Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৭ এপ্রিল, ২০২১ ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ

আকাইদ ও ফিকহ, এবতেদায়ি পঞ্চম শ্রেণি, দ্বিতীয় অধ্যায়, চতুর্থ- পাঠ, ফেরেশতা। আদর্শ দ্বি-মুখী দাখিল মাদ্রাসা, গাইবান্ধা।

ফেরেশতাগণ মহান আল্লাহর বিশেষ সৃষ্টি। ফেরেশতা ফার্সি শব্দ, আরবিতে মালাকুন। এর বহুবচন হলো মালাইকাতুন। ফেরেশতাদের নূর দ্বারা সৃষ্টি করা হয়েছে। তাদের নির্ধারিত কোন আকৃতি নেই। তারা পানাহার, নিদ্রা, বিশ্রাম থেকে মুক্ত। আল্লাহ তাআলা অসংখ্য অগণিত ফেরেশতাকে বিভিন্ন দায়িত্বে নিয়োজিত করে রেখেছেন। আমরা তাদের দেখতে পাই না। আল্লাহর হুকুমে তারা বিভিন্ন আকৃতি ধারণ করতে পারেন। তারা সদা-সর্বদা আল্লাহর হুকুম পালনে নিয়জিত থাকেন। কখনো তাঁর অবাধ্য হন না। কুরআন মাজিদে ইরশাদ হয়েছেঃ 

অর্থঃ আল্লাহ তাদের যে নির্দেশ প্রদান করেন তারা এর অবাধ্য হন না, বরং তাদের যা নির্দেশ প্রদান করা হয় তা তারা পালন করেন। ( সুরা তাহরিমঃ ৬) 

ফেরেশতাদের মধ্যে চারজন প্রধান। তারা হলেন- হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম, হজরত মিকাইল আলাইহিস সালাম, হজরত আজরাইল আলাইহিস সালাম ও হজরত ইসরাফিল আলাইহিস সালাম। 

হজরত জিবরাইল আলাইহিস "সালাম নবি রাসুলগণের নিকট আল্লাহর বাণী পৌঁছান।  হজরত মিকাইল আলাইহিস সালাম সকল জীবের রিযিক বণ্টন ও মেঘ-বৃষ্টি পরিচালনা করেন।  হজরত আজরাইল আলাইহিস সালাম আল্লাহর হুকুমে সকল প্রাণীর রুহ কবজ করেন।  আর হজরত ইসরাফিল আলাইহিস সালাম শিঙ্গায় ফুঁৎকার দাওয়ার জন্য আল্লাহ তাআলার হুকুমের অপেক্ষায় আছেন। তার ফুঁৎকারে কিয়ামত হবে।  ফেরেশতাদের উপর ইমান আনা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসের অন্তর্ভুক্ত। তাদের অস্বীকার করা কফরি।    

মন্তব্য করুন