সহকারী শিক্ষক
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
জবা গাছের উপকারিতা কী কী?
জবা একটি ছোট আকৃতির গাছ। ৫ থেকে ৮ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। পশ্চিমবঙ্গে একপাটি এবং পঞ্চমুখী দুই ধরণের জবা দেখা যাই। আর এক শ্রেণীর জবা দেখা যাই যাকে লম্বা জবা বলে। জবা গাছের বহু শাখা হয়। পাতার আকার ডিমের মতো এবং দাঁত যুক্ত। আগের দিকটা সরু
ফুলের রং -লাল ,নীল ,হলুদ ,সাদা ,গোলাপি প্রভৃতি।
জবার বীজকোষ-এর আকৃতি গােল এবং তার মধ্যে বহু বীজ থাকে। সারা বছরই গাছে। ফুল ফোটে এবং ফল ধরে।।
বাংলায় এর নাম— জবা, সংস্কৃতে বলে—জপা/জবাপুষ্প, হিন্দীতে বলে জাসুম/বােড়হুল।
কোন্ কোন্ অসুখে প্রয়ােজন
১। চুলের বৃদ্ধির জন্য :- জবা গাছের টাটকা পাতার রস এবং জলপাই-এর তেল মিশিয়ে ভালাে ভাবে ফোটাতে হবে। রস তেলের মধ্যে মিশে কেবল যখন তেলটা থাকবে তখন উনুন থেকে পাত্রটি নামিয়ে ঠাণ্ডা হলে কাচের শিশিতে রাখতে হবে। এই তেল প্রতিদিন চুলে মাখলে চুল বড় হবে এবং চুল সহজে পাকে না।।
২। পাকা চুল কালাে করতে :- গরুর দুধ ৪ লিটার, জবাফুল বেটে তার রস, যষ্টিমধুর। কল্ক ৯০ গ্রাম একটি স্টিলের পাত্রে ১ লিটার তেলের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর আগুনে ফোটাতে হয়। দুধ ও ফুলের রস মিশে গেলে পাত্রটি উনুন থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে। তারপর কাঁচের শিশিতে ভরে রাখতে হবে। এই তেল প্রতিদিন চুলে। মাখলে পাকা চুল ধীরে ধীরে কালাে হয়ে ওঠে। |
৩||অতিরিক্ত ঋতুস্রাবে :- জবাফুল ৫/৭টি সামান্য গাওয়া ঘিয়ে ভেজে খেলে— অতিরিক্ত ঋতুস্রাব বন্ধ হবে। এছাড়া পঞ্চমুখী জবার দু’টি কুঁড়ি ঢেকি ছাঁটা আতপ চাল ধােয়া জলে বেটে সেই ওষুধ খেলে ঋতুস্রাব স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
৪। অনিয়মিত স্রাবে :- মেয়েদের মাসিক শুরু হলেও এক থেকে দেড়দিনের মধ্যে। বন্ধ হয়ে যায়। আবার অনেক সময় মাসিক-এর দিন চলে গেলে ঠিকমতাে হয় না। এই অবস্থায় পঞ্চমুখী জবার কুঁড়ি, দারুচিনি ৫০০ মিলিগ্রাম একসঙ্গে শিলে ভালাে করে। মিহি করে বাটতে হয়। তারপর ঐ ওষুধ সরবতের মতাে দিনে একবার নিয়মিত খেলেই। মেয়েদের স্রাব স্বাভাবিকভাবে হতে থাকবে। আরো পড়ুন …
৭০
১৪৪ মন্তব্য