Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:০২ অপরাহ্ণ

অসহায় নারী যৌতুক প্রথা নিয়ে আলোচন।

 পুরুষ শাসিত সমাজ ব্যবস্হায় নারী অসহায়।বাবার ওরশে মায়ের গর্ভে একজন কন্যা সন্তান যখন জন্ম গ্রহন করে তখন মনে হয় অনেক বাবা মার উপর আকাশ ভেঙ্গে পরে।যাহা হোক সেসব কথা নাই বা ধরলাম ছোটবেলা থেকে একজন মেয়ে বাবার বাড়িতে খুব আদর যন্তে লালিত পালিত হয়,সেখানকার আলো বাতাস মায়া মহব্বতে সেখানে কাটে তার শৈশব এবং কৈশর। এরপর বেজে উঠে বিয়ের সানাই। মুসলিম হলে মুসলমান রীতিতে এবং হিন্দু হলে হিন্দু রীতিতে বিবাহ কিন্তুু বিবাহের আগে যৌতুক নিয়ে কথা হয় এবং যৌতুক ছাড়া বিয়ে হয় না। অথচ মুসলিম সমাজে যৌতুক নেওয়া হারাম এবং বাংলাদেশ সরকার ও যৌতুকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছে।একদিকে কন্যাদায়গ্রস্থ পিতা অপরদিকে যৌতুক নামের অভিশাপ বাবার উপরে পরে। যেহেতু খোদা তালার বিধান অনুযায়ী মেয়েকে ঘড়ে রাখা যায় না তাই এক প্রকার বাধ্য হয়ে বাবা যৌতুক ও অন্যন্য সামগ্রি দিয়ে বিবাহ দিয়ে দেন।এ তো গেল বিবাহের কথা, বিবাহের পরে এতদিনের পিতামাতার আদর স্নেহ ভালবাসা মায়া মহব্বত ছেড়ে মাত্র তিনকথার বিনিময়ে একটি অজানা অপরিচিত মানুষের সাথে গিয়ে ঘড় সংসার করতে হয়।যদি মানুষটি ভাল হয় তাহলে ভাল, আর যদি মন্দ হয় তাহলে চিরদিন তাকে মন্দের সাথে লড়াই করে জীবনযাপন করতে হয়।আচছা এখন আপনারাই বলুন শুন্য থেকে বিশ বছর পযন্ত বাবার বাড়িতে মানুষ হয়ে সেখানকার মায়া মহব্বত ছেড়ে অচেনা মানুষের সঙ্গে ঘড় সংসার করতে গিয়ে যদি অত্যাচারিত হয় তাহলে বাবা মা এবং মেয়ের মনে কতই না কষ্ট পায়।তাই আমি বলব নবী করিম (সঃ)বলেছেন জান্নাত জননীর পদতলে,নারীরা হল মায়ের জাতি নারীদের কেউ অবহেলা করবেন না এবং কষ্ট দিবেন না,আসুন আমরা সবাই মরন ব্যাধি যৌতুক না বলি।

মন্তব্য করুন