Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৫ আগস্ট, ২০২১ ০৬:২৮ অপরাহ্ণ

কুরআনে বর্ণিত জান্নাতসমূহের নাম এবং জান্নাতের দরজাসমুহঃ-

 

কুরআনে বর্ণিত জান্নাতসমূহের নাম এবং জান্নাতের দরজাসমুহঃ-

 

জান্না ((আরবিجنّة‎‎ জান্নাহ্; বহুবচন: জান্নাত তুর্কীCennet), শাব্দিক. "স্বর্গ বা বাগান", সৎকর্মশীলদের চূড়ান্ত আবাসস্হল হলো পার্থিব জীবনে যে সকল মুসলিম আল্লাহর আদেশ নিষেধ মেনে চলবে এবং পরকালীন হিসাবে যার পাপের চেয়ে পুণ্যের পাল্লা ভারী হবে ও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করবে তাদের জন্য আল্লাহ যে সকল আবাসস্থল প্রস্তুত  রেখেছেন।'জান্নাত' একটি আরবি শব্দএর শাব্দিক অর্থ বাগান, উদ্যান, আবৃত স্থান। ফার্সি ভাষায় একে বলা হয় বেহেশত। বাংলায় একে বলা হয় স্বর্গ। ইসলামি পরিভাষায়আখিরাতে ঈমানদার ও নেককার বান্দাদের জন্য যে চির-শান্তির আবাস্থল তৈরি করে রাখা হয়েছে, তাকে জান্নাত বলা হয়। আল কুরআনে আটটি জান্ননাতের নাম পাওয়া যায়।

জান্নাতের স্বরূপ

জান্নাত হলো চির-শান্তির স্থান। সেখানে সবকিছুই সুন্দর ও আকর্ষণীয় বস্তু দ্বারা সু-সজ্জিত। জান্নাতের ঘর-বাড়ি, আসন, আসবাবপত্র সবকিছু স্বর্ণ-রৌপ্য, মণি-মুক্তি, দ্বারা নির্মিত। জান্নাতে থাকবে রেশমের গালিচা, দুধ ও মধুর নহর। মিষ্টিপানির স্রোতধারা। বস্তুত আনন্দ উপভোগের সব-রকম জিনিসই জান্নাতে বিদ্যমান থাকবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন-

"সেখানে (জান্নাত) তোমাদের মন যা চাইবে তা-ই তোমাদের জন্য রয়েছে আর তোমরা যা দাবি করবে তাও তোমাদের দেওয়া হবে।" (সুরা হামিম আসসাজদা:৩১)

জান্নাতের বিবরণ দিয়ে মহানবি হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন-

আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন,

'আমি আমার পুণ্যবান বান্দাদের জন্য জান্নাতে এমন সব বস্তু তৈরি করে রেখেছি, যা কোনো (মানুষের) চোখ কোনোদিন দেখেনি, কোনো (মানুষের) কান কোনোদিন শোনেনি, আর মানুষের অন্তরও যা কোনো দিন কল্পনা করতে পারে নি।' (মিশকাহ্)

 

কুরআনে বর্ণিত জান্নাতসমূহের নাম

জান্নাত মোট আটটি। এগুলো হলো- কুরআনে বর্ণিত জান্নাতের নাম/ স্তর সমূহ :

(১) জান্নাতুল ফিরদাউস = জান্নাতের সর্বোচ্চ বাগান(আল-কাহফ,[18:107] আল-মুমিনূন[23:11])

 

(২) দারুল মাকাম = বাড়ি (ফাতির[35:35])

 

(৩) দারুল কারাব = আখেরাতের আলয়(আল-আনকাবূত)[29:64])

 

(৪) দারুস সালাম = শান্তির নীড় (ইউনুস,[10:25] আল আনআম[6:127]

(৫) জান্নাতুল মাওয়া = বসবাসের জান্নাত (আন-নাজম[53:15])

 

(৬) দারুন নাঈম = নেয়ামত পূর্ণ কানন/বাগান (সূরা আল-মায়িদাহ [5:65] ইউনুস,,[10:09] আল-হাজ্জ[22:59]

 

(৭) দারুল খুলদ = চিরস্থায়ী বাগান (আল-ফুরকান[25:15])

(৮)জান্নাতুল আদন = অনন্ত সুখের বাগান (আত-তাওবাহ্‌:[3:72] 72,আর-রাদ[13:23]

আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিতঃ:

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলের প্রতি যে ঈমান আনল, সালাত আদায় করল ও রমযানের সিয়াম পালন করল সে আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করুক কিংবা স্বীয় জন্মভূমিতে বসে থাকুক, তাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেওয়া আল্লাহ্‌র দায়িত্ব হয়ে যায়। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ‌র রসূল! আমরা কি লোকদের এ সুসংবাদ পৌঁছে দিব না? তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র পথে জিহাদকারীদের জন্য আল্লাহ্‌ তাআলা জান্নাতে একশটি মর্যাদার স্তর প্রস্তুত রেখেছেন। দুটি স্তরের ব্যবধান আসমান ও যমীনের দূরত্বের মত। তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে চাইলে ফেরদাউস চাইবে। কেননা এটাই হলো সবচেয়ে উত্তম ও সর্বোচ্চ জান্নাত। আমার মনে হয়, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এও বলেছেন, এর উপরে রয়েছে আরশে রহমান। আর সেখান থেকে জান্নাতের নহরসমূহ প্রবাহিত হচ্ছে। মুহাম্মদ ইব্‌নু ফুলাইহ্ (রহঃ) তাঁর পিতার সূত্রে (নিঃসন্দেহে) বলেন, এর উপরে রয়েছে আরশে রহমান।


সহিহ বুখারী, হাদিস নং ২৭৯০ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

জান্নাতের দরজাসমুহ

হাদিস অনুসারে জান্নাতের মোট আটটি দরজা রয়েছে।

·         বাবুস সালাহ

·         বাবুল জিহাদ

·         বাবুস সাদাকাহ

·         বাবুর রাইয়ান

·         বাবুল হজ

·         বাবুল কাদিমিনুল গায়িধ

·         বাবুল ইমান

·         বাবুজ জিকর

জান্নাতের বর্ননা

জান্নাতের প্রশস্ততা

জান্নাতের প্রশস্ততা সম্পর্কে কুরআনে আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন,

তোমরা দ্রুত অগ্রসর হও তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমার দিকে ও সেই জান্নাতের দিকে যার বিস্তৃতি হচ্ছে আসমানসমূহ ও যমীনের সমান, যা মুত্তাকীদের জন্য তৈরী করা হয়েছে। (সূরা আল ইমরান:১৩৩)

জান্নাত দেখার পরই সঠিকভাবে বোঝা যাবে যে জান্নাত কত বিশাল এবং তার নিয়ামত কত অসংখ্য। আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন,

তুমি যখন দেখবে তখন দেখতে পাবে ভোগ বিলাসের নানান সামগ্রী আর এক বিশাল রাজ্য। (সূরাহ আদ্‌-দাহ্‌রঃ ২০)

জান্নাতে শত স্তর আছে আর প্রত্যেক স্তরের মাঝে এত দূরত্ব আছে যতটা দূরত্ব আছে আকাশ ও মাটির মাঝে। রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন',

জান্নাতে শত স্তর আছে। প্রত্যেক স্তরের মাঝে দূরত্ব হলো আকাশ ও মাটির দূরত্বের সমান। আর ফেরদাউস তার মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে আছে। আর সেখান থেকেই জান্নাতের চারটি ঝর্ণা প্রবহমান। এর উপরে রয়েছে আরশ। তোমরা আল্লাহ্‌র নিকট জান্নাতের জন্য দু'আ করলে জান্নাতুল ফেরদাউসের জন্য দু'আ করবে। (তিরমিজী- কিতাবুল জান্নাহ)

জান্নাতে একটি বৃক্ষের ছায়া এত লম্বা হবে যে কোন অশ্বারোহী ঐ ছায়ায় শত বছর পর্যন্ত চলতে পারবে। রাসূলুল্লাহ (সা) ,বলেন,

জান্নাতে এমন একটি বৃক্ষ আছে যার ছায়ায় কোন আরোহী শত বছর পর্যন্ত চলতে পারবে। আর তোমরা ইচ্ছা করলে তিলাওয়াত করতে পার এবং দীর্ঘ ছায়া। আর জান্নাতে তোমাদের কারও একটি ধনুকের পরিমাণ জায়গাও ঐ জায়গা অপেক্ষা উত্তম যেখানে সূর্য উদিত হয় আর সূর্য অস্তমিত হয় (অর্থাৎ পৃথিবীর চেয়ে)। (সহীহ বুখারী, হাদীস সংখ্যা- ৩২৫২, ৩২৫৩)

সর্বশেষ জান্নাতে প্রবেশকারীকে এ দুনিয়ার চেয়ে দশগুণ বড় জান্নাত দান করা হবে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,

জাহান্নামে থেকে সবশেষে বের হয়ে আসা ব্যক্তিকে আমি চিনি। সে হামাগুড়ি দিয়ে জাহান্নাম থেকে বের হয়ে আসবে। তাকে বলা হবে, "যাও জান্নাতে প্রবেশ কর"। নবী সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, "সে গিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে। সে দেখবে, লোকেরা স্ব স্ব স্থান অধিকার করে আছে। অতঃপর মহান আল্লাহ তাকে বলবেন, "আচ্ছা সে যুগের (জাহান্নামের শাস্তি) কথা তোমার স্মরণ আছে কি?" সে বলবে, "হ্যাঁ, মনে আছে"। তাকে বলা হবে, "তুমি কি পরিমাণ জায়গা চাও তা ইচ্ছা কর"। সে ইচ্ছা করবে। তখন তাকে বলা হবে, "তুমি যে পরিমাণ ইচ্ছা করেছো তা এবং দুনিয়ার দশগুণ জায়গা তোমাকে দেয়া হলো"। একথা শুনে সে বলবে, "আপনি আমার সাথে ঠাট্টা করছেন? অথচ আপনি হলেন সর্ব শক্তিমান"। (সহিহ মুসলিম)

বর্ণনাকারী ইবনে মাসুদ (রা.) বলেন,

"এ সময় আমি রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এমনভাবে হাসতে দেখেছি যে, তাঁর মাড়ির দাঁত পর্যন্ত প্রকাশ হয়ে পড়েছে'(সহীহ মুসলিম - কিতাবুল ঈমান)

জান্নাতে সর্বশেষ ব্যক্তি প্রবেশ করার পরও অনেক জায়গা বাকী থাকবে যা পূর্ণ করার জন্য আল্লাহ্‌ তায়ালা নতুন জীব সৃষ্টি করবেন। রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন,

জান্নাতে যতটুকু স্থান আল্লাহ্‌ চাইবেন ততটুকু স্থান খালি থেকে যাবে। অতঃপর আল্লাহ্‌ তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী অন্য এক জীব সৃষ্টি করবেন'(সহীহ মুসলিম - কিতাবুল জান্নাহ)

জান্নাতের অট্টালিকাসমূহ

 

এ পৃথিবী হবে জান্নাতীদের রুটি

আবু সাঈদ খুদরী রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) থেকে বর্ণনা করেছেনঃ

কিয়ামতের দিন এ পৃথিবী একটি রুটির ন্যায় হবে। আল্লাহ্‌ স্বীয় হস্তে তা এমনভাবে উলট পালট করবেন যেমন তোমাদের কেউ সফররত অবস্থায় তার রুটিকে উলট পালট কর। আর ঐ রুটি দিয়ে জান্নাতীদেরকে মেহমানদারী করা হবে"। (সহীহ মুসলিম)

·         সকাল সন্ধ্যায় জান্নাতীদের খাবার পরিবেশন করা হবে

কুরআনে আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন,

·         এবং সকাল সন্ধ্যায় তাদের জন্য রিযিকের ব্যবস্থা থাকবে। (সূরাহ মারইয়ামঃ ৬২)

·         জান্নাতে মদ্যপান করার পর কোন প্রকার মাতলামি ভাব দেখা দিবে না। (সূরাহ আস্‌-সা-ফ্‌ফাতঃ ৪১-৪৭

·         জান্নাতিদেরকে এমন মদ্যপান করানো হবে যার মধ্যে আদার স্বাদ থাকবে। (সূরাহ আদ্‌-দাহ্‌রঃ ১৫-১৮)

·         জান্নাতিদের পানের জন্য সুস্বাদু পানি, সুমিষ্ট দুধ, সুস্বাদু শরাব, পরিষ্কার স্বচ্ছ মধুর নদীও জান্নাতে বিদ্যমান থাকবে। (সূরাহ মুহাম্মদঃ ১৫)

·         জান্নাতিদের মেহমানদারির জন্য অন্যান্য ফল ব্যতীত খেজুর, আঙ্গুর, আনার, বরই, আনজীর ইত্যাদি ফলও থাকবে। (সূরাহ আর-রহমানঃ ৬৮) (সূরাহ আল-ওয়াক্বি'আহঃ ২৭-৩২

·         জান্নাতীদের সেবায় 'শারাবান ত্বাহুরা' (পবিত্র পরিচ্ছন্ন পানীয়) পেশ করা হবে। (সূরাহ আদ্‌-দাহ্‌রঃ ২১)

·         উটের গর্দানের মত পাখির গোশত জান্নাতীদের পরিবেশন করা হবে। (তিরমিজী- কিতাবুল জান্নাহ)

জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত ব্যক্তি

·         আবু বকর  ওমর রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু

আলী ইবনে আবু তালিব রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি একদা রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ছিলাম। হঠাৎ করে আবু বকর  ওমর রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুও চলে আসলেন। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, "তারা উভয়ে বৃদ্ধ বয়সে মৃত্যুবরণকারী মুসলমানদের সর্দার হবে - তারা পূর্ববর্তী উম্মতের লোক হোক আর পরবর্তী উম্মতেরতবে নবী ও রাসূলগণ ব্যতীত। হে আলী! তুমি এ সংবাদ তাদেরকে দিও না"। (তিরমিজী- আবওয়াবুল মানাকেব)

·         হাসান ও হুসাইন রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু

আবু সাঈদ খুদরী রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সল্লল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "হাসান ও হুসাইন রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু জান্নাতী যুবকদের সর্দার হবে"। (তিরমিজী- আবওয়াবুল মানাকেব)

 

রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম দশজনকে দুনিয়াতেই তাদের জান্নাতী হওয়ার সুসংবাদ দিয়েছেন। তাদেরকে আশারা মুবাশ্‌শারা বলা হয়। আবদুর রহমান বিন আওফ রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "আবু বকর জান্নাতী, ওমর জান্নাতী, ওসমান জান্নাতীআলী জান্নাতী, তালহা জান্নাতী, যুবাইর জান্নাতী, আবদুর রহমান আওফ জান্নাতী, সা'দ বিন আবূ ওক্কাস জান্নাতী, সাঈদ বিন যুবাইর জান্নাতী, আবু ওবাইদা ইবনুল জার রাহ জান্নাতী"। (তিরমিজী- আবওয়াবুল মানাকেব

·         খাদীজা রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা

আয়েশা রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, "রাসূলুল্লাহ্‌ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাদিজা রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহাকে জান্নাতে একটি ঘরের সুসংবাদ দিয়েছেন"। (সহীহ মুসলিম)

·         উম্মে সুলাইম ও বেলাল রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু

জাবের বিন আবদুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, "রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ আমাকে জান্নাত দেখানো হল, আমি আবু তালহা রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এর স্ত্রীকে (উম্মে সুলাইম) সেখানে দেখতে পেলাম। অতঃপর আমি সামনে অগ্রসর হয়ে কোন মানুষের চলার আওয়াজ পেলাম। হঠাৎ দেখলাম বেলাল রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু কে"। (সহীহ মুসলিম)

·         তালহা রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু

যুবায়ের রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, "উহুদের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই জোড়া কাপড় পরিধান করে ছিলেন। তিনি একটি পাথরের উপর আরোহণ করতে ছিলেন কিন্তু তিনি তাতে চড়তে পারছিলেন না। তখন তিনি তালহা রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুকে তাঁর নিচে বসালেন এবং তার ওপর আরোহণ করে তিনি তাতে চড়লেন। যুবায়ের বলেন, এসময় আমি নাবী সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি তিনি বলেনঃ তালহার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেছে"। (তিরমিজী- আবওয়াবুল মানাকেব)

                                      ( সংগৃহীত

মন্তব্য করুন