Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৫ মে, ২০২১ ০১:১৮ অপরাহ্ণ

কাজলা দিদি, ৫ম শ্রেণি
"কাজলা দিদি "
যে কবিতা শৈশবের কোমল হৃদয় কে তীব্রভাবে নাড়া দিয়েছিল।
যতিন্দ্রমোহন বাগচী'র এই কবিতা যখনি পড়তাম তখনই আমার কোমল হৃদয় মোচড় দিয়ে ওঠত।
"দিদির মতো ফাঁকি দিয়ে
আমিও যদি লুকিয়ে গিয়ে,
আমিও নাই দিদিও নাই কেমন মজা হবে
তুমি তখন একলা ঘরে কেমন করে রবে"।
তারপর ষষ্ঠ শ্রেণীতে "ছিন্নমুকুল" কবিতায় পড়লাম-
"যে এসেছিল সবার শেষে
সে চলে গেল সবার আগে"
পরিবারে এক ছোট্ট শিশুর অকাল মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে লেখা এ কবিতার কবির নাম মনে পড়ছেনা।
তারপর সপ্তম শ্রেণীতে উঠে পরিচিত হলাম ছেলে হারানো এক বিষন্ন পিতার স্মৃতিচারণ।শামসুর রাহমানের " এক ফোঁটা কেমন অনল" কবিতায় ড্রইং রুমে স্মৃতি হয়ে থাকা ছেলের একখানা সফেদ ছবির দিকে তাকিয়ে অতিথি কে বলেন-
ও হ্যা এই আমার ছেলে
যে হারিয়ে গেছে গ্রামের পুকুরে
আজ থেকে সাত বছর আগে
এক শান্ত দুপুরে।
নবম শ্রেণীতে যে কবিতা পড়ে দুচোখ অশ্রুসিক্ত হতো সে হল জসীমউদ্দিনের "কবর"
"ওই খানে তোর দাদীর কবর
ডালিম গাছের তলে
তিরিশ বছর ভিজিয়ে রেখেছি
দু'নয়নের জলে"

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট