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট