Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ

পাঠ-২ : মাইটোসিস কোষবিভাজন পদ্ধতি

শ্রেণিঃ ৮ম
বিষয়ঃ বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ ২য়
পাঠ–২ঃ মাইটোসিস কোষবিভাজন পদ্ধতি

শিক্ষকঃ মোঃ নাজুমল হোসাইন
সহকারি শিক্ষক
ভৌতবিজ্ঞান
বনগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়


স্লাইড–২ : কোষবিভাজন কী?

কোনো একটি মাতৃকোষ বিভাজিত হয়ে এক বা একাধিক নতুন কোষ সৃষ্টি করার প্রক্রিয়াকে কোষবিভাজন বলে।

কোষবিভাজন প্রধানত দুই প্রকার—

  1. মাইটোসিস
  2. মিয়োসিস

স্লাইড–৩ : মাইটোসিস কী?

যে কোষবিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষ বিভাজিত হয়ে দুটি সমসংখ্যক ক্রোমোসোমবিশিষ্ট অপত্য কোষ সৃষ্টি করে, তাকে মাইটোসিস কোষবিভাজন বলে।

মাইটোসিসে অপত্য কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের সমান থাকে।


স্লাইড–৪ : মাইটোসিসের বৈশিষ্ট্য

  • একটি মাতৃকোষ থেকে দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি হয়।
  • অপত্য কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের সমান থাকে।
  • সাধারণত দেহকোষে মাইটোসিস ঘটে।
  • জীবের বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • অপত্য কোষগুলো প্রায় মাতৃকোষের অনুরূপ হয়।

স্লাইড–৫ : মাইটোসিসের ধাপ

মাইটোসিস কোষবিভাজন প্রধানত চারটি ধাপে সম্পন্ন হয়—

১. প্রোফেজ
২. মেটাফেজ
৩. অ্যানাফেজ
৪. টেলোফেজ

মাইটোসিস ক্রম: ইন্টারফেজ। মাইটোসিসের আগে DNA কপি হয়েছে, তবে তা এখনও এক নিউক্লিয়াসের ভেতরে অসংকুচিত থাকে।
ইন্টারফেজ
মাইটোসিসের আগে DNA কপি হয়েছে, তবে তা এখনও এক নিউক্লিয়াসের ভেতরে অসংকুচিত থাকে।
মতামত দিন

স্লাইড–৬ : প্রোফেজ

  • ক্রোমাটিন জালিকা সংকুচিত হয়ে মোটা ও খাটো ক্রোমোসোমে পরিণত হয়।
  • নিউক্লিওলাস ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়।
  • নিউক্লিয়ার মেমব্রেন বিলুপ্ত হতে থাকে।
  • স্পিন্ডল তন্তু গঠিত হয়।

স্লাইড–৭ : মেটাফেজ

  • ক্রোমোসোমগুলো কোষের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থান করে।
  • স্পিন্ডল তন্তু ক্রোমোসোমের সেন্ট্রোমিয়ারের সঙ্গে যুক্ত হয়।
  • ক্রোমোসোমগুলো বিষুবীয় অঞ্চলে সারিবদ্ধ থাকে।

স্লাইড–৮ : অ্যানাফেজ

  • প্রতিটি ক্রোমোসোমের সেন্ট্রোমিয়ার বিভক্ত হয়।
  • ক্রোমাটিডগুলো পৃথক হয়ে যায়।
  • স্পিন্ডল তন্তুর টানে ক্রোমাটিডগুলো বিপরীত মেরুর দিকে অগ্রসর হয়।

স্লাইড–৯ : টেলোফেজ

  • বিপরীত মেরুতে পৌঁছে ক্রোমাটিডগুলো ক্রোমোসোমে পরিণত হয়।
  • প্রতিটি মেরুতে নতুন নিউক্লিয়ার মেমব্রেন গঠিত হয়।
  • নিউক্লিওলাস পুনরায় সৃষ্টি হয়।
  • স্পিন্ডল তন্তু বিলুপ্ত হয়।

স্লাইড–১০ : সাইটোকাইনেসিস

নিউক্লিয়াসের বিভাজনের পর সাইটোপ্লাজম বিভাজিত হয়ে দুটি পৃথক অপত্য কোষ সৃষ্টি করে।

এ প্রক্রিয়াকে সাইটোকাইনেসিস বলে।


স্লাইড–১১ : মাইটোসিসের গুরুত্ব

মাইটোসিসের মাধ্যমে—

✅ জীবের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে।
✅ ক্ষতস্থান পূরণ হয়।
✅ পুরোনো ও মৃত কোষের পরিবর্তে নতুন কোষ সৃষ্টি হয়।
✅ অযৌন প্রজননে সহায়তা করে।
✅ ক্রোমোসোম সংখ্যা প্রজন্মের পর প্রজন্মে অপরিবর্তিত রাখতে সাহায্য করে।


স্লাইড–১২ : সংক্ষেপে মনে রাখি

প্রোফেজ → মেটাফেজ → অ্যানাফেজ → টেলোফেজ

P → M → A → T

মাইটোসিসের ফলাফল:

১ মাতৃকোষ → ২টি অপত্য কোষ


স্লাইড–১৩ : মূল্যায়ন

প্রশ্ন: মাইটোসিস কোষবিভাজন কী?

উত্তর: যে কোষবিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষ বিভাজিত হয়ে সমসংখ্যক ক্রোমোসোমবিশিষ্ট দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে, তাকে মাইটোসিস কোষবিভাজন বলে।

প্রশ্ন: মাইটোসিসের ধাপ কয়টি?

উত্তর: মাইটোসিসের প্রধান ধাপ চারটি— প্রোফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ ও টেলোফেজ।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট