সিনিয়র শিক্ষক
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক ব্যবস্থাপনার সামগ্রিক কার্যকলাপ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুষ্ঠ ও উদ্দেশ্যানুসারে সম্পন্ন করার জন্য যেসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় তাকে বলা হয় একাডেমিক পরিকল্পনা। অর্থাৎ বিদ্যালয়ের সমগ্র শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন সম্পর্কিত সমগ্র কাজ কখন, কীভাবে, কাদের মাধ্যমে সূচারুরুপে সম্পন্ন করা হবে এ সম্পর্কিত পূর্বে তৈরী ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার রুপরেখাই হলো একাডেমিক পরিকল্পনা। একাডেমিক পরিকল্পনার প্রধান তিনটি উপাদান--(১) বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনা, (২) পাঠ পরিকল্পনা ও (৩) ক্লাস রুটিন।
শিক্ষাদান পরিকল্পনায় শ্রেণি পাঠদান কর্মসূচী বা ক্লাস রুটিন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ক্লাস রুটিনের মাধ্যমেই শিক্ষাক্রমকে শিক্ষার্থীদের নিকট তুলে ধরা হয়। একটি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য অর্জনের হাতিয়ার হলো একটি সু-পরিকল্পিত ক্লাস রুটিন। কারন ক্লাস রুটিন অনুযায়ী পরিচালিত হয় বিদ্যালয়ের শ্রেণি পাঠদাস্ন কর্মসূচী। তাই একটি সুন্দর ও মননশীল ক্লাস রুটিন তৈরীতে বিশেষ কিছু বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখা উচিৎ। ক্লাস রূটিন তৈরীতে বিবেচ্য বিষয়সমুহ নিম্নে আলোচনা করা হলো।
১। যে শিক্ষক যে বিষয়ে অভিজ্ঞ তাকে সে বিষয়ে পাঠদানের দায়িত্ব দেয়া।
২। শিক্ষকের কর্মভার অর্পনে নিরপেক্ষতা রক্ষা করতে হবে।
৩। শিক্ষকের দক্ষতা,জ্ঞান,বয়স ও জেন্ডারভিত্তিক সমতা রক্ষা করতে হবে।
৪। সময়সূচী শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক হওয়া উচিৎ।
৫। বিভিন্নমুখী কাজে শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ আগ্রহ ও মনোযোগ ধরে রাখার মত বিষয়সমুহ ও প্রত্যাশাকেও বিবেচনায় রাখতে হবে।
৬। গুরুত্ব অনুসারে পাঠ্যসূচীর সকল বিষয় অন্তর্ভূক্ত করতে হবে।
৭। বিষয়বস্তুর গুরুত্ব এবং পাঠ্যসুচীর সকল বিষয়ের সকল ইউনিট সংখ্যা মোতাবেক ক্লাসের সংখ্যা বণ্টন করতে হবে।
৮। বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষসমুহের যথাযথ ব্যবহারের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।
৯। বিজ্ঞান বিষয়ের ক্লাসসমুহ বিজ্ঞানাগারে নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
১০। কোন বিষয়ের ক্লাস কতটুকু সময় ধরে চলবে এবং দুই বিষয়ের মাঝে কিছু সময় ব্যবধান ।
১১। মাল্টিমিডিয়া ক্লাস ও ব্যবহারিক ক্লাসের সমন্বয় থাকতে হবে।
১২। দৈনিক সমাবেশ, আহার/নাস্তা, প্রার্থনা এবং খেলাধুলার সময় উল্লেখ থাকা উচিৎ।
১৩। সহ-শিক্ষাক্রমিক কার্যাবলী সম্পাদনের সময় বরাদ্ধ রাখা উচিৎ।
৫৩
৯১ মন্তব্য