Loading..

শিক্ষাক্রম অভিজ্ঞতা

২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩ ০২:৪০ অপরাহ্ণ

নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২২, বাস্তবায়নের শিখন অভিজ্ঞতা।

আমরা সকলেই অবগত  শিক্ষাক্রম উন্নয়ন ও পরিমার্জন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (nctb)এর একটি নিয়মিত ও ধারাবাহিক কার্যক্রম। 

জাতীয় শিক্ষানীতি 2010 প্রণীত হওয়ার পর সর্বশেষ 2012 সালে প্রাথমিক শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হয় । যুগের বিবর্তনে পরিবর্তনশীল পৃথিবীর সাথে তাল মেলাতে ও সামগ্রিক বৈশ্বিক আর্থ- সামাজিক  প্রেক্ষাপটে 2041 সালের মধ্যে উন্নত দেশে পদার্পণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে একটি নিরাপদ, উন্নত ও উদ্ভাবনী দেশের মর্যাদায় পৌঁছাতে সক্ষম এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে একটি অভিন্ন কাঠামোতে যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম 2021 (প্রাথমিক স্তরের) আলোকে শিখন শেখানো কার্যক্রমকে সক্রিয় শিখন ও অভিজ্ঞতা ভিত্তিক করার লক্ষ্যে পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করা হয়েছে। পাঠ্য পুস্তকের বিষয়বস্তুকে অধিকতর বাস্তবায়নযোগ্য করার জন্য সকল পাঠ্যপুস্তক এর সাথে সাথে শিক্ষক সহায়িকা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, সম্প্রতি এ শিক্ষাক্রম এর আলোকে সকল শিক্ষককে শিক্ষাক্রম বিস্তরণ কোর্সের মাধ্যমে শিক্ষকদের নতুন শিক্ষাক্রম সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে।

যেহেতু 2023 শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে প্রথম শ্রেণীতে জাতীয় শিক্ষাক্রম 2021 চালু করা হয়েছে অতএব আমাদের স্বল্প মাত্রায় হলেও নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম নিয়ে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। নতুন এ শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করতে গিয়ে আমি যেহেতু প্রথম শ্রেণির শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা বিষয়ে পাঠদান করছি আমি আমার শিখন বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা তুলে ধরছি:

 আমি দেখতে পাচ্ছি বর্তমান শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি হাতে কলমে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে, এ শিক্ষাক্রম শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক,যোগ্যতাভিত্তিক, আনন্দময় পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা শিখছে,  শিক্ষার্থীদের শিক্ষাক্রমে মুখস্ত বিদ্যাকে অনুৎসাহিত করা হয়েছে। এ শিক্ষাক্রমে ধারাবাহিক মূল্যায়ন কে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের ফলে প্রচলিত কোচিং, গাইড নির্ভরতা কমে যাবে বলে আমার বিশ্বাস। শিক্ষাক্রম শিক্ষকদের জন্য একটি প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে শিক্ষক ডায়েরি ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দৈনিক রিপোর্ট সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় ফিডব্যাক প্রদান করা। এর ফলে প্রতিটি শিক্ষার্থী শিখন ফল অর্জনে বাধ্য।