Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৮ জুন, ২০২১ ০৭:৫০ পূর্বাহ্ণ

ওয়াকফের বিবরণ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো, নবম পাঠ থেকে যেনে নিন।

ওয়াকফ শব্দের শাব্দিক অর্থ- থেমে যাওয়া। কুরআন মাজিদ পাঠকালে কোনো শব্দের শেষে বিরাম নেওয়াকে ওয়াকফ বলা হয়। তাজবিদের পরিভাষায়- কোনো আয়াত বা শব্দ শেষ করে বিরামার্থে  আওয়াজ ও নিঃশ্বাস বন্ধ করে পুনরায় শুরু করার জন্য থেমে যাওয়াকে ওয়াকফ বলা হয়। পদ্ধতিগতভাবে ওয়াকফ চার প্রকার। যথাঃ  ১। ওয়াকফ বিল ইসকান,  ২। ওয়াকফ বিল ইশমাম,  ৩। ওয়াকফ বির রাওম,  ৪। ওয়াকফ বিল ইবদাল।  ওয়াকফের প্রকার বিস্তারিত আলোচনা করা হলো-

১। ওয়াকফ বিল ইসকানঃ  পাঠ কালে কোনো আয়াত বা শব্দের শেষ হরফকে পুর্ণ সাকিন করে ওয়াকফ করাকে ওয়াকফ বিল ইসকান বলা হয়। এটা সর্বাধিক গুরুত্বপুর্ণ ওয়াকফ। 

২। ওয়াকফ বিল ইশমামঃ  কুরআন মাজিদ পাঠকালে কোনো আয়াত বা শব্দের শেষ হরফে পেশ থাকলে ওয়াকফকালে ঐ হরফ সাকিন করার পর উভয় ঠোট দ্বারা দ্রুত পেশের দিকে ইশারা করে ওয়াকফ করাকে ওয়াকফ বিল ইশমাম বলা হয়। 

৩। ওয়াকফ বির রাওমঃ  কুরআন মাজিদ পাঠকালে কোনো আয়াত বা শব্দের শেষ হরফে এক যের বা এক পেশ অথবা দুই যের বা দুই পেশ- এর যেকোনোটি থাকলে ওয়াকফকালে তা অতি মৃদু আওয়াজে আদায় করে ওয়াকফ করাকে ওয়াকফ বির রাওম বলা হয়। 

৪। ওয়াকফ বিল ইবদালঃ  কুরআন মাজিদ পাঠ কালে কোন আয়াত বা শব্দের শেষ হরফে দুই যবর হলে ওয়াকফ অবস্থায় ঐ দুই যবরকে এক যবর পড়তে হয় এবং এক আলিফ পরিমাণ দীর্ঘ করে ওয়াকফ করতে হয়। উক্ত দুই যবরের পরে আলিফ থাক বা না থাক, অভয় অবস্থায়ই ওয়াকফকালে এক হরকত পড়তে হয় এবং এক আলিফ পরিমাণ দীর্ঘ করতে হয়। এরূপ ওয়াকফকে ওয়াকফ বিল ইবদাল বলা হয়।  

মন্তব্য করুন