সহকারী শিক্ষক
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১১:২৮ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
সেচ (Irrigation) বাঁধ, নালা, খাল ইত্যাদির মাধ্যমে অথবা অন্য কোন যান্ত্রিক উপায়ে শুকনো ক্ষেত-খামারে পানি সরবরাহ। সেচ কার্যক্রম এশিয়া, আফ্রিকা ও আমেরিকায় বহু হাজার বছর পূর্ব থেকেই চালু হয়েছে বলে অনুমান করা হয়, বিশেষ করে যেসব এলাকায় বার্ষিক বৃষ্টিপাত ৫০০ মিমি-এর কম। মাটির আর্দ্রতা যথেষ্ট বেশি থাকলেও কোন কোন ফসলের জন্য, যেমন রোপা আমন, অতিরিক্ত পানির প্রয়োজন হয়। এক হিসাবে জানা যায় যে, সারা পৃথিবীতে সেচকৃত মোট জমির পরিমাণ ২১ কোটি ৯৭ লক্ষ ৪৯ হাজার হেক্টর থেকে ২৫ কোটি হেক্টর; এর প্রায় অর্ধেক জমি ভারত, পাকিস্তান, চীন এবং বাংলাদেশে। সম্ভবত পানির বিতরণ, নিয়ন্ত্রণ এবং মজুতের জন্য খাল, নালা, বাঁধ, সংরক্ষিত জলাধার ইত্যাদির প্রথম প্রচলন হয়েছিল প্রাচীন মিশরে। আধুনিককালে ভূগর্ভস্থ এবং মাটির উপরিভাগের পানির উৎস থেকে সেচ কাজের জন্য সেচপাম্প চালু হয়েছে।
বাংলাদেশে ফসলের জমিতে সেচের জন্য গভীর ও অগভীর উভয় ধরনের নলকূপ এখন ব্যাপকভাবে ব্যবহূত হচ্ছে, বিশেষ করে শুকনো মৌসুমে (নভেম্বর-মার্চ)। ধানের উন্নত জাতগুলি খরার প্রতি অতি সংবেদনশীল হওয়ার কারণে এ শস্যে মাঝে মধ্যেই সেচের প্রয়োজন হয়। ২০০৬-০৭ সালে ৫৫,০১,৪২৮ হেক্টর জমি সেচের আওতাধীন ছিল।
৭০
১৪৪ মন্তব্য