সহকারী শিক্ষক
০১ মার্চ, ২০২১ ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
সুন্দর এ পৃথিবী, সুনীল আকাশ, অগণিত জীব- জন্তু, ব্রিখ- লতা, আলো, বাতাস, মাটি, পানি, বালু, পাথর, পাহার, সমুদ্র, নদী-নালা, চন্দ্র- সূর্য, গ্রহ- নক্ষত্র সবকিছু মিলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপূর্ব লীলাভূমি আমাদের এ বিশ্বজগৎ। কিভাবে এ বিশ্বজগৎ সৃষ্টি হলো? কোনো জিনিসই তো নিজে নিজে অস্তিত্ব লাভ করতে পারে না। এ বিশাল বিশ্বজগৎ সৃষ্টির পিছনেও নিঃসন্দেহে এক মহাশক্তিশালী স্রষ্টা রয়েছেন, যার কুদরত ছাড়া মহাবিশ্ব এবং এর বৈচিত্র্যময় সৃষ্টি কিছুই অস্তিত্ব লাভ করতে পারত না। পৃথিবীতে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য যা কিছু আছে সবকিছুরই স্রষ্টা হচ্ছেন মহাশক্তিশালী সত্ত্বা আল্লাহ রব্বুল আলামিন। এ মহাবিশ্ব সৃষ্টি ও পরিচালনায় তাঁর কোনো সাহায্যকারী বা সমকক্ষ নেই। কুরআন মাজিদের ভাষায়ঃ অর্থঃ যদি আকাশ ও পৃথিবীতে আল্লাহ ব্যতীত বহু ইলাহ থাকত, তবে এগুলো দংস হয়ে যেত। ( সুরা আম্বিয়াঃ ২২)
কুরআন মাজিদের সুরা ইখলাসে আল্লাহ্র পরিচয় অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছেঃ
অর্থঃ হে রাসুল ( সঃ ) আপনি বলুন, আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন। সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেওয়া হয়নি। তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই। ( সুরা ইখলাসঃ ১-৪ )
সৃষ্টি জগতের মালিক ও নিয়ন্তা মহান আল্লাহ। তিনি আমাদের রিজিকদাতা ও প্রতিপালনকারী। তিনি অনাদি ও অনন্ত। তিনি চিরস্থায়ী ও চিরঞ্জীব। তিনি সবসময় আছেন এবং সবসময় থাকবেন। সকল প্রাণীর জীবন ও মৃত তাঁরই হাতে। তিনি স্বীয় জাত তথা সত্ত্বাগত দিক থেকে যেমন এক ও অদ্বিতীয়, তেমনি সিফাৎ তথা গুণাবলির দিক থেকেও এক ও অদ্বিতীয়। আল্লাহ তাআলা স্বীয় জাত ও সিফাতে যেমন আছেন, আমরা ঠিক সেভাবেই তাঁর হুকুম- আহকাম সর্বদা মেনে চলব।
০
০ মন্তব্য