Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৫ জুলাই, ২০২১ ০৮:০১ পূর্বাহ্ণ

তাহাজ্জুদের নামাজ এর গুরুত্ব এবং তাহাজ্জুদের নামাজের ফযীলতঃ

তাহাজ্জুদের  নামাজ এর গুরুত্ব এবং তাহাজ্জুদের নামাজের ফযীলতঃ

মধ্যরাত্রির পর হইতে আরম্ভ করিয়া ‘ সুবহে ছাদেক ’ এর অর্থাৎ  রাত্রির অবসানে যখন পূর্বাকাশে উষার আলো দেখা দেয় , উহার পূর্ব পর্যন্ত  হইল তাহাজ্জুদ নামাযের সময় । এই নামাজ বার রাকাত  পড়া উত্তম ।তাহা না পড়িলে অন্ততঃ দুই রাকাত পড়িবে । এই নামাজের ফযীলত অসীম । এই কারনে মাশায়ে তরীকত ও বুজুর্গানে দ্বীন এই নামাযের প্রতি  অত্যাধিক গুরুত্ব আরোপ  করিয়া থকেন ।  তাহাদের মতে  এই নামায  হল সুন্নতে মুয়াক্কাদা বলিয়া বিবেচিত ।  কেননা হযরত রাসুলে করীম (সাঃ ) কোন সময় এই নামায তরক করেন নাই । ঘটনা ক্রমে কোন রাত্রিতে পড়িতে না পারিলেও রাসুল ( সাঃ ) কাযা পড়িয়াছেন । বস্তুতঃ ইহার মাধ্যমেই তাহাজ্জুদ নামাযের গুরুত্ব উপলদ্ধি করা যায় ।

 

তাহাজ্জুদ নামাযের ফযীলতঃ-

হযরত আবু হোরায়রা ( রাঃ ) হইতে বর্নিত ,হযরত নবী করীম ( সাঃ ) এরশাদ করেন , যে- ব্যক্তি রাত্রিতে জাগিয়া নামাজ পড়ে , এবং স্ত্রীকে  ঘুম হইতে জাগাইয়া দেয় , অন্তর সেও নামাজ পড়ে । স্ত্রী জাগিতে  অনিচ্ছুক হইলে তাহার চেহারায় পানি ছিটাইয়া জাগাইয়া তুলে , তাহার প্রতি আল্লাহতালার রহমত নাযিল করেন । আর যে স্ত্রী লোক রাত্রিতে  জাগিয়া নামাজ পড়ে এবং স্বামীকে ও জাগাইয়া দেয় , অন্তর সেও নামাজ নামাজ পড়ে , স্বামী উঠিতে অনিচ্ছুক হইলে তাহার চেহারায় পানি ছিটাইয়া জাগাইয়া তোলে  তাহার প্রতি আল্লাহতালার রহমত নাজিল করেন । (আবু দাউদ, নাছায়ী , মেশকাত )

হযরত নবী করীম (সাঃ ) আরও বলেন , যে ব্যক্তি নিয়মিত তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে, তাহার মৃত্যুর পর তাহার কবরকে সত্তর গজ প্রশস্ত করিয়া   দেন । ( দারামী )

যেহেতু তাহাজ্জুদের নামাজের ফযীলত অনেক বেশী  তাই আমাদের তাহাজ্জুদ নামাজের প্রতি যত্নবান হওয়া ঊচিত ।  আল্লাহতালা আমাকে সহ সকল মুসলমানদেরকে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার তৌফিক দান করুন (আমীন ) 

মন্তব্য করুন