সহকারী অধ্যাপক
২২ জুন, ২০২১ ০৭:৪০ পূর্বাহ্ণ
সহকারী অধ্যাপক
মসজিদে নববী (المسجد النبوي) মুহাম্মাদ (সাঃ) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মসজিদ যা বর্তমান সৌদি আরবের মদিনায় অবস্থিত। গুরুত্বের দিক থেকে মসজিদুল হারামের পর মসজিদে নববীর স্থান। মুহাম্মদ (সাঃ) হিজরত করে মদিনায় আসার পর এই মসজিদ নির্মিত হয়।
| মসজিদে নববী | |
|---|---|
ٱلْـمَـسْـجِـدُ ٱلـنَّـبَـويّ | |
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | ইসলাম |
| নেতৃত্ব | ইমাম(সমূহ):
|
| অবস্থান | |
| অবস্থান | মদিনা, হেজাজ, সৌদি আরব[১] |
| প্রশাসন | সৌদি আরব সরকার |
| স্থাপত্য | |
| ধরন | মসজিদ |
| স্থাপত্য শৈলী | ধ্রুপদি ও সাম্প্রতিক ইসলামি; উসমানীয়; মামলুক পুনরুত্থানকারী |
| প্রতিষ্ঠার তারিখ | ৬২২ খ্রিষ্টাব্দ |
| নির্দিষ্টকরণ | |
| ধারণ ক্ষমতা | ৬,০০,০০০ (হজ্জের সময় এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১০,০০,০০০ হয়) |
| মিনারসমূহ | ১০ |
| মিনারের উচ্চতা | ১০৫ মিটার (৩৪৪ ফু) |
মুহাম্মাদ (সাঃ) এর বাসগৃহের পাশে এই মসজিদ নির্মিত হয়েছিল। তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে মসজিদের নির্মাণকাজে অংশ নিয়েছিলেন। সেসময় মসজিদ সম্মিলনস্থল, আদালত ও মাদ্রাসা হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে। পরবর্তীকালের মুসলিম শাসকরা মসজিদ সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্যবর্ধন করেছেন। ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে আরব উপদ্বীপের মধ্যে এখানেই সর্বপ্রথম বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালানো হয়।[২] মসজিদ খাদেমুল হারামাইন শরিফাইনের নিয়ন্ত্রণে থাকে। মসজিদ ঐতিহ্যগতভাবে মদিনার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। মসজিদে নববী অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান বিধায় হজ্জের সময়ে আগত হাজিরা হজ্জের আগে বা পরে মদিনায় অবস্থান করেন।
উমাইয়া খলিফা প্রথম আল ওয়ালিদের শাসনামলে সম্প্রসারণের সময় মুহাম্মদ (সঃ) এবং প্রথম দুই খুলাফায়ে রাশেদিন আবু বকর ও উমরের সমাধি মসজিদের অংশ হয়।[৩] মসজিদের দক্ষিণপূর্বে অবস্থিত সবুজ গম্বুজ একটি স্থাপনা।[৪] এটি হজরত আয়িশার (রাঃ) বাড়ি ছিল।[৩] এখানে মুহাম্মদ (সঃ) ও তার পরবর্তী শাসক দুইজনের সমাধি রয়েছে। ১২৭৯ খ্রিষ্টাব্দে কবরের উপর একটি কাঠের গম্বুজ নির্মিত হয়। এটি পরবর্তীতে ১৫শ শতাব্দীতে কয়েকবার এবং ১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে একবার পুনর্নির্মিত ও সৌন্দর্যবর্ধিত করা হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
বর্তমান গম্বুজটি ১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে উসমানীয় সুলতান দ্বিতীয় মাহমুদ কর্তৃক নির্মিত হয়।[৪] এবং ১৮৩৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম সবুজ রং করা হয়। ফলে এর নাম সবুজ গম্বুজ হয়েছে
৫
৫ মন্তব্য