Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:২৬ অপরাহ্ণ

পদ্মা ----ফররুখ আহমদ
পদ্মা" কবি ফররুখ আহমদ রচিত একটি বিখ্যাত ও তাৎপর্যপূর্ণ কবিতা
নিচে কবিতাটির মূল পাঠ, সারসংক্ষেপ ও প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরা হলো:
📖 কবিতার মূল পাঠ (অংশবিশেষ)
"অনেক ঘূর্ণিতে ঘুরে ঘুরে, পেয়ে ঢের সমুদ্রের স্বাদ,
জীবনের পথে পথে অভিজ্ঞতা কুড়ায়ে প্রচুর
কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু-দুরন্ত হার্মাদ,
তোমার তরঙ্গভঙ্গে वर्ण তার হয়েছে পান্ডুর!
সংগ্রামী মানুষ তবু দুই তীরে চালায়ে লাঙল
কঠিন শ্রমের ফল-শস্য দানা পেয়েছে প্রচুর;
উর্বর তোমার চরে ফলায়েছে পর্যাপ্ত ফসল!..." 

💡 কবিতার মূলভাব ও সারসংক্ষেপ
'পদ্মা' কবিতায় কবি প্রমত্তা পদ্মা নদীর দ্বিমুখী রূপ এবং মানুষের জীবনসংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন:
  1. ধ্বংসাত্মক ও প্রমত্ত রূপ: পদ্মা নদী এক বিশাল ও শক্তিশালী সত্ত্বা। এর ভয়াল রূপ ও তীব্র তরঙ্গভঙ্গ দেখে অতীতে অত্যাচারী পর্তুগিজ জলদস্যুরাও (হার্মাদ) ভয়ে কাঁপত। বর্ষাকালে পদ্মার তীব্র জলস্রোত মানুষের সাজানো বাগান ও অজস্র প্রাণ ভাসিয়ে নিয়ে যায়।
  2. সৃষ্টিশীল ও কল্যাণময়ী রূপ: ভয়াল রূপের পাশাপাশি পদ্মা অত্যন্ত পরোপকারী ও উর্বর। নদীর দুই তীরের সংগ্রামী মানুষ এর ভাঙা-গড়ার সাথে লড়াই করে বেঁচে থাকে। পদ্মার পলিমাটি দিয়ে গড়া উর্বর চরে কৃষকেরা কঠিন পরিশ্রমে পর্যাপ্ত ফসল ফলায়। 
  3. মুক্তির স্বর্ণদ্বার: কবি পদ্মাকে শুধু একটি জড় নদী হিসেবে দেখেননি, বরং একে দেখিয়েছেন গতি ও শক্তির প্রতীক হিসেবে। পদ্মার সুতীব্র গতি ও প্রদীপ্ত স্রোতধারা মানুষের মনের মৃত জড়তা দূর করে মুক্তির নতুন পথ বা "মুক্তির স্বর্ণদ্বার" উন্মোচন করে।

🛠️ কবিতার গঠন ও ছন্দ
  • ছন্দ: এটি মূলত অক্ষরবৃত্ত ছন্দে (১৪ মাত্রার পর্ববিন্যাসে গঠিত সোনালী চতুর্দশপদী বা সনেট ধর্মী) রচিত।
  • মূল সুর: নদীপাড়ের প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম, প্রকৃতির রুদ্র ও শান্ত রূপের সহাবস্থান এবং জীবনের গতিশীলতার জয়গান
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট