Loading..

ব্লগ

রিসেট

১১ জুন, ২০২১ ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ

জামের উপকারিতা কি ? কেন জাম খাবেন?জাম Java plum ও বৈজ্ঞানিক নাম Syzygium cumini

কালো রঙের ছোট্ট ফলটি আমরা কমবেশি সবাই চিনি। স্কুলে বাচ্চাদের যদি কয়েকটি ফলের নাম জিজ্ঞাস করা হয় বলে উঠে, আম জাম ও কাঁঠাল ! হ্যাঁ এটি সিজনাল ফল, তবে খুব কম সময়ের জন্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ এই ফলটি বাজারে বেশি দিন পাওয়া যায় না। আবার অন্যদিকে বেশি দিন রাখাও যায় না। কালো রঙের ছোট এই ফলটি খেতে টক ও মিষ্টি। তবে ছোট হলেও এই ফলেরও আছে বেশ পুষ্টি গুন। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে এই ফলটি চিকিৎসা ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে যা আমাদের অনেকেরই অজানা। তবে সংরক্ষিত হিসাবে জাম ফল থেকে জামের রস, স্কোয়াশ ও অন্যান্য সংরক্ষিত খাদ্য তৈরি করা যায়। আজকে জানবো জামের উপকারিতা কি ? কেন জাম খাবেন?


জাম ফলে কি কি উপকার পাওয়া যায়ঃ

  • জাম মানসিকভাবে সতেজ রাখে 
  • জাম স্মৃতিশক্তি প্রখর রাখতে সাহায্য করে
  • ডায়াবেটিস নিরাময়ে সাহায্য করে জাম
  • জাম রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে সাহায্য করে
  • জাম ভিটামিন সি-এর অভাবজনিত রোগ দূর করে 
  • মুখের দুর্গন্ধ রোধ, দাঁত মজবুত, মাঢ়ি শক্ত ও ক্ষয়রোধে ভুমিকা রাখে
  • গরমে শরীর ঠাণ্ডা এবং শারীরিক দুর্বলতাকে দূর করতে সক্ষম
  • রক্তস্বল্পতা দূর করে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃৎপিণ্ড ভাল রাখে
  • জাম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে
  • ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে উপকারী 
  • জরায়ু, ডিম্বাশয় ও মলদ্বারের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে জাম
  • সাদা বা রক্ত আমাশয় দূর করে জাম
  • অরুচি ও বমিভাব কমায় জাম
  • দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
  • সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি দেয় জাম
  • ত্বককে করে শক্তিশালী

জাম ফলে কি কি উপাদান আছেঃ

হেকিমী, আয়ুর্বেদী এবং ইউনানী চিকিৎসাতেও জাম ব্যবহার করা হয়। জামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, জিংক, কপার, গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফ্রুকটোজ, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও স্যালিসাইলেটসহ অসংখ্য উপাদান। যা স্বাস্থ্যের বিভিন্নভাবে উপকার করে থাকে।

কোথায় পাবেন এবং কিভাবে খাবেনঃ

বাজারে, ফলের দোকানে, ইকমার্সে এমনকি সুপারশপেও পাবেন সিজনে। কেজি ১৪০-২০০ টাকার মধ্যে সাইজ দেখে দাম কম বেশি হয়। পাকা জাম পরিস্কার পানিতে ধুয়ে আপনি খেতে পারেন। চাইলে জাম ভর্তা বানিয়ে খেতে পারেন। পরিস্কার পানি দিয়ে ধুয়ে পাকা জামের সাথে হাল্কা লবন, কাঁচামরিচ, সরিষা তেল দিয়ে মাখিয়ে খেতে পারেন।

জাম ফল খাওয়ায় সতর্কতাঃ

আধাপাকা (ডাঁসা) জাম খাওয়া উচিত নয়। খালি পেটে জাম খাবেন না এবং জাম খাওয়ার পর দুধ খাবেন না। পাকা ফল ভরা পেটে খেলে অতিরিক্ত অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিকভাব হতে পারে।

আরও পড়ুন স্বাস্থ্য বিষয়ক ও নানান খাবারের উপকারিতাঃ

মন্তব্য করুন

ব্লগ