Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৪ এপ্রিল, ২০২১ ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ

@ আখের রস, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ এবং হজমশক্তি বাড়াতে বেশ কার্যকর @

@ আখের রস।ডায়াবেটিস, হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ এবং হজমশক্তি বাড়াতে বেশ কার্যকর @

শীত কিংবা গ্রীষ্মকালে রাস্তায় আখের রস দেখতে পাওয়া যায়। আখের রসকে প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিংক বলা হয়। তবে শুধু ক্লান্তি দূর করতে নয়, শরীরের জন্য যথেষ্ট উপকারী হলো আখের রস। আখে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে তাই নিয়মিত সেবন করলে দাঁত ও হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। আর চিবিয়ে খেলে শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে দাঁতের ক্ষয় রোধ হয় মুখের দুর্গন্ধ কমে যায় ও ডায়াবেটিস দূরে থাকে। খেতে মিষ্টি হলেও এটি ডায়াবেটিস এর পক্ষে খুবই কার্যকর জি আই এর পরিমাণ খুব কম থাকে। যার জন্য ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারেন। গ্লাইসেমিক ইনডেক্স একেবারে নিচে থাকার কারণে আখের রস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না বরং এ প্রাকৃতিক উপাদান গ্রহণ করলে সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের আখের রস খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।

হৃদরোগ উপশম : প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় আখের রস রাখলেই একাধিক রোগ ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। এ প্রাকৃতিক উপাদান বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম এবং নানাভাবে শরীরের উপকারী লেগে থাকে। হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে। এই রস হার্ট অ্যাটাক কমাতে সাহায্য করে। এমন কি শরীর এ খারাপ কোলেস্টেরলের কমাতেও সাহায্য করে।


ওজন কমাতে আখের রস : মিষ্টি হলেও প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে ফলে এর ওজন কমাতে সাহায্য করে। ত্বকের জন্য উপকারি: আখের রস ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এতে আলফা হাইড্রোক্সি এসিড থাকে। যা বলিরেখা দূর করে। ত্বককে হাইড্রেট করতে সাহায্য করে। এমনকি আখের রস যদি মুখে লাগিয়ে রাখা হয় তাহলে ত্বকের রুক্ষতা দূর করে। ত্বককে উজ্জ্বল ও সতেজ করে তুলতে সাহায্য করে।

হজম শক্তি : আখের রসে পটাশিয়াম  পরিমাণ খুব ভালো থাকে। এমনকি ফাইবার ও যথেষ্ট বেশি পরিমাণ থাকে। ফলে আখের রস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এমন কি গরম কালে যে ডিহাইড্রেশন হয়, আখের রস তা দূর করতে সক্ষম। পেটের ইনফেকশন রুখতে ও আখের রস গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।

কয়েকটি সর্তকতা : বাজারে আখের রসের মেশিন গুলো সচল রাখার জন্য নিয়মিত তেল দেয়া হয়। সেটা আখের রসে মারাত্মক বিপদ ঘটাতে পারে। তার চেয়ে আখের খোসাটি খুব ভালো করে ধুয়ে, শুকনো করে ফ্রিজে রেখে দিন। রস খাওয়ার আগে ছোট ছোট করে কেটে ব্লেন্ডারে মিশিয়ে নিন। সামান্য আদা রস মিশয়ে, তারপর হাত দিয়ে চিপে রস বের করে নিতে হবে। সামান্য বিট লবণ আর লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। আখের রস ফ্রিজে রাখলে ঘন্টা দুয়েক পর ও খাওয়া যায় কিন্তু তার পরিমান দ'ঘন্টা'র বেশি নয়।কারণ, তার মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু করে। যারা প্রতিদিন আখের রস খান, তারা - দিনে দু'বার বেশি খাবেন না। একমাত্র জন্ডিস রোগী ছাড়া।

সংগ্রহে-

মো: নাজমুল হক শামীম

সহকারি শিক্ষক

থুপসারা সেলিমীয়া দাখিল মাদরাসা

জেলা অ্যাম্বেসেডর, জয়পুরহাট।

কালাই, জয়পুরহাট।

ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল নং ০১৭২১৭০৭৪৫৫

শিক্ষক বাতায়ন :

https://www.teachers.gov.bd/profile/atnazmul81

মন্তব্য করুন