সহকারী শিক্ষক
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৭:০১ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ অষ্টম
বিষয়ঃ সাহিত্য কনিকা
অধ্যায়ঃ অধ্যায়-২ (গদ্য)
বিভূতি ভূষন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পড়ে পাওয়া’ একটি বিখ্যাত কিশোর গল্প। গল্পটি তাঁর ‘নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব’ গ্রন্থ থেকে সংকলিত।
পড়ে পাওয়া — সারসংক্ষেপ
গল্পের পটভূমি কালবৈশাখীর সময়কার গ্রামীণ পরিবেশ। বিধু, সিধু, নিধু, তিনু, বাদলসহ কয়েকজন কিশোর ঝড়ের মধ্যে একটি টিনের বাক্স খুঁজে পায়। বাক্সটির ভেতরে মূল্যবান অর্থসম্পদ থাকার সম্ভাবনা দেখে তাদের মনে প্রথমে কৌতূহল ও লোভ জাগে। কিন্তু তারা অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ না করে প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাক্সটি ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
তারা মালিকের সন্ধানে বিজ্ঞপ্তি দেয়। এরপর কয়েকজন ব্যক্তি বাক্সটির মালিক দাবি করে আসে। কিন্তু ছেলেরা বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে তাদের পরিচয় ও দাবির সত্যতা যাচাই করে। মিথ্যা দাবিদারদের তারা গ্রহণ করে না। এতে কিশোরদের সততা, বিচক্ষণতা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ প্রকাশ পায়।
চিত্র/ধারাবাহিকতা
কালবৈশাখী ঝড়
⬇️
কিশোরদের বাক্স খুঁজে পাওয়া
⬇️
বাক্সে মূল্যবান সম্পদ থাকার সম্ভাবনা
⬇️
লোভ সংবরণ
⬇️
প্রকৃত মালিক খোঁজার চেষ্টা
⬇️
মিথ্যা দাবিদারদের যাচাই
⬇️
সততা ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয়
⬇️
মানবিকতা ও নৈতিকতার বিজয়
মূলভাব
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল শিক্ষা হলো—অন্যের সম্পদের প্রতি লোভ না করে সততা, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দেওয়া। মানুষের প্রকৃত মহত্ত্ব তার বয়স বা সম্পদে নয়; তার সততা ও মানবিক মূল্যবোধে।
শিক্ষণীয় কথা:
“অন্যের সম্পদ নিজের করে নেওয়া নয়, প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়াই নৈতিক মানুষের কর্তব্য।”