সহকারী অধ্যাপক
০৭ জুন, ২০২১ ০৮:২২ অপরাহ্ণ
সহকারী অধ্যাপক
সোনালী মুরগী পালন পদ্ধতি:
ঘর প্রস্তুতি:
১।মাকড়সার জাল সহ খামার ভাল করে ছাড়ু দিতে হবে।
২।খামারে লেগে থাকা ময়লা ঘষে ঘষে তুলতে হবে এবং ময়লা গুলো দুরে গর্ত করে পুতে ফেলতে হবে।
৩।প্রথমে পরিষ্কার পানি দিয়ে খামারটা ভিজানোর পর ডিটারজেন্ট পানিতে মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে পুরা ঘর ভিজিয়ে ৬ ঘন্টা রেখে দিতে হবে। ৬ ঘন্টা পর পুনরায় ডিটারজেন্ট দিয়ে ঘষে খামার পরিষ্কার করতে হবে।(ডিটারজেন্ট মিশ্রিত পানি ফসল,মাছ চাষের জন্য ক্ষতিকর )।
৪।এরপর জীবানুনাশক(Omnicyte,Aldekol,GPC 8) দিয়ে পুরো খামার স্প্রে করতে হবে এবং স্প্রের পানি খামারে ২৪ ঘন্টা রেখে দিয়ে শুকাতে হবে। ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি গুলো পভিডন আয়োডিন দিয়ে পরিস্কার করতে হবে।
৫।খামারটি পাকা হয়ে থাকলে আগুনের ছেক দেওয়া যেতে পারে(একটা লাঠির সামনের অংশে মোটা করে সুতির কাপড় পেঁচিয়ে তাতে কেরোসিন দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে ঘরের মেঝে, তারের নেট ইত্যাদিতে আগুনের ছোঁয়া দিয়ে যেতে হবে)।
খামারটি বাঁশ কাঠের হলেও সম্ভব কিন্তু্ অধিক সতর্ক থাকতে হবে যেন আগুন লেগে না যায়।
৬।তারপর চুনের পানি ছিটিয়ে দিয়ে কমপক্ষে এক সপ্তাহ রেখে্ দিয়ে বাচ্চা তোলার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
অর্থাৎ মুরগী বিক্রি করার পর ১ সপ্তাহ পরিষ্কার এবং ১ সপ্তাহ খালি রেখে দিয়ে মোট ১৫ দিনের গ্যাপ দিয়ে বাচ্চা তুলতে হবে।
একই খামারে বিভিন্ন বয়সের বাচ্চা একসাথে তুলা যাবে না। এতে রোগের প্রাদুর্ভাব বেশী দেখা যায়।
অন্যান্য Manangement এবং Equipement:
Brooder Equipement যেমন লিটার পেপার, চিকগার্ড, পানি, হোভার, খাবারের পাত্র সব ২/৪ ঘন্টা আগেই বসিয়ে রাখতে হবে।হোভারের লাইট দুই-তিন ঘন্টা আগেই জ্বালিয়ে নিন এবং একঘন্টা পর থার্মোমিটারের রিডিং পরীক্ষা করুন।ঘরের তাপমাত্রা ৩০-৩৩ ডিগ্রী এবং হোভারের নিচের তাপমাত্রা ৩০-৩২ ডিগ্রী সেঃ নিশ্চিত করতে হবে।
বাচ্চা আসার ১০ মিনিট আগেই পানির পাত্র এবং খাবার পাত্র যথাযথ জায়গায় বসিয়ে দিতে হবে।
খাবার পাত্র:১-৭ দিন ১০০টির জন্য ১ টি
পানির পাত্র ১০০টির জন্য ১ টি
প্রথম ১-২ দিন পেপারে খাবার দিতে হবে যাতে খাবার চিনতে পারে
৩০ দিন পর্যন্ত ৪০ টির জন্য ১ টি খাবার পাত্র এবং ৫০ টার জন্য ১ টি পানির পাত্র
৩০ দিন পর ৩০ টির জন্য ১ টি খাবার পাত্র
এবং ৪০ টির জন্য ১ টি পানির পাত্র.
খাবার এবং পানির পাত্র কিছু কম বেশি হতে পারে তবে বেশি দেয়াই ভাল বিশেষ করে বাচ্চা অবস্থায়
Drinkers round:1/100 birds
Drinkers trough:2cm/Birds
Nipples:1/15 Birds
Feeders pan:1/100 Birds
বাচ্চা আসার পর বাচ্চার বক্স সহ কিছুক্ষণ শেডের মধ্যে রেখে দিন(আনুমানিক ১০ মিনিট) ।বাচ্চার সংখ্যা গুনে নিশ্চিত হউন আপনি সঠিক পরিমাণে বাচ্চা পেলেন কিনা।
দুর্বল বাচ্চা পৃথক করুন, এবং গ্লুকোজের পানি ফোটায় ফোটায় খাইয়ে দিন।
বাচ্চা সবল থাকলে প্রথম দুই ঘন্টা শুধুমাত্র পানি দিলেই চলবে but বাচ্চা দুর্বল থাকলে গ্লুকোজের পানি দিন।
বাচ্চা আসার ১০ মিনিট পর খাবার দিন এক্ষেত্র শুধুমাত্র প্রথমবার পেপারে ছিটিয়ে দিবেন এবং এর পর থেকে অবশ্যই ট্রেতে খাবার দিবেন।
একঘন্টা পর অন্তত ১০% বাচ্চার খাবারের থলি পরীক্ষা করুন এবং দেখুন হালকা নরম খাবার এবং পানির মন্ড আছে কিনা। বাচ্চার পায়ের তলা আপনার মুখে লাগিয়ে দেখুন কুসুম গরম আছে কিনা। যদি থাকে তা হলে বুঝবেন বাচ্চার ব্রুডিং যথাযথ হচ্ছে।
ব্রোডিং
বাচ্চা আসার আগে ঘরের তাপমাত্রা ৯৫’ ফারেনহাইট বা ৩৩’ সেন্টিগ্রেট করতে যা করার তাই করতে হবে.( বালব,হারিকেন,কয়লা, হিটার,গ্যাস ব্রোডিং)
ব্রোডিং এর তাপমাত্রা
সপ্তাহতাপমাত্রাপ্রথম৯৫ ডিগ্রী ফারেনহাইডদ্বিতীয়৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইডতৃতীয়৮৫ ডিগ্রী ফারেনহাইডচতুর্থ৮০ ডিগ্রী ফারেনহাইড৫ ম থেকে শেষ পর্যন্ত৭৫ ডিগ্রী ফারেনহাইড
দুইঘন্টা পর চাইলে গ্লুকোজের পানি দিতে পারেন, সাদা পানি দিলেও চলবে (তবে জীবানুমুক্ত হতে হবে) এটাই পরবর্তী ২২ ঘন্টা চলবে।
বাচ্চার অবস্থা ৩ ঘন্টা পরপর পর্যবেক্ষণ করতে হবে তাপ বেশী হচ্ছে কিনা। ২৪ ঘন্টা পর পেপার সম্পূর্ন ভাবে সরিয়ে ফেলবেন। পর্দা হালকা নামিয়ে গ্যাস বের করে দিবেন
খাদ্য ব্যবস্থাপনা:
আমরা অনেকেই মনে করি সোনালি মুরগীকেও ব্রয়লার মুরগীর মত সব সময় খাবার দেয়া দরকার। কিন্তু এটা একটা ভুল ধারণা। মনে রাখা দরকার ব্রয়লার মুরগীর খাদ্য রূপান্তরের হার(FCR) এবং সোনালি মুরগীর খাদ্য রূপান্তরের হার(FCR)এক নয়। ব্রয়লার মুরগী যত খাবে তত ওজন হবে, অন্যদিকে সোনালি মুরগীতে খাদ্যের অনেকটাই কাজে আসবে না।
এজন্যই সোনালি মুরগীকে যত খাবে তত খাবার সারাদিন দেয়া যাবে না।
সাধারণত সোনালি মুরগীর ক্ষেত্রে প্রতি ১০০০ মুরগীতে ৪০ ব্যাগ হিসেবে সোনালি খাদ্য হিসাব করে ৮০০ গ্রাম গড় ওজন হিসাব করা হয়। কিন্তু সোনালি খাদ্যে কখনো কখনও ২ ব্যাগ বা ৩ ব্যাগ বেশি লাগতে পারে। আবার খুব ভাল হলে ২ ব্যাগ বা ৩ ব্যাগ কম লাগতে পারে।
যদি সোনালি মুরগীকে ব্রয়লার খাদ্য খাওয়ানো হয় তবে ১০০০ মুরগীতে সর্বোচ্চ ৩৪-৩৫ ব্যাগ খাদ্যে ৮০০ গ্রাম গড় ওজন হিসাব করা হয়। এক্ষেত্রেও আগের মতই ২ থেকে ৩ ব্যাগের যোগ বা বিয়োগ ধরে নেওয়া যেতে পারে।
সোনালি মুরগীর খাদ্য রূপান্তরের হার:
সোনালি খাদ্য: ২.২-২.৫ (এখানে ২.৬৩ পর্যন্ত আসলেও তা গ্রহণযোগ্য হবে)
ব্রয়লার খাদ্য: ১.৮১-২.১৮ (এখানে ২.২৬ পর্যন্ত হলেও তা গ্রহণযোগ্য হবে)
তবে মনে রাখতে হবে ব্রয়লার খাদ্যে প্রোটিন বেশি থাকার কারণে মুরগীতে আমাশয় রোগ এবং সাদা আমাশয় জনিত সমস্যা বেশি দেখা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ব্রয়লার এবং সোনালি খাদ্য একত্রে মিশিয়ে যথাক্রমে ৩৫% এবং ৬৫% হারে খাওয়ানো যেতে পারে।
সারাদিনে খাদ্য দেয়ার নিয়ম:
দিনে ৩ বার খাবার দিতে হবে। বিশেষ করে মনে রাখতে হবে যেন……
সকালে সর্বোচ্চ ৪ ঘন্টার মধ্যে খাদ্য খাওয়া শেষ হয়ে যায়।
দুপুরে যেন সর্বোচ্চ ৩ ঘণ্টার মধ্যে খাদ্য শেষ হয়।
রাতে সর্বোচ্চ ৫ ঘণ্টা যেন খাদ্য খায়।
প্রয়োজনে মুরগীর ক্রপ(খাদ্য থলি) পরীক্ষা করে খাদ্য দিতে হবে। যদি খাদ্য থলি ভর্তি থাকে তবে খাদ্য দেয়া কোন দরকার নাই। কারণ মনে রাখবেন, সোনালি মুরগীকে আপনি যতই খেতে দিবেন তারা ততই খাবে। কিন্তু এতে খাদ্য অপচয় হবে আপনাদের। খেয়াল করে দেখবেন ঘরে নিমপাতা বা যেকোন পাতা ঝুলিয়ে রাখলে তারা সেগুলোও খেয়ে শেষ করে। সেজন্য খাবার দেয়ার ব্যাপারে সচেতন হোন।
৩য় সপ্তাহ বয়সে পরে মুরগীকে ২০-২২ গ্রাম/ মুরগী হিসেবে খাদ্য
পরবর্তী প্রতি সপ্তাহে ৪-৬ গ্রাম/মুরগী হারে খাদ্য বৃদ্ধি করে চলতে হবে। দিনের মোট খাদ্যের পরিমাণকে তিন ভাগে ভাগ করে ৪০%(সকাল)+২০%(দুপুর)+৪০%(রাত) খাদ্য দিবেন। এ হিসেবে খাদ্য খাওয়ালেই আশা করা যায় আপনাদের খাদ্য অপচয় বন্ধ হবে।
সোনালী মুরগীর ভ্যাকসিন এবং ঔষধ
প্রথমত মুরগী পালনে মেডিসিন PROGRAMME অনুসরণ না করাই ভাল। কারণ আপনি সুস্থ থাকলে জোড় করে আপনাকে ঔষধ খায়ানো যাবে না বা আপনি নিজেও ঔষধ খাবেন না। মুরগীর ক্ষেত্রেও অনেকটা সেরকমই। আপনি যেমন সুস্থ পরিবেশে থাকলে আপনার স্বাস্থ্য ভাল থাকবে, তেমন যা আপনাকে বছরের বছরের পর লাভ এনে দেবে। তার থাকার পরিবেশ এবং খামারের পরিবেশ, খাবার পানি পরিষ্কার এবং জীবানু মুক্ত থাকলে আপনি ৭০% ঔষধ খরচ কমাতে পারবেন। বাকিটুকু আপনার দক্ষতা, পরিশ্রম এবং ধৈর্য আপনাকে সাহায্য করবে।
যে কোন মুরগী সেটা সোনালী হোক বা ব্রয়লার, ঘরের মেঝে এবং ফার্মের পাশে ৫ ফুট দুরত্বে লবণ পানি দিয়ে দিবেন। প্রতি ১০০ লিটার পানিতে ৫০০ গ্রাম। এর পর শুকানোর পর ১ কেজি চুন প্রতি ১০০০ বর্গফুট জায়গা অনুযায়ী মাটিতে লেপবেন। সেটা শুকানোর পর যে কোন ভাল জীবানু নাশক দিয়ে ঘরের সব কিছুতে স্প্রে করবেন।
পানি টেস্ট করিয়ে নিবেন। ব্যাক্টেরিয়া এর পরিমাণ কিরূপ কিংবা আয়রণের পরিমাণ। এজন্য পানির PH টেস্ট করা অত্যন্ত প্রয়োজন। পরবর্তীতে সে অনুযায়ী পানি বিশুদ্ধ করণ করবেন।
এত কথার এক কথা হল খরচ কমানো এবং লভ্যাংশ বাড়ানো।
সোনালী মুরগীতে ভ্যাকসিনেশন:
দিনভ্যাকসিন১-৫ দিনআই বি + এন ডি৮-১২ দিনগামবোরু২০-২২ দিন।গামবোরু২৫-২৭ দিন। রানিক্ষেত
মুরগীর পরিমাণের অবশ্যই ১০% অধিক ভ্যাক্সিনের ডোজ ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন।
৩৫ দিন বয়সে অবশ্যই কৃমিনাশক ব্যবহার করবেন। এবং এর পর অবশ্য ভিটামিন বি-১ বিহীন লিভার টনিক এবং ভিটামিন-সি ব্যবহার করুন।
যদি মুরগী কৃমি দ্বারা আক্রান্ত হয়, তবে ভ্যাকসিন কাজ করবে না। অথবা মুরগীতে সালমোনেলা, ই. কোলাই কিংবা মাইকোপ্লাজমা দ্বার আক্রান্ত হলে কোন ঔষধ কাজে আসবে না।
লিটার এবং রোগ:
শীতের সময় লিটার ৩ ইঞ্চি এবং গরমের সময় ২ ইঞ্চি করে দিলে ভাল হয় কারন লিটার পাতলা হলে বাচ্চার শরীরের তাপ বের হয়ে লিটারে চলে যায়.
লিটার ভিজা হলে আমাশয় হয়, আমাশয় হলে গামবূরু এবং রানিক্ষত হবার সম্বাবনা থাকে.
লিটার বেশি শুকনা হলে স্পে করে দিতে হবে কারন ধুলা বালি নাকে গিয়ে মুরগির ঠান্ডা লাগে,বিশেষ করে বাচ্চার ব্রুডার নিউমোনিয়া হবার সম্বাবনা থাকে.
খাবার এবং পানির পাত্র ও রোগ
খাবার পাত্র দিতে হবে পিঠ বরাবর আর পানির পাত্র দিতে হবে চোখ বরাবর তাহলে মুরগি সহজে খেতে পারবে এবং পানি ও খাবারে ময়লা পড়বে কম ফলে পানি বাহিত রোগ কমে হবে, পেট ভাল থাকবে. পাতলা পায়খানা হবেনা ওজন ভাল হবে.
লিটার যদি খাবার এবং পানিতে পড়ে তাহলে আমাশয় হয় যা সব রোগকে দাওয়াত করে নিয়ে আসে.
প্রতিদিন পানির পাত্র পরিস্কার করতে হবে এবং সপ্তাহে ১ বার খাবার পাত্র পরিস্কার করতে হবে.
মুরগির অধিকাংশ রোগ পানির মাধ্যমে আসে.
পর্দা এবং রোগ:
পর্দার নিচের অংশ ফিক্স থাকবে এবং উপর হতে নিচে নামানো হবে,অথবা উপরে চটের অংশ এবং নিচে কাপড়েত অংশ থাকা উচিত যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী উঠানো নামানো যায়.
পরদা উপরে ফিক্স থাকলে সঠিকভাবে উঠানো নামানো যায়না ফলে ভিতরে গ্যাস হয়,গ্যাস হলে ধকল পড়ে এবং শাসনালির ক্ষতি করে ফলে মাওকোপ্লাজমা,ব্রংকাইটিস এবং রানিক্ষেত হতে পারে.
কতদিনে কত ওজন:
৪৫ -৬০ দিনে ৭০০-৯০০ গ্রাম পর্যন্ত হয় আর খাবার খাবে ১০০০ মুরগিতে ৩৫-৪০ ব্যাগ.ওজন অনেকটা বাচ্চার মানের উপর নির্ভর করে. ইন ব্রিডিং সমস্যার কারনে প্রায়ই বাচ্চার মান ভাল হয়না.
রোগব্যাধি :
প্রধান রোগ হল আমাশয়,গামবোরু,রানিক্ষেত.
তাছাড়া মাইকোপ্লাজমা এবং ব্রংকাইটিস
মেডিসিন:
আমাশয় বেশি হয় তাই
১৩-১৫দিনে
২৩-২৫ দিনে
৩৫-৩৭দিনে মোট তিন বার আমাশয়ের ডোজ করা উচিত.
৩৫-৪০ দিনে কৃমির ডোজ করলে ভাল হয়
ব্রুডিং এর সময় প্রথম দিন প্রবায়োটিক সি এবং গ্লোকোজ দেয়া যায় ,পরের দিন থেকে লাগলে এন্টিবায়োটক দেয়া যায়.
প্রতি সপ্তাহ ২ দিন করে প্রবায়োটিক দিলে ভাল হয় এতে পায়খানা ভাল থাকবে.
কেন লাভ হয়না :
১রেডি মুরগির দাম উঠানামা করে
২.ওজন কম আসা
৩ মুরগির ঘর সঠিকভাবে করা হয়না
৪.পালন সম্পর্কিত সঠিক ধারনা না থাকা
৫রোগ বালাই
৬.বায়োসিকিউরিটি না থাকা
৭..বাচ্চা ভাল মানের না হওয়া
৮.টিকার মান এবং দেয়ার পদ্ধতি ভাল না হওয়া
৯..বাচ্চার দাম বেশি
১০. খাবারের দাম বেশি
১১.মুক্ত বাজারনীতি মানে দামের উপর সরকারের কোন নীতিমালা নেই.
১২. দেশে কতগুলো ফারম আছে,কতগুলো বাচ্চা উৎপাদিত হয় এবং আমাদের চাহিদা কতটুকু তার কোন সঠিক হিসেব নেই ও সে অনুযায়ী কোন ব্যবস্তা নেই.
৫৩
৯১ মন্তব্য