সহকারী শিক্ষক
২৬ জুন, ২০২১ ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
নুন সাকিন ও তানবিন চার নিয়মে পাঠ করা যায়। যথাঃ ১, ইযহার ২, ইক্বলাব ৩, ইদগাম ৪, ইকফা।
নিম্নে নুন সাকিন ও তানবিনের প্রকারগুলো আলোচনা করা হলো।
১। ইযহারঃ ইযহারের শাব্দিক অর্থ- স্পষ্ট করে পাঠ করা। পরিভাষায়, নুন সাকিন ও তানবিনের পরে হুরুফে হলকি তথা হামজা-হা, আইন-বড় হা, গাইন-খা এ ছয়টি হরফের কোনো একটি হরফ আসলে নুন সাকিন ও তানবিনকে গুন্না ছাড়া খুব স্পষ্ট করে উচ্চারণ করাকে ইযহার বলা হয়।
উল্লেখ্য যে, নুন সাকিন ও তানবিনের মাঝে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। নুন সাকিন ওয়াকফ ও ওয়াসল (মিলিত) উভয় অবস্থায় উচ্চারিত হয়। আর তানবিন কখনো ওয়াকফ অবস্থায় উচ্চারিত হয় না, বরং তা এ অবস্থায় সাকিন হয়ে যায়।
২। ইকলাবঃ ইকলবের অর্থ- পরিবর্তন করা। নুন সাকিন ও তানবিনের পরে বা হরফ আসলে নুন সাকিন ও তানবিনকে মিম দ্বারা পরিবর্তন করাকে ইকলাব বলা হয়। এ অবস্থায় নুন সাকিন ও তানবিনকে এক আলিফ পরিমান দীর্ঘ গুন্না করে পাঠ করতে হয়।
৩। ইদগামঃ ইদগামের অর্থ- মিলিত করা। কোনো শব্দের শেষ ভাগে নুন সাকিন বা তানবিন আসলে এবং তার পরবর্তী শব্দের প্রথম হরফটি ইয়া, রা, মিম, লাম, ওয়াও, নুন, এ ছয়টি হরফের কোনো একটি হরফ হলে উক্ত নুন সাকিন ও তানবিনকে পরবর্তী হরফের সাথে মিলিয়ে পাঠ করাকে ইদগাম বলে।
৪। ইকফাঃ ইকফা অর্থ- গোপন করা। নুন সাকিন ও তানবিনের পরে ইকফার নির্দিষ্ট কোনো হরফ আসলে উক্ত নুন সাকিন ও তানবিনকে গুন্নাহর সাথে গোপন করে পাঠ করতে হয়, একে ইকফা বলা হয়। ইকফার হরফ ১৫টি যথাঃ তা, ছা, জিম, দাল, যাল, ঝা, ছিন, শিন, সাদ, দাদ, ত্বা, জ, ফা, ক্বাফ, কাফ।
১৮
২৯ মন্তব্য