Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০১:০৪ অপরাহ্ণ

অনলাইন ক্লাসের ৬টি মাধ্যম এবং মাইক্রোসফট টিম অ্যাপ ইন্সটলেশনসহ এর মাধ্যমে অনলাইন ক্লাস নেবার পদ্ধতি

# # অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার বা ক্লাসে অংশ নেওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি মাধ্যম আপনি ব্যবহার করতে পারেন।
অনলাইন ক্লাসের ৬ মাধ্যম

কোর্সেরা
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৪ কোটি ৭০ লাখ শিক্ষার্থী-শিক্ষক এক হওয়ার সুযোগ পান কোর্সেরা (www.coursera.org) প্ল্যাটফর্মে। কোর্স ফি দিয়ে যে কেউ বিভিন্ন বিষয়ের নামী অধ্যাপকদের কোর্সে অংশ নিতে পারেন, কিন্তু কোভিড–১৯ ছড়িয়ে পড়ার পর এই সময়ে শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে ৪০০ বিষয়ে ৩ হাজার ৮০০টি কোর্স বিনা মূল্যে দিচ্ছে কোর্সেরা। তবে এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে (www.coursera.org/coronavirus) লিংকে আবেদন করতে হবে। তারপর ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষের বাছাই করা কোর্সগুলোতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। কোর্সেরাতে বিশ্বমানের অধ্যাপক ও প্রফেশনালরা কোর্স পরিচালনা করেন। তাই কোর্সের মান তুলনামূলক ভালো। ভিডিও ক্লাসের পাশাপাশি থাকে কুইজপর্ব। আর কোর্স শেষে মিলবে অনলাইন সনদ।

অনলাইন ক্লাসের ৬ মাধ্যম

জুম
অধিকাংশ সময় অফিসের কাজে ব্যবহৃত হলেও চাইলে জুমকে বানিয়ে নেওয়া যায় ক্লাসরুম। চমকপ্রদ একটি সফটওয়্যার এই জুম। বিনা মূল্যে ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও সামান্য কিছু টাকা খরচ করলে আরও আধুনিক সেবা দিতে পারে সফটওয়্যারটি। ১০০ জন একই সঙ্গে একই ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিতে পারেন। বিনা মূল্যে ব্যবহার করলে প্রতিটি কনফারেন্সের সময় হবে ৪০ মিনিট। ব্যবহারকারী আইডিভিত্তিক ব্যক্তিগত মিটিং এবং গ্রুপ মিটিং আয়োজন করতে পারেন। বাস্তবের ক্লাসের মতোই এই সফটওয়্যারে প্রশ্ন করার জন্য হাত তোলার সুযোগ থাকছে। এ ছাড়া কেউ কিছু লিখে বোঝাতে চাইলে প্রতিটি স্ক্রিনে ভেসে উঠবে একটি হোয়াইট বোর্ড।

অনলাইন ক্লাসের ৬ মাধ্যম

ইউটিউব লাইভ
ভিডিও শেয়ারিংভিত্তিক সবচেয়ে বড় সাইট হচ্ছে ইউটিউব। কেউ চাইলে তাঁর নির্ধারিত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে চালু করতে পারেন চ্যানেল। চ্যানেলে বিষয়ভিত্তিক ক্লাসের ভিডিও আপলোড করা যাবে। চাইলে সেই ভিডিওতে ‘প্রাইভেট’ অপশন চালু করে শুধু নির্ধারিত শিক্ষার্থীদের দেখানো যাবে। আবার একবারে সব ভিডিও আপলোড করে কোর্সের নির্ধারিত সময়ে ভিডিও প্রিমিয়ার করা যাবে। সারা বিশ্বে গোটা কয়েক দেশ বাদে সব জায়গায় ইউটিউব কাজ করে। ভিন্ন ভিন্ন ইন্টারনেট সুবিধা আর রেজল্যুশনের ছক মিলিয়ে ইউটিউব হয়ে উঠতে পারে অনলাইন ক্লাসের চমকপ্রদ সমাধান। 

অনলাইন ক্লাসের ৬ মাধ্যম

ফেসবুক লাইভ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে পড়াশোনার ক্লাসরুম বানিয়েও কাজে লাগাতে পারেন যে কেউ। কোর্সভিত্তিক আলাদা আলাদা গ্রুপে লাইভ ক্লাস নেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া যেকোনো ডকুমেন্ট, প্রেজেন্টেশন, নোটস বিনিময়ের সুবিধা তো থাকছেই। লাইভ ক্লাস চলাকালে কমেন্টে শিক্ষার্থীরা জানাতে পারবেন তাঁদের সমস্যার কথা। ঠিক ওই সময়ে ক্লাসে উপস্থিত না থাকতে পারলেও পরে গ্রুপে ভিডিও হিসেবে থেকে যাবে এই লাইভ ক্লাসগুলো। তাই কোনো শিক্ষার্থী লাইভ ক্লাস মিস করে গেলেও পরে আবার গ্রুপের ওয়াল থেকে জেনে নিতে পারবেন।

অনলাইন ক্লাসের ৬ মাধ্যম

গুগল ক্লাসরুম
আমাদের দেশে অনেক শিক্ষকই এখন গুগল ক্লাসরুম (classroom.google.com/) ব্যবহার করে ক্লাস নিচ্ছেন। বিনা মূল্যে কোনো শিক্ষক চাইলে গুগল স্যুটে নিবন্ধন করতে পারেন। তারপর নির্ধারিত কোড দিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রবেশ করতে পারবেন ওই ক্লাসে। একটি কোর্সে অসংখ্য ক্লাসের পাশাপাশি ২০ জন শিক্ষক তাঁদের ক্লাস যুক্ত করতে পারবেন। অ্যাসাইনমেন্টের জন্য গুগল ফরম, গুগল ডক, গুগল ড্রাইভ ও ইউটিউব ভিডিও যুক্ত করার সুযোগ থাকছে। ক্লাসরুমে থেকে যাওয়া ক্লাসের ভিডিওগুলো পরেও দেখা যাবে। শুধু কম্পিউটার নয়, যেকোনো ডিভাইস থেকে শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন অনলাইন ক্লাসে।

অনলাইন ক্লাসের ৬ মাধ্যম

মাইক্রোসফট টিম
বাজারের সব অনবদ্য সফটওয়্যার কোম্পানির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মাইক্রোসফট তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য বানিয়েছে মাইক্রোসফট টিম। কেউ যদি মাইক্রোসফট অফিস ৩৬৫ ব্যবহার করা শুরু করেন, তাঁর জন্য সুযোগ থাকছে মাইক্রোসফট টিম ব্যবহারের। ক্লাসের ভিডিও আপলোডের পাশাপাশি শিক্ষক সরাসরি শিক্ষার্থীকে প্রশ্ন করার সুযোগ পাবেন এখানে। ক্লাসের সবাইকে দলগত আলোচনার সুবিধা দিতে মাইক্রোসফট টিমে থাকছে চ্যাটবক্স। তবে এতজন একসঙ্গে কথা বলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ যেন হারিয়ে না যায়, সে জন্য শিক্ষক নির্ধারিত বিষয়কে চ্যাটবক্সের একদম ওপরে রেখে দিতে পারেন। মাইক্রোসফট টিম ব্যবহার করার সময় সরাসরি ই–মেইল স্কাইড্রাইভ ও শেয়ার পয়েন্ট ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা। বরাবরের মতোই যেকোনো ডিভাইস থেকে এই টিম ব্যবহারের সুযোগ থাকছে। ব্যবহারকারীকে আরও সুবিধা দিতে মাইক্রোসফট টিমে আছে চ্যাটবট। শিক্ষক কোথায় কী প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন এবং কোথায় কী আপলোড করেছেন, সেসবের দিকনির্দেশনা দেবে এই চ্যাটবটগুলো। আরও বিস্তারিত জানা যাবে এখানে: teams.microsoft.com/start


Microsoft Teams App ব্যবহার করে সহজেই অনলাইনে টিচিং এবং বিজনেস কনফারেন্স করুন

মাইক্রোসফট টিম অ্যাপটি ইউটিলাইজ করে কিভাবে অনলাইনে টিচিং দিবেন এবং বিজনেস কনফারেন্স করবেন ,এটাই এই আর্টিকেলের আলোচ্য বিষয়।

Microsoft Team app কি এবং কেন তাই তো ?

Microsoft Team app হল Microsoft এর এক যুগান্তকারী অনলাইন টিচিং এবং লার্নিং অ্যাপলিকেশন।মাইক্রোসফট টিম হল Microsoft office 365 এর একটি অংশ।

Microsoft teams এর মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন জায়গা থেকে আপনি আপনার প্রতিষ্ঠানের কলিগদের সাথে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে মিটিং করতে পারবেন,ফাইল শেয়ার করতে পারবেন,প্রেজেন্টেশন করতে পারবেন,হোয়াইট বোর্ড ড্রয়িং করতে পারবেন আরো অনেক কিছু।তবে মাইক্রসফট টিম অ্যাপ এবং একাউন্ট সবার থাকতে হবে।  

একটা শিক্ষা প্রতিষ্টানের ক্ষেত্রেও তাই করা যাবে যেমন,ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে যে কোন লেসন নিয়ে আলোচনা করা,নোট শেয়ার করা ইত্যাদি।

Microsoft team app টি মুলত যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানের জন্য।তবে কেউ চাইলে ফ্রেন্ডস এবং ফ্যামিলির জন্যও ব্যবহার করতে পারবে। এর দুইটি ভার্সন রয়েছে একটি হল Pro version যা কিনে নিতে হবে আরেকটি হল ফ্রি-ভার্সন।আমরা ফ্রি ভার্সন নিয়ে কথা বলব। যেহেতু ফ্রি ভার্সন ব্যবহার করব সেহেতু আমাদের একটা ফ্রি একাউন্ট খুলে নিতে হবে।

মাইক্রোসফট টিমস হল Microsoft office 365 এর একটি অংশ।কিন্তু Microsoft teams ব্যবহার করার জন্য আপনার Microsoft office 365 থাকার প্রয়োজন নেই। প্রথমে আপনাকে Microsoft teams app টি ডাউনলোড করে নিতে হবে ল্যাপটপ অথবা মোবাইলের জন্য।তারপর অ্যাপটি ওপেন করে একটা একাউন্ট খুলে নিতে হবে।একাউন্ট খোলাটা সুপার ইজি,একাউন্ট খোলার জন্য আপনার একটা G-mail account থাকলেই হবে।

Microsoft Team App ডাউনলোড করার জন্য ক্লিক করুন

উপরের লিংকে ক্লিক করলে যদি ডাউনলোড না হয় তাহলে ,এইভাবে চেষ্টা করুন।প্রথমে আপনার Chrome Browser টি ওপেন করুন,তারপর ব্রাউজারের ডানপাশে উপরের তিনটা ডটে (…) ক্লিক করে New Incognito Window ওপেন করে সার্চ বারে লিখুন teams.microsoft.com/downloads তারপর Enter

Microsoft Team app টি আপনার ল্যাপটপে অথবা মোবাইলে ইন্সটল করে ফ্রি একাউন্ট খোলার পর নিচের ছবির মত একটা উইন্ডো দেখতে পাবেন।অ্যাপটিতে অনেকগুলো অপশন রয়েছে।সবগুলো অপশন নিয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব।       

Microsoft teams appMicrosoft team app window

বিনা মূল্যে মাইক্রোসফট অফিস ব্যবহার করবেন যেভাবে

নিয়ম মেনেই বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায় ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্টের মতো মাইক্রোসফট অফিস সফটওয়্যার
নিয়ম মেনেই বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায় ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্টের মতো মাইক্রোসফট অফিস সফটওয়্যারস্ক্রিনশট

এমন শিরোনাম অদ্ভুত মনে হতে পারে। কারণ অনেকে কম্পিউটারে মাইক্রোসফট অফিস স্যুটের সফটওয়্যার অর্থাৎ ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট বিনা মূল্যেই ব্যবহার করেন। তবে সেগুলো যে পাইরেটেড সংস্করণ, তা অনেকে জানেন, আবার অনেকে না জেনেই ব্যবহার করছেন।

পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহারের বড় ঝুঁকি ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে। হ্যাকাররা এই সফটওয়্যারগুলোর ‘ক্র্যাকড ভার্সন’ ছড়িয়ে দিয়ে মানুষের কম্পিউটার থেকে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পথ তৈরি করেন। সেটা একটা দিক। আরেকটি দিক হলো, হাজারো মানুষের মেধা ও শ্রমে তৈরি হয় সফটওয়্যার। চট করে সেটার পাইরেটেড কপি জোগাড় করে ব্যবহার করা মানে ওই মানুষগুলোর মেধার মূল্য না দেওয়া। আজ ২৬ এপ্রিল, বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবসে চলুন জানা যাক, সৃজনশীল মানুষগুলোর মেধার মূল্য দিয়েও যেভাবে আমরা ওয়ার্ড-এক্সেলের মতো সফটওয়্যারগুলো বিনা মূল্যে ব্যবহার করতে পারি।

মাইক্রোসফট অফিস স্যুটের সফটওয়্যারগুলো বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায় অনলাইনে। ডেস্কটপ সংস্করণ আর অনলাইন সংস্করণের ইউজার ইন্টারফেস অনেকটা কাছাকাছি, সব না হলেও সাধারণ সুবিধাগুলোর বেশির ভাগ অনলাইনে রয়েছে। বড় সুবিধার আরেকটি হলো, অনলাইনে সংস্করণে ওয়ার্ড-এক্সেল ফাইলগুলো সরাসরি এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়ান ড্রাইভে বিনা মূল্যে (৫ গিগাবাইট পর্যন্ত) সংরক্ষণ করা যায়। অর্থাৎ আপনি যেখানেই থাকুন, ইন্টারনেট–সংযোগ থাকলে যেকোনো কম্পিউটার বা স্মার্টফোন থেকে সে ফাইল দেখতে কিংবা সম্পাদনা করতে পারবেন। চাইলে অন্য কাউকে সম্পাদনার আহ্বান জানাতেও পারবেন। প্রয়োজনে নামিয়ে কম্পিউটারে সংরক্ষণও করা যায়।

আগেই বলা হয়েছে, ওয়ার্ড-এক্সেলের অনলাইন সংস্করণ ব্যবহার করতে চাইলে ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন। আর প্রয়োজন একটি মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্ট। যেকোনো ওয়েব ব্রাউজার থেকে www.office.com ঠিকানার ওয়েবসাইটে গিয়ে বিনা মূল্যে অ্যাকাউন্ট তৈরি কিংবা বিদ্যমান অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লগইন করুন। সেখানে আপনার ওয়ান ড্রাইভে থাকা ফাইলগুলো দেখাবে।

এবার বাঁ দিকের প্যানেল থেকে যে সফটওয়্যার ব্যবহার করতে চান, সেটি নির্বাচন করুন। ধরুন, আমরা ওয়ার্ড ব্যবহার করতে চাই। বাঁ দিক থেকে ‘ওয়ার্ড’ নির্বাচন করুন। এরপর ‘নিউ ব্ল্যাংক ডকুমেন্ট’ নির্বাচন করলে নতুন একটি ফাইল খুলবে। চাইলে পূর্বনির্ধারিত টেম্পলেট নির্বাচন করতে পারেন। মোর টেম্পলেটে ক্লিক করলে আরও টেম্পলেট পাবেন। অনলাইন ওয়ার্ড ফাইলে কিছু লিখলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষণ (সেভ) হবে। আর ফাইলের নাম পরিবর্তনের জন্য ওপরের বাঁ দিকে ‘সেভড টু ওয়ানড্রাইভ’ লেখায় ক্লিক করে নতুন নাম ঠিক করে দিতে পারেন।

স্মার্টফোনেও মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন বিনা মূল্যে। নামিয়ে নিয়ে পারেন অ্যাপলের অ্যাপ স্টোর কিংবা গুগল প্লে স্টোর থেকে।

তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো এবং অন্যান্য উৎস

শুভেচ্ছান্তে

মোঃ মামুনুর রহমান  

সহকারী শিক্ষক(আইসিটি),

আইসিটি (ICT4E) জেলা অ্যাম্বাসেডর, রাজশাহী , a2i, Bangladesh

ব্রিটিশ কাউন্সিল কো-অর্ডিনেটর,রাজশাহী 

গুল-গোফুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়     

গোদাগাড়ী, রাজশাহী

Mobile & WhatsApp : +8801768927380

Email:  [email protected]   

বাতায়ন আইডি : mamunggghsc10 ,

Profile Link :  https://www.teachers.gov.bd/profile/mamunggghsc10

মন্তব্য করুন

ব্লগ